সনাতন পত্র ডেস্ক
চাকরি ও শিক্ষা সংবাদ
সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণকেন্দ্রগুলোতে (টিটিসি) ভাষা শিক্ষা কোর্স পরিচালনার জন্য ৯৯ জন অতিথি ভাষা প্রশিক্ষক নিয়োগ দেবে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)। প্রবাসমুখী দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই প্যানেলভিত্তিক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী ১৮ মার্চের মধ্যে আবেদন করতে হবে।
বিএমইটির অধীন পরিচালিত বিভিন্ন টিটিসিতে জাপানিজ, কোরিয়ান, আরবি, জার্মান, ইতালিয়ান ও ইংরেজি ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে। বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে এসব ভাষায় দক্ষ প্রশিক্ষকের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। সেই প্রয়োজন মেটাতে ছয় ভাষায় মোট ৯৯ জন প্রশিক্ষক দিয়ে একটি প্যানেল গঠন করা হবে।
পদের বিভাজন অনুযায়ী জাপানিজ ভাষায় সর্বোচ্চ ৫০ জন প্রশিক্ষক নেওয়া হবে। ইংরেজি ভাষায় ২০ জন, আরবি ভাষায় ৮ জন, ইতালিয়ান ভাষায় ৮ জন, জার্মান ভাষায় ৭ জন এবং কোরিয়ান ভাষায় ৬ জন প্রশিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।
যোগ্যতার ক্ষেত্রে ভাষাভেদে আলাদা মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। জাপানিজ, কোরিয়ান, জার্মান ও ইতালিয়ান ভাষার জন্য ন্যূনতম এইচএসসি পাস থাকতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ভাষার নির্ধারিত আন্তর্জাতিক লেভেল উত্তীর্ণ হতে হবে। উদাহরণ হিসেবে জাপানিজের ক্ষেত্রে JLPT N3, কোরিয়ানের ক্ষেত্রে TOPIK Level-3 বা সমমানের সনদ প্রয়োজন হবে।
ইংরেজি ও আরবি ভাষার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। একাডেমিক যোগ্যতার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দেশে অবস্থান, প্রশিক্ষণ বা বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকলে তা অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত হবে।
নির্বাচিত প্রশিক্ষকেরা ঘণ্টাভিত্তিক সম্মানী পাবেন। প্রতি ঘণ্টার জন্য নির্ধারিত সম্মানী ৮০০ টাকা। তবে একজন প্রশিক্ষক দিনে সর্বোচ্চ ৪ ঘণ্টা পর্যন্ত ক্লাস নিতে পারবেন। অর্থাৎ দিনে সর্বোচ্চ ৩,২০০ টাকা পর্যন্ত সম্মানী প্রাপ্য হবেন। এই নিয়োগ স্থায়ী পদ নয়; প্রয়োজনভিত্তিক ক্লাস পরিচালনার জন্য অতিথি প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
আবেদনপ্রক্রিয়া নির্ধারিত ফরমের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের বিএমইটির ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফরম ডাউনলোড করে তা পূরণ করতে হবে। পূরণকৃত ফরমের স্ক্যান কপি অনলাইনে পাঠাতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সব সনদের সত্যায়িত অনুলিপিসহ মূল আবেদনপত্র ডাকযোগে পাঠাতে হবে।
সরাসরি হাতে আবেদন গ্রহণ করা হবে না বলে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের পর প্রাপ্ত আবেদনও গ্রহণযোগ্য হবে না।
আবেদনের ঠিকানা নির্ধারণ করা হয়েছে: মহাপরিচালক, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি), ৮৯/২, কাকরাইল, ঢাকা। ডাকযোগে পাঠানো আবেদন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পৌঁছাতে হবে।
লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচিও প্রকাশ করা হয়েছে। জাপানিজ ভাষা ছাড়া অন্য সব ভাষার লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা আগামী ৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। জাপানিজ ভাষার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১০ এপ্রিল।
উভয় পরীক্ষাই ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত ‘ঢাকা টেকনিক্যাল টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট’ (DTTTI) কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি ও নির্দেশনা পরবর্তীতে প্রার্থীদের জানানো হবে।
বিদেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভাষা দক্ষতার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। জাপান, কোরিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে দক্ষ কর্মীর চাহিদা থাকলেও ভাষাগত দুর্বলতার কারণে অনেক প্রার্থী সুযোগ হারান। টিটিসিগুলোতে নিয়মিত ভাষা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু থাকায় দক্ষ জনবল তৈরি সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশগামী শ্রমিকদের জন্য ভাষা দক্ষতা শুধু চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রেই নয়, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, আইনি সচেতনতা ও সামাজিক যোগাযোগের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে প্রশিক্ষক নিয়োগের এই উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
আবেদনকারীদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, আবেদনপত্র পূরণের সময় সব তথ্য সঠিকভাবে উল্লেখ করতে এবং প্রয়োজনীয় সনদের সত্যায়িত কপি সংযুক্ত করতে। অসম্পূর্ণ আবেদন বাতিল হতে পারে।
বিস্তারিত তথ্য ও আবেদন ফরমের জন্য বিএমইটির সরকারি ওয়েবসাইট পরিদর্শন করা যেতে পারে। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করাই প্রার্থীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।
বিএমইটির অধীন পরিচালিত বিভিন্ন টিটিসিতে জাপানিজ, কোরিয়ান, আরবি, জার্মান, ইতালিয়ান ও ইংরেজি ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে। বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে এসব ভাষায় দক্ষ প্রশিক্ষকের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। সেই প্রয়োজন মেটাতে ছয় ভাষায় মোট ৯৯ জন প্রশিক্ষক দিয়ে একটি প্যানেল গঠন করা হবে।
পদের বিভাজন অনুযায়ী জাপানিজ ভাষায় সর্বোচ্চ ৫০ জন প্রশিক্ষক নেওয়া হবে। ইংরেজি ভাষায় ২০ জন, আরবি ভাষায় ৮ জন, ইতালিয়ান ভাষায় ৮ জন, জার্মান ভাষায় ৭ জন এবং কোরিয়ান ভাষায় ৬ জন প্রশিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।
যোগ্যতার ক্ষেত্রে ভাষাভেদে আলাদা মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। জাপানিজ, কোরিয়ান, জার্মান ও ইতালিয়ান ভাষার জন্য ন্যূনতম এইচএসসি পাস থাকতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ভাষার নির্ধারিত আন্তর্জাতিক লেভেল উত্তীর্ণ হতে হবে। উদাহরণ হিসেবে জাপানিজের ক্ষেত্রে JLPT N3, কোরিয়ানের ক্ষেত্রে TOPIK Level-3 বা সমমানের সনদ প্রয়োজন হবে।
ইংরেজি ও আরবি ভাষার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। একাডেমিক যোগ্যতার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দেশে অবস্থান, প্রশিক্ষণ বা বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকলে তা অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত হবে।
নির্বাচিত প্রশিক্ষকেরা ঘণ্টাভিত্তিক সম্মানী পাবেন। প্রতি ঘণ্টার জন্য নির্ধারিত সম্মানী ৮০০ টাকা। তবে একজন প্রশিক্ষক দিনে সর্বোচ্চ ৪ ঘণ্টা পর্যন্ত ক্লাস নিতে পারবেন। অর্থাৎ দিনে সর্বোচ্চ ৩,২০০ টাকা পর্যন্ত সম্মানী প্রাপ্য হবেন। এই নিয়োগ স্থায়ী পদ নয়; প্রয়োজনভিত্তিক ক্লাস পরিচালনার জন্য অতিথি প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
আবেদনপ্রক্রিয়া নির্ধারিত ফরমের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের বিএমইটির ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফরম ডাউনলোড করে তা পূরণ করতে হবে। পূরণকৃত ফরমের স্ক্যান কপি অনলাইনে পাঠাতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সব সনদের সত্যায়িত অনুলিপিসহ মূল আবেদনপত্র ডাকযোগে পাঠাতে হবে।
সরাসরি হাতে আবেদন গ্রহণ করা হবে না বলে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের পর প্রাপ্ত আবেদনও গ্রহণযোগ্য হবে না।
আবেদনের ঠিকানা নির্ধারণ করা হয়েছে: মহাপরিচালক, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি), ৮৯/২, কাকরাইল, ঢাকা। ডাকযোগে পাঠানো আবেদন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পৌঁছাতে হবে।
লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচিও প্রকাশ করা হয়েছে। জাপানিজ ভাষা ছাড়া অন্য সব ভাষার লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা আগামী ৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। জাপানিজ ভাষার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১০ এপ্রিল।
উভয় পরীক্ষাই ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত ‘ঢাকা টেকনিক্যাল টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট’ (DTTTI) কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি ও নির্দেশনা পরবর্তীতে প্রার্থীদের জানানো হবে।
বিদেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভাষা দক্ষতার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। জাপান, কোরিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে দক্ষ কর্মীর চাহিদা থাকলেও ভাষাগত দুর্বলতার কারণে অনেক প্রার্থী সুযোগ হারান। টিটিসিগুলোতে নিয়মিত ভাষা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু থাকায় দক্ষ জনবল তৈরি সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশগামী শ্রমিকদের জন্য ভাষা দক্ষতা শুধু চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রেই নয়, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, আইনি সচেতনতা ও সামাজিক যোগাযোগের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে প্রশিক্ষক নিয়োগের এই উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
| ভাষা | পদসংখ্যা | পরীক্ষার তারিখ | পরীক্ষাকেন্দ্র |
| জাপানিজ | ৫০ | ১০ এপ্রিল | DTTTI, মিরপুর |
| অন্যান্য ৫ ভাষা | ৪৯ | ৩ এপ্রিল | DTTTI, মিরপুর |
আবেদনকারীদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, আবেদনপত্র পূরণের সময় সব তথ্য সঠিকভাবে উল্লেখ করতে এবং প্রয়োজনীয় সনদের সত্যায়িত কপি সংযুক্ত করতে। অসম্পূর্ণ আবেদন বাতিল হতে পারে।
বিস্তারিত তথ্য ও আবেদন ফরমের জন্য বিএমইটির সরকারি ওয়েবসাইট পরিদর্শন করা যেতে পারে। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করাই প্রার্থীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।
প্রকাশ: ২ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ২ মার্চ ২০২৬
...