সনাতন পত্র ডেস্ক
শিক্ষা বিষয়ক প্রতিবেদন
চট্টগ্রামের কয়েকটি কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক পাস করিয়ে দেওয়ার জন্য শিক্ষকদের ওপর চাপ সৃষ্টি এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোর শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের মধ্যে এ ঘটনায় উদ্বেগ ও অস্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু ব্যক্তি শিক্ষা বোর্ডের নাম ব্যবহার করে শিক্ষকদের ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা করছেন।
কলেজ সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই কিছু শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবক কলেজে এসে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পাস করিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানাতে শুরু করেন। প্রথমদিকে বিষয়টি তদবিরের পর্যায়ে থাকলেও পরে কয়েকটি ক্ষেত্রে শিক্ষকদের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অনেক শিক্ষক বলছেন, পরীক্ষার ফল পরিবর্তনের কোনো সুযোগ না থাকলেও তাঁদের ওপর অনাকাঙ্ক্ষিত চাপ দেওয়া হচ্ছে।
হাজেরা তজু ডিগ্রি কলেজের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে তিনটি বিভাগে মোট ১ হাজার ৫৩১ জন নিয়মিত শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ৫০০ জন সব বিষয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। তবে এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে প্রায় ৭৫ জন শিক্ষার্থী এবং দুই বিষয়ে ফেল করেছে প্রায় ২০ জন। এছাড়া অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে অংশ নেয় আরও ১৩৫ জন।
শিক্ষার্থীদের একটি অংশ ফলাফলে সন্তুষ্ট হলেও যারা অকৃতকার্য হয়েছে তাদের মধ্যে অনেকেই হতাশা প্রকাশ করেছে। এ অবস্থায় কয়েকজন অভিভাবক কলেজে এসে শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফল পরিবর্তনের অনুরোধ জানান। কিন্তু শিক্ষাবোর্ডের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ফল প্রকাশের পর তা কলেজ পর্যায়ে পরিবর্তন করার কোনো সুযোগ নেই বলে শিক্ষকরা জানিয়ে দেন।
শুধু হাজেরা তজু ডিগ্রি কলেজ নয়, চট্টগ্রামের ওমরগণি এমইএস কলেজ, সরকারি কমার্স কলেজ এবং ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে একই ধরনের পরিস্থিতির কথা জানা গেছে। এসব কলেজেও কিছু শিক্ষার্থী বিভিন্ন বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে এবং ফল প্রকাশের পর কয়েকজন অভিভাবক ফল পরিবর্তনের জন্য শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বলে জানা যায়।
কলেজ সূত্রগুলো বলছে, শিক্ষকদের পক্ষ থেকে যখন জানানো হয় যে পরীক্ষার ফল পরিবর্তন করার ক্ষমতা তাঁদের নেই, তখন কিছু ব্যক্তি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। পরে কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি বিভিন্ন মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করে শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং ফল পরিবর্তনের জন্য চাপ সৃষ্টি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
কিছু ক্ষেত্রে ফোন করে নিজেদের চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট কয়েকজন শিক্ষক দাবি করেছেন, এসব ফোনকলের মাধ্যমে ফল পরিবর্তনের বিষয়ে চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হয়েছে। এতে শিক্ষকরা বিব্রত ও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি কলেজের একজন শিক্ষক বলেন, ফল প্রকাশের পর স্থানীয় কিছু অভিভাবক প্রথমে অনুরোধের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেন। কিন্তু পরে বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন করে নিজেদের শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে কথা বলা শুরু হয়। তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতি শিক্ষকদের জন্য অস্বস্তিকর এবং মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ বিষয়ে বলেন, বোর্ডের নাম ব্যবহার করে কেউ যদি অনৈতিকভাবে চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, তাহলে সেটি আইনগতভাবে অপরাধ। তিনি জানান, বোর্ডের নির্ধারিত প্রক্রিয়ার বাইরে ফল পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। যদি কেউ বোর্ডের নাম ব্যবহার করে এমন কাজ করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
তবে এখন পর্যন্ত শিক্ষা বোর্ডের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে এমন কোনো অভিযোগ পৌঁছায়নি বলে ওই কর্মকর্তা জানান। তিনি বলেন, অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হাজেরা তজু ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ওয়াহিদুল আলম বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তাঁর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। তিনি বলেন, যদি কোনো শিক্ষক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নির্দিষ্টভাবে অভিযোগ করেন, তাহলে কলেজ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা যদি ফল নিয়ে অসন্তুষ্ট হয়, তাহলে বোর্ডের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খাতা পুনর্মূল্যায়ন করা হয় এবং কোনো ভুল থাকলে তা সংশোধন করা হয়।
তাঁদের মতে, ফল পরিবর্তনের জন্য শিক্ষক বা কলেজ কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করা বা হুমকি দেওয়া শিক্ষাঙ্গনের জন্য উদ্বেগজনক একটি বিষয়। এতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং শিক্ষকরা মানসিক চাপের মধ্যে পড়তে পারেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও নিয়মের প্রতি সম্মান বজায় রাখা জরুরি। পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে অসন্তোষ থাকলে নির্ধারিত পদ্ধতির মাধ্যমে আপত্তি জানানোর সুযোগ রয়েছে। কিন্তু অনৈতিকভাবে ফল পরিবর্তনের চেষ্টা করা বা শিক্ষা বোর্ডের নাম ব্যবহার করে চাপ সৃষ্টি করা শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য ক্ষতিকর বলে তারা মনে করেন।
চট্টগ্রামের কয়েকটি কলেজে সাম্প্রতিক এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অনেক শিক্ষক মনে করছেন, এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজন হলে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়াও জরুরি।
কলেজ সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই কিছু শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবক কলেজে এসে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পাস করিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানাতে শুরু করেন। প্রথমদিকে বিষয়টি তদবিরের পর্যায়ে থাকলেও পরে কয়েকটি ক্ষেত্রে শিক্ষকদের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অনেক শিক্ষক বলছেন, পরীক্ষার ফল পরিবর্তনের কোনো সুযোগ না থাকলেও তাঁদের ওপর অনাকাঙ্ক্ষিত চাপ দেওয়া হচ্ছে।
হাজেরা তজু ডিগ্রি কলেজের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে তিনটি বিভাগে মোট ১ হাজার ৫৩১ জন নিয়মিত শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ৫০০ জন সব বিষয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। তবে এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে প্রায় ৭৫ জন শিক্ষার্থী এবং দুই বিষয়ে ফেল করেছে প্রায় ২০ জন। এছাড়া অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে অংশ নেয় আরও ১৩৫ জন।
শিক্ষার্থীদের একটি অংশ ফলাফলে সন্তুষ্ট হলেও যারা অকৃতকার্য হয়েছে তাদের মধ্যে অনেকেই হতাশা প্রকাশ করেছে। এ অবস্থায় কয়েকজন অভিভাবক কলেজে এসে শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফল পরিবর্তনের অনুরোধ জানান। কিন্তু শিক্ষাবোর্ডের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ফল প্রকাশের পর তা কলেজ পর্যায়ে পরিবর্তন করার কোনো সুযোগ নেই বলে শিক্ষকরা জানিয়ে দেন।
শুধু হাজেরা তজু ডিগ্রি কলেজ নয়, চট্টগ্রামের ওমরগণি এমইএস কলেজ, সরকারি কমার্স কলেজ এবং ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে একই ধরনের পরিস্থিতির কথা জানা গেছে। এসব কলেজেও কিছু শিক্ষার্থী বিভিন্ন বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে এবং ফল প্রকাশের পর কয়েকজন অভিভাবক ফল পরিবর্তনের জন্য শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বলে জানা যায়।
কলেজ সূত্রগুলো বলছে, শিক্ষকদের পক্ষ থেকে যখন জানানো হয় যে পরীক্ষার ফল পরিবর্তন করার ক্ষমতা তাঁদের নেই, তখন কিছু ব্যক্তি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। পরে কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি বিভিন্ন মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করে শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং ফল পরিবর্তনের জন্য চাপ সৃষ্টি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
কিছু ক্ষেত্রে ফোন করে নিজেদের চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট কয়েকজন শিক্ষক দাবি করেছেন, এসব ফোনকলের মাধ্যমে ফল পরিবর্তনের বিষয়ে চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হয়েছে। এতে শিক্ষকরা বিব্রত ও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি কলেজের একজন শিক্ষক বলেন, ফল প্রকাশের পর স্থানীয় কিছু অভিভাবক প্রথমে অনুরোধের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেন। কিন্তু পরে বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন করে নিজেদের শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে কথা বলা শুরু হয়। তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতি শিক্ষকদের জন্য অস্বস্তিকর এবং মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ বিষয়ে বলেন, বোর্ডের নাম ব্যবহার করে কেউ যদি অনৈতিকভাবে চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, তাহলে সেটি আইনগতভাবে অপরাধ। তিনি জানান, বোর্ডের নির্ধারিত প্রক্রিয়ার বাইরে ফল পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। যদি কেউ বোর্ডের নাম ব্যবহার করে এমন কাজ করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
তবে এখন পর্যন্ত শিক্ষা বোর্ডের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে এমন কোনো অভিযোগ পৌঁছায়নি বলে ওই কর্মকর্তা জানান। তিনি বলেন, অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হাজেরা তজু ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ওয়াহিদুল আলম বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তাঁর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। তিনি বলেন, যদি কোনো শিক্ষক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নির্দিষ্টভাবে অভিযোগ করেন, তাহলে কলেজ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা যদি ফল নিয়ে অসন্তুষ্ট হয়, তাহলে বোর্ডের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খাতা পুনর্মূল্যায়ন করা হয় এবং কোনো ভুল থাকলে তা সংশোধন করা হয়।
তাঁদের মতে, ফল পরিবর্তনের জন্য শিক্ষক বা কলেজ কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করা বা হুমকি দেওয়া শিক্ষাঙ্গনের জন্য উদ্বেগজনক একটি বিষয়। এতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং শিক্ষকরা মানসিক চাপের মধ্যে পড়তে পারেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও নিয়মের প্রতি সম্মান বজায় রাখা জরুরি। পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে অসন্তোষ থাকলে নির্ধারিত পদ্ধতির মাধ্যমে আপত্তি জানানোর সুযোগ রয়েছে। কিন্তু অনৈতিকভাবে ফল পরিবর্তনের চেষ্টা করা বা শিক্ষা বোর্ডের নাম ব্যবহার করে চাপ সৃষ্টি করা শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য ক্ষতিকর বলে তারা মনে করেন।
চট্টগ্রামের কয়েকটি কলেজে সাম্প্রতিক এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অনেক শিক্ষক মনে করছেন, এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজন হলে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়াও জরুরি।
প্রকাশ: ১৪ মার্চ ২০২৬ | সূত্র: dainikshiksha.com
...