সনাতন পত্র ডেস্ক
আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি সংবাদ
প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্কের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর চ্যাটবট ‘গ্রোক’ ঘিরে নতুন আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ নিউইয়র্ক সিটিতে দায়ের করা এক মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট এআই টুল ব্যবহার করে এক নারীর সম্মতি ছাড়াই যৌনতাপূর্ণ বিকৃত ডিজিটাল ছবি তৈরি ও প্রচার করা হচ্ছে। অভিযোগকারী অ্যাশলি সেন্ট ক্লেয়ার, যিনি নিজেকে মাস্কের ১৬ মাস বয়সী পুত্র রোমুলাসের মা এবং রাজনৈতিক ভাষ্যকার হিসেবে পরিচয় দেন।
মামলার নথিতে বলা হয়েছে, গ্রোকের মাধ্যমে তৈরি করা তথাকথিত ডিপফেক ছবি তার ব্যক্তিগত সুনাম, মানসিক স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তাকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তার দাবি, এসব ছবি সম্পূর্ণ মনগড়া এবং তার কোনো সম্মতি ছাড়াই তৈরি ও ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত বছর এই বিকৃত ছবিগুলো সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি মাস্কের মালিকানাধীন প্ল্যাটফর্ম এক্স কর্তৃপক্ষকে তা অপসারণের অনুরোধ করেন। শুরুতে প্ল্যাটফর্ম থেকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট তাদের নীতিমালা ভঙ্গ করছে না। পরবর্তীতে অপসারণের আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে ছবিগুলো সরানো হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে।
সেন্ট ক্লেয়ারের অভিযোগ, কনটেন্ট অপসারণের বদলে তার এক্স প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন এবং ভেরিফিকেশন চিহ্ন সরিয়ে নেওয়া হয়। তার ভাষায়, “আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি। যতক্ষণ এই ধরনের কৃত্রিম বিকৃত ছবি তৈরি করা যাবে, ততক্ষণ আমার এই দুঃস্বপ্ন শেষ হবে না।”
এই মামলাটি এমন এক সময়ে দায়ের হলো, যখন ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল রব বোন্টা এক্স এআই কোম্পানিকে একটি আনুষ্ঠানিক আইনি চিঠি পাঠান। ওই চিঠিতে গ্রোকের মাধ্যমে নারীদের বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতামূলক বা আপত্তিকর ছবি তৈরি ও প্রচার অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়।
রব বোন্টা ১৭ জানুয়ারি এক বিবৃতিতে বলেন, নারী ও শিশুদের লক্ষ্য করে যৌন বিকৃত উপাদান তৈরির যে বিপুল পরিমাণ অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, তা শুধু উদ্বেগজনক নয়, বরং সম্ভাব্যভাবে অবৈধ কর্মকাণ্ডের সামিল হতে পারে। তিনি সতর্ক করেন, প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো যদি দ্রুত পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে।
এদিকে এক্স এআই পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে টেক্সাসের একটি আদালতে সেন্ট ক্লেয়ারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। কোম্পানির দাবি, ব্যবহারকারী হিসেবে তিনি যে শর্তাবলীতে সম্মত হয়েছিলেন, সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল যে যে কোনো আইনি বিরোধ টেক্সাসের আদালতেই নিষ্পত্তি করতে হবে। নিউইয়র্কে মামলা দায়ের করে তিনি সেই চুক্তি লঙ্ঘন করেছেন বলে কোম্পানির অভিযোগ।
সেন্ট ক্লেয়ারের আইনজীবী ক্যারি গোল্ডবার্গ এই পাল্টা মামলাকে ‘বিস্ময়কর’ এবং ‘চাপ সৃষ্টির কৌশল’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার বক্তব্য, কোনো নারীর সম্মতি ছাড়া তার নগ্ন বা যৌনতাপূর্ণ ছবি তৈরি করার সুযোগ রাখা একটি প্রযুক্তিগত অবহেলা নয়, বরং এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ও অনিরাপদ পণ্য বাজারে ছাড়ার শামিল।
ডিপফেক প্রযুক্তি নিয়ে উদ্বেগ নতুন নয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর ইমেজ জেনারেশন টুলগুলো দ্রুত উন্নত হওয়ায় ব্যক্তির চেহারা ব্যবহার করে ভুয়া ছবি বা ভিডিও তৈরি করা এখন আগের চেয়ে সহজ। বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছেন, নিয়ন্ত্রণহীন এআই সিস্টেম ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, সাইবার নিরাপত্তা এবং মানহানির ক্ষেত্রে বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে বিষয়টি আন্তর্জাতিক মাত্রা পেয়েছে। যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং ফিলিপাইনসহ একাধিক দেশে গ্রোকের এই সক্ষমতা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নীতিনির্ধারকরা এআই প্ল্যাটফর্মগুলোর জবাবদিহি ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামো জোরদার করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।
সর্বশেষ ১৭ জানুয়ারি জাপানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা গ্রোকের মাধ্যমে আপত্তিকর ছবি তৈরির অভিযোগ তদন্ত করছে। তদন্তে প্রমাণ মিললে কঠোর প্রশাসনিক বা আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মামলার ফলাফল ভবিষ্যতে এআই কোম্পানিগুলোর দায়বদ্ধতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ নজির স্থাপন করতে পারে। বিশেষ করে সম্মতি ছাড়া কারও চেহারা ব্যবহার করে যৌন কনটেন্ট তৈরি করা হলে তা কোন আইনে পড়বে এবং প্ল্যাটফর্মের দায় কতটুকু—এই প্রশ্নগুলো এখন আদালতের বিবেচনায় আসছে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে ডিপফেক সংক্রান্ত আইন অঙ্গরাজ্যভেদে ভিন্ন। কিছু অঙ্গরাজ্যে নির্বাচন, প্রতারণা বা যৌন হয়রানির ক্ষেত্রে ডিপফেক ব্যবহারের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট বিধান রয়েছে, তবে সার্বিক ও সমন্বিত ফেডারেল আইন এখনো প্রণীত হয়নি। ফলে অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের আইনি প্রতিকার পেতে দীর্ঘ লড়াই করতে হয়।
গ্রোককে ঘিরে এই বিতর্ক প্রযুক্তি শিল্পে আরেকটি বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে—উন্নত এআই মডেল উন্মুক্ত করার আগে কি যথেষ্ট সুরক্ষা ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে? কনটেন্ট ফিল্টার, রিয়েল-টাইম মনিটরিং এবং ব্যবহারকারীর অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির মতো ব্যবস্থাগুলো কার্যকর না হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আপাতত নিউইয়র্ক ও টেক্সাস—দুই অঙ্গরাজ্যে সমান্তরাল আইনি প্রক্রিয়া চলতে পারে। আদালত কোন যুক্তি গ্রহণ করে এবং প্ল্যাটফর্মের দায় কতদূর পর্যন্ত নির্ধারণ করে, সেটিই এখন নজরে প্রযুক্তি বিশ্ব ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর।
এই মামলা শুধু একজন ব্যক্তির অভিযোগ নয়; বরং এআই যুগে সম্মতি, গোপনীয়তা এবং ডিজিটাল মর্যাদা রক্ষার প্রশ্নকে নতুন করে সামনে এনেছে। আদালতের রায় ভবিষ্যতে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর নীতিমালা ও বৈশ্বিক এআই নিয়ন্ত্রণ কাঠামোয় প্রভাব ফেলতে পারে।
মামলার নথিতে বলা হয়েছে, গ্রোকের মাধ্যমে তৈরি করা তথাকথিত ডিপফেক ছবি তার ব্যক্তিগত সুনাম, মানসিক স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তাকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তার দাবি, এসব ছবি সম্পূর্ণ মনগড়া এবং তার কোনো সম্মতি ছাড়াই তৈরি ও ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত বছর এই বিকৃত ছবিগুলো সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি মাস্কের মালিকানাধীন প্ল্যাটফর্ম এক্স কর্তৃপক্ষকে তা অপসারণের অনুরোধ করেন। শুরুতে প্ল্যাটফর্ম থেকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট তাদের নীতিমালা ভঙ্গ করছে না। পরবর্তীতে অপসারণের আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে ছবিগুলো সরানো হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে।
সেন্ট ক্লেয়ারের অভিযোগ, কনটেন্ট অপসারণের বদলে তার এক্স প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন এবং ভেরিফিকেশন চিহ্ন সরিয়ে নেওয়া হয়। তার ভাষায়, “আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি। যতক্ষণ এই ধরনের কৃত্রিম বিকৃত ছবি তৈরি করা যাবে, ততক্ষণ আমার এই দুঃস্বপ্ন শেষ হবে না।”
এই মামলাটি এমন এক সময়ে দায়ের হলো, যখন ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল রব বোন্টা এক্স এআই কোম্পানিকে একটি আনুষ্ঠানিক আইনি চিঠি পাঠান। ওই চিঠিতে গ্রোকের মাধ্যমে নারীদের বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতামূলক বা আপত্তিকর ছবি তৈরি ও প্রচার অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়।
রব বোন্টা ১৭ জানুয়ারি এক বিবৃতিতে বলেন, নারী ও শিশুদের লক্ষ্য করে যৌন বিকৃত উপাদান তৈরির যে বিপুল পরিমাণ অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, তা শুধু উদ্বেগজনক নয়, বরং সম্ভাব্যভাবে অবৈধ কর্মকাণ্ডের সামিল হতে পারে। তিনি সতর্ক করেন, প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো যদি দ্রুত পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে।
এদিকে এক্স এআই পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে টেক্সাসের একটি আদালতে সেন্ট ক্লেয়ারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। কোম্পানির দাবি, ব্যবহারকারী হিসেবে তিনি যে শর্তাবলীতে সম্মত হয়েছিলেন, সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল যে যে কোনো আইনি বিরোধ টেক্সাসের আদালতেই নিষ্পত্তি করতে হবে। নিউইয়র্কে মামলা দায়ের করে তিনি সেই চুক্তি লঙ্ঘন করেছেন বলে কোম্পানির অভিযোগ।
সেন্ট ক্লেয়ারের আইনজীবী ক্যারি গোল্ডবার্গ এই পাল্টা মামলাকে ‘বিস্ময়কর’ এবং ‘চাপ সৃষ্টির কৌশল’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার বক্তব্য, কোনো নারীর সম্মতি ছাড়া তার নগ্ন বা যৌনতাপূর্ণ ছবি তৈরি করার সুযোগ রাখা একটি প্রযুক্তিগত অবহেলা নয়, বরং এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ও অনিরাপদ পণ্য বাজারে ছাড়ার শামিল।
ডিপফেক প্রযুক্তি নিয়ে উদ্বেগ নতুন নয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর ইমেজ জেনারেশন টুলগুলো দ্রুত উন্নত হওয়ায় ব্যক্তির চেহারা ব্যবহার করে ভুয়া ছবি বা ভিডিও তৈরি করা এখন আগের চেয়ে সহজ। বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছেন, নিয়ন্ত্রণহীন এআই সিস্টেম ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, সাইবার নিরাপত্তা এবং মানহানির ক্ষেত্রে বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে বিষয়টি আন্তর্জাতিক মাত্রা পেয়েছে। যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং ফিলিপাইনসহ একাধিক দেশে গ্রোকের এই সক্ষমতা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নীতিনির্ধারকরা এআই প্ল্যাটফর্মগুলোর জবাবদিহি ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামো জোরদার করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।
সর্বশেষ ১৭ জানুয়ারি জাপানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা গ্রোকের মাধ্যমে আপত্তিকর ছবি তৈরির অভিযোগ তদন্ত করছে। তদন্তে প্রমাণ মিললে কঠোর প্রশাসনিক বা আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মামলার ফলাফল ভবিষ্যতে এআই কোম্পানিগুলোর দায়বদ্ধতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ নজির স্থাপন করতে পারে। বিশেষ করে সম্মতি ছাড়া কারও চেহারা ব্যবহার করে যৌন কনটেন্ট তৈরি করা হলে তা কোন আইনে পড়বে এবং প্ল্যাটফর্মের দায় কতটুকু—এই প্রশ্নগুলো এখন আদালতের বিবেচনায় আসছে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে ডিপফেক সংক্রান্ত আইন অঙ্গরাজ্যভেদে ভিন্ন। কিছু অঙ্গরাজ্যে নির্বাচন, প্রতারণা বা যৌন হয়রানির ক্ষেত্রে ডিপফেক ব্যবহারের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট বিধান রয়েছে, তবে সার্বিক ও সমন্বিত ফেডারেল আইন এখনো প্রণীত হয়নি। ফলে অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের আইনি প্রতিকার পেতে দীর্ঘ লড়াই করতে হয়।
গ্রোককে ঘিরে এই বিতর্ক প্রযুক্তি শিল্পে আরেকটি বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে—উন্নত এআই মডেল উন্মুক্ত করার আগে কি যথেষ্ট সুরক্ষা ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে? কনটেন্ট ফিল্টার, রিয়েল-টাইম মনিটরিং এবং ব্যবহারকারীর অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির মতো ব্যবস্থাগুলো কার্যকর না হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
| বিষয় | তারিখ | স্থান | অবস্থা |
| মামলা দায়ের | ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ | নিউইয়র্ক সিটি | বিচারাধীন |
| অ্যাটর্নি জেনারেলের চিঠি | ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ | ক্যালিফোর্নিয়া | আইনি সতর্কবার্তা জারি |
আপাতত নিউইয়র্ক ও টেক্সাস—দুই অঙ্গরাজ্যে সমান্তরাল আইনি প্রক্রিয়া চলতে পারে। আদালত কোন যুক্তি গ্রহণ করে এবং প্ল্যাটফর্মের দায় কতদূর পর্যন্ত নির্ধারণ করে, সেটিই এখন নজরে প্রযুক্তি বিশ্ব ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর।
এই মামলা শুধু একজন ব্যক্তির অভিযোগ নয়; বরং এআই যুগে সম্মতি, গোপনীয়তা এবং ডিজিটাল মর্যাদা রক্ষার প্রশ্নকে নতুন করে সামনে এনেছে। আদালতের রায় ভবিষ্যতে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর নীতিমালা ও বৈশ্বিক এআই নিয়ন্ত্রণ কাঠামোয় প্রভাব ফেলতে পারে।
প্রকাশ: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
...