নিজস্ব প্রতিবেদক
বিনোদন বিভাগ
দেশের টেলিভিশন নাটকের এক সময়ের পরিচিত মুখ অভিনেতা শামস সুমন আর নেই (ইন্না
লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার
দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস
ত্যাগ করেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু
হয়েছে।
তার মৃত্যুর খবরে বিনোদন অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। সহকর্মী, ভক্ত এবং সংস্কৃতিকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করছেন। অনেকেই তার সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা স্মরণ করে জানিয়েছেন, তিনি ছিলেন অত্যন্ত বিনয়ী ও পেশাদার একজন শিল্পী।
শামস সুমনের অভিনয়জীবনের শুরু হয়েছিল মঞ্চনাটকের মাধ্যমে। ধীরে ধীরে তিনি টেলিভিশন নাটকে নিয়মিত কাজ করতে শুরু করেন এবং অল্প সময়েই দর্শকের কাছে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন। তার অভিনয়ে স্বাভাবিকতা ও আবেগের প্রকাশ দর্শকদের সহজেই আকৃষ্ট করত বলে অনেকেই মনে করেন।
এক সময় ছোট পর্দায় নিয়মিত উপস্থিত থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাকে খুব একটা দেখা যায়নি। তবে তার পুরোনো নাটকগুলো এখনও অনেক দর্শকের কাছে স্মরণীয় হয়ে রয়েছে। এতে বোঝা যায়, তার অভিনয় দর্শকের মনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলেছিল।
অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি রেডিও ভূমির স্টেশন চিফ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। গণমাধ্যমের এই মাধ্যমেও তিনি সক্রিয় ছিলেন এবং বিভিন্ন সৃজনশীল কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন বলে জানা যায়।
চলচ্চিত্র জগতেও তার অবদান রয়েছে। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘মন জানে না মনের ঠিকানা’, ‘কক্সবাজারে কাকাতুয়া’, ‘চোখের দেখা’, ‘প্রিয়া তুমি সুখী হও’, ‘আয়না কাহিনী’, ‘বিদ্রোহী পদ্মা’, ‘জয়যাত্রা’, ‘নমুনা’ এবং ‘হ্যালো অমিত’। বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি নিজের বহুমুখী প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন।
২০০৮ সালে ‘স্বপ্নপূরণ’ চলচ্চিত্রে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন, যা তার ক্যারিয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হয়। এই অর্জন তার অভিনয় দক্ষতার প্রতি শিল্পমহলের স্বীকৃতি বলেই অনেকে মনে করেন।
ব্যক্তিজীবনে তিনি ছিলেন সংস্কৃতিমনা একজন মানুষ। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবৃত্তি সংগঠন ‘স্বনন’-এর সদস্য হিসেবে যুক্ত ছিলেন। আবৃত্তির মাধ্যমে ভাষা ও উচ্চারণে তার যে দক্ষতা তৈরি হয়েছিল, তা অভিনয়েও প্রভাব ফেলেছিল বলে ধারণা করা যায়।
সহকর্মীদের মতে, শামস সুমন ছিলেন অত্যন্ত সহানুভূতিশীল এবং সহযোগিতাপরায়ণ। নতুনদের প্রতি তার উৎসাহ ও সহায়তা অনেকের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে আছে। তার এই মানবিক দিকটিও তাকে আলাদা করে তুলেছিল।
তার মৃত্যুতে দেশের বিনোদন অঙ্গনে যে শূন্যতা তৈরি হলো, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয় বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে যারা তার সঙ্গে কাজ করেছেন, তাদের কাছে এই ক্ষতি আরও গভীর।
সব মিলিয়ে বলা যায়, শামস সুমনের প্রয়াণ কেবল একজন অভিনেতার বিদায় নয়; বরং এটি দেশের একটি সময়ের নাট্য ও চলচ্চিত্র জগতের একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি। তার কাজ ও অবদান হয়তো দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মনে বেঁচে থাকবে।
তার মৃত্যুর খবরে বিনোদন অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। সহকর্মী, ভক্ত এবং সংস্কৃতিকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করছেন। অনেকেই তার সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা স্মরণ করে জানিয়েছেন, তিনি ছিলেন অত্যন্ত বিনয়ী ও পেশাদার একজন শিল্পী।
শামস সুমনের অভিনয়জীবনের শুরু হয়েছিল মঞ্চনাটকের মাধ্যমে। ধীরে ধীরে তিনি টেলিভিশন নাটকে নিয়মিত কাজ করতে শুরু করেন এবং অল্প সময়েই দর্শকের কাছে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন। তার অভিনয়ে স্বাভাবিকতা ও আবেগের প্রকাশ দর্শকদের সহজেই আকৃষ্ট করত বলে অনেকেই মনে করেন।
এক সময় ছোট পর্দায় নিয়মিত উপস্থিত থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাকে খুব একটা দেখা যায়নি। তবে তার পুরোনো নাটকগুলো এখনও অনেক দর্শকের কাছে স্মরণীয় হয়ে রয়েছে। এতে বোঝা যায়, তার অভিনয় দর্শকের মনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলেছিল।
অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি রেডিও ভূমির স্টেশন চিফ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। গণমাধ্যমের এই মাধ্যমেও তিনি সক্রিয় ছিলেন এবং বিভিন্ন সৃজনশীল কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন বলে জানা যায়।
চলচ্চিত্র জগতেও তার অবদান রয়েছে। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘মন জানে না মনের ঠিকানা’, ‘কক্সবাজারে কাকাতুয়া’, ‘চোখের দেখা’, ‘প্রিয়া তুমি সুখী হও’, ‘আয়না কাহিনী’, ‘বিদ্রোহী পদ্মা’, ‘জয়যাত্রা’, ‘নমুনা’ এবং ‘হ্যালো অমিত’। বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি নিজের বহুমুখী প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন।
২০০৮ সালে ‘স্বপ্নপূরণ’ চলচ্চিত্রে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন, যা তার ক্যারিয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হয়। এই অর্জন তার অভিনয় দক্ষতার প্রতি শিল্পমহলের স্বীকৃতি বলেই অনেকে মনে করেন।
ব্যক্তিজীবনে তিনি ছিলেন সংস্কৃতিমনা একজন মানুষ। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবৃত্তি সংগঠন ‘স্বনন’-এর সদস্য হিসেবে যুক্ত ছিলেন। আবৃত্তির মাধ্যমে ভাষা ও উচ্চারণে তার যে দক্ষতা তৈরি হয়েছিল, তা অভিনয়েও প্রভাব ফেলেছিল বলে ধারণা করা যায়।
সহকর্মীদের মতে, শামস সুমন ছিলেন অত্যন্ত সহানুভূতিশীল এবং সহযোগিতাপরায়ণ। নতুনদের প্রতি তার উৎসাহ ও সহায়তা অনেকের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে আছে। তার এই মানবিক দিকটিও তাকে আলাদা করে তুলেছিল।
তার মৃত্যুতে দেশের বিনোদন অঙ্গনে যে শূন্যতা তৈরি হলো, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয় বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে যারা তার সঙ্গে কাজ করেছেন, তাদের কাছে এই ক্ষতি আরও গভীর।
সব মিলিয়ে বলা যায়, শামস সুমনের প্রয়াণ কেবল একজন অভিনেতার বিদায় নয়; বরং এটি দেশের একটি সময়ের নাট্য ও চলচ্চিত্র জগতের একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি। তার কাজ ও অবদান হয়তো দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মনে বেঁচে থাকবে।
প্রকাশ: ১৭ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: সন্ধ্যা ৭:৩০
...