সনাতন পত্র ডেস্ক
আন্তর্জাতিক বিষয়ক প্রতিবেদন
ইরানের প্রভাবশালী ধর্মীয় ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি এবং ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সংশ্লিষ্ট কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে ধরিয়ে দিতে তথ্যদাতাদের জন্য বড় অঙ্কের আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের অধীনে পরিচালিত ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ কর্মসূচির মাধ্যমে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। শুক্রবার প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়, এসব ব্যক্তির অবস্থান বা কার্যক্রম সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রদান করলে সর্বোচ্চ এক কোটি মার্কিন ডলার পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়া হতে পারে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের অধীনস্থ ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি সার্ভিস এই কর্মসূচি পরিচালনা করে থাকে। তাদের প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, যেসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে তারা ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শাখা পরিচালনা বা তদারকি করেন। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এই বাহিনীর কিছু অংশ বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সশস্ত্র কর্মকাণ্ড এবং সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের সঙ্গে জড়িত।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, এসব নেতাদের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে বলে যুক্তরাষ্ট্র মনে করে। সেই কারণেই সম্ভাব্য তথ্য সংগ্রহের জন্য এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, যারা কার্যকর তথ্য সরবরাহ করবেন তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ পুনর্বাসন ব্যবস্থাও বিবেচনা করা হতে পারে।
ঘোষণার সঙ্গে কয়েকজন সংশ্লিষ্ট নেতার ছবি প্রকাশ করেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। এতে আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির ছবিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মতে, আইআরজিসির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিভিন্ন সামরিক ও গোয়েন্দা তৎপরতায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।
মার্কিন প্রশাসনের দাবি অনুযায়ী, ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ কর্মসূচির লক্ষ্য হলো বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবাদ দমনে তথ্য সংগ্রহ করা এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা জোরদার করা। এই কর্মসূচি ১৯৮৪ সালে চালু হয় এবং এর মাধ্যমে বিভিন্ন সময় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজনদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। অতীতে এই কর্মসূচির আওতায় বহু তথ্যদাতা আর্থিক পুরস্কার পেয়েছেন বলে মার্কিন কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন।
মোজতবা খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির পুত্র হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দেশটির রাজনীতিতে প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। যদিও তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বড় সরকারি পদে নেই, তবুও বিশ্লেষকদের মতে ইরানের ক্ষমতার বিভিন্ন কাঠামোর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। বিশেষ করে ধর্মীয় ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তার প্রভাব নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নানা আলোচনা রয়েছে।
ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি ইরানের অন্যতম শক্তিশালী সামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনী। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এই বাহিনী গঠন করা হয়। এর মূল দায়িত্ব ছিল বিপ্লবের আদর্শ রক্ষা করা এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই বাহিনী সামরিক কার্যক্রমের পাশাপাশি অর্থনীতি ও রাজনীতিতেও উল্লেখযোগ্য প্রভাব বিস্তার করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র বহু বছর ধরেই আইআরজিসির বিরুদ্ধে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আসছে। ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র এই বাহিনীকে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। সেই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। ইরান সেই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার জন্য দায়ী করেছিল।
সাম্প্রতিক পুরস্কার ঘোষণার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র আবারও আইআরজিসি এবং সংশ্লিষ্ট নেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। মার্কিন প্রশাসন মনে করে, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য এ ধরনের পদক্ষেপ প্রয়োজন। তবে ইরান দীর্ঘদিন ধরে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের নীতিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করে।
এ ধরনের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা মনে করছেন। মধ্যপ্রাচ্যে ইতোমধ্যে বিভিন্ন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক অত্যন্ত সংবেদনশীল অবস্থায় রয়েছে। ফলে নতুন করে পুরস্কার ঘোষণা এবং অভিযোগের বিষয়টি কূটনৈতিক আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যেকোনো ব্যক্তি যদি এই ঘোষণার আওতায় থাকা ব্যক্তিদের অবস্থান, নেটওয়ার্ক বা কর্মকাণ্ড সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেন, তাহলে তা নিরাপদ উপায়ে গ্রহণ করা হবে। তথ্যদাতাদের পরিচয় গোপন রাখা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের পুরস্কার কর্মসূচি সাধারণত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের একটি কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে এর কার্যকারিতা অনেক ক্ষেত্রে নির্ভর করে তথ্যের সত্যতা এবং সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের রাজনৈতিক বাস্তবতার ওপর। তাই এই ঘোষণার বাস্তব প্রভাব কতটা হবে তা সময়ই বলে দেবে।
সাম্প্রতিক ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কেউ এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ এটিকে রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের অংশ হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন। তবে পরিস্থিতি কোন দিকে এগোবে তা নির্ভর করবে ভবিষ্যতের কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের ওপর।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের অধীনস্থ ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি সার্ভিস এই কর্মসূচি পরিচালনা করে থাকে। তাদের প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, যেসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে তারা ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শাখা পরিচালনা বা তদারকি করেন। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এই বাহিনীর কিছু অংশ বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সশস্ত্র কর্মকাণ্ড এবং সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের সঙ্গে জড়িত।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, এসব নেতাদের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে বলে যুক্তরাষ্ট্র মনে করে। সেই কারণেই সম্ভাব্য তথ্য সংগ্রহের জন্য এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, যারা কার্যকর তথ্য সরবরাহ করবেন তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ পুনর্বাসন ব্যবস্থাও বিবেচনা করা হতে পারে।
ঘোষণার সঙ্গে কয়েকজন সংশ্লিষ্ট নেতার ছবি প্রকাশ করেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। এতে আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির ছবিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মতে, আইআরজিসির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিভিন্ন সামরিক ও গোয়েন্দা তৎপরতায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।
মার্কিন প্রশাসনের দাবি অনুযায়ী, ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ কর্মসূচির লক্ষ্য হলো বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবাদ দমনে তথ্য সংগ্রহ করা এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা জোরদার করা। এই কর্মসূচি ১৯৮৪ সালে চালু হয় এবং এর মাধ্যমে বিভিন্ন সময় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজনদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। অতীতে এই কর্মসূচির আওতায় বহু তথ্যদাতা আর্থিক পুরস্কার পেয়েছেন বলে মার্কিন কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন।
মোজতবা খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির পুত্র হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দেশটির রাজনীতিতে প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। যদিও তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বড় সরকারি পদে নেই, তবুও বিশ্লেষকদের মতে ইরানের ক্ষমতার বিভিন্ন কাঠামোর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। বিশেষ করে ধর্মীয় ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তার প্রভাব নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নানা আলোচনা রয়েছে।
ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি ইরানের অন্যতম শক্তিশালী সামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনী। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এই বাহিনী গঠন করা হয়। এর মূল দায়িত্ব ছিল বিপ্লবের আদর্শ রক্ষা করা এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই বাহিনী সামরিক কার্যক্রমের পাশাপাশি অর্থনীতি ও রাজনীতিতেও উল্লেখযোগ্য প্রভাব বিস্তার করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র বহু বছর ধরেই আইআরজিসির বিরুদ্ধে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আসছে। ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র এই বাহিনীকে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। সেই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। ইরান সেই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার জন্য দায়ী করেছিল।
সাম্প্রতিক পুরস্কার ঘোষণার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র আবারও আইআরজিসি এবং সংশ্লিষ্ট নেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। মার্কিন প্রশাসন মনে করে, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য এ ধরনের পদক্ষেপ প্রয়োজন। তবে ইরান দীর্ঘদিন ধরে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের নীতিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করে।
এ ধরনের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা মনে করছেন। মধ্যপ্রাচ্যে ইতোমধ্যে বিভিন্ন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক অত্যন্ত সংবেদনশীল অবস্থায় রয়েছে। ফলে নতুন করে পুরস্কার ঘোষণা এবং অভিযোগের বিষয়টি কূটনৈতিক আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যেকোনো ব্যক্তি যদি এই ঘোষণার আওতায় থাকা ব্যক্তিদের অবস্থান, নেটওয়ার্ক বা কর্মকাণ্ড সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেন, তাহলে তা নিরাপদ উপায়ে গ্রহণ করা হবে। তথ্যদাতাদের পরিচয় গোপন রাখা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের পুরস্কার কর্মসূচি সাধারণত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের একটি কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে এর কার্যকারিতা অনেক ক্ষেত্রে নির্ভর করে তথ্যের সত্যতা এবং সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের রাজনৈতিক বাস্তবতার ওপর। তাই এই ঘোষণার বাস্তব প্রভাব কতটা হবে তা সময়ই বলে দেবে।
সাম্প্রতিক ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কেউ এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ এটিকে রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের অংশ হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন। তবে পরিস্থিতি কোন দিকে এগোবে তা নির্ভর করবে ভবিষ্যতের কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের ওপর।
প্রকাশ: ১৪ মার্চ ২০২৬
...