প্রযুক্তি ডেস্ক
সনাতন পত্র
জাপানি মহাকাশযান ‘হায়াবুসা-২’ রিউগু গ্রহাণু থেকে আনা ধূলিকণায় প্রাণের মৌলিক উপাদান ডিএনএ’র সন্ধান মিলেছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এ আবিষ্কার পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি সম্পর্কে নতুন ধারণা দিতে পারে।
২০২০ সালে সংগৃহীত নমুনা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ডিএনএ ও আরএনএ তৈরির পাঁচটি প্রধান উপাদান—অ্যাডেনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন, থাইমিন ও ইউরাসিল—রিউগুর ধূলিকণায় বিদ্যমান। এ গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে ‘নেচার অ্যাস্ট্রোনমি’ জার্নালে।
গবেষকরা বলছেন, এসব নিউক্লিওবেস আদি সৌরজগতে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে ছিল। এর মানে হচ্ছে, রিউগু ও বেন্নুর মতো কার্বনওয়ালা গ্রহাণুগুলোই পৃথিবীতে প্রাণের মৌলিক উপাদান বহন করে এনেছিল। নমুনায় অ্যামোনিয়াও পাওয়া গেছে, যা এসব নিউক্লিওবেস গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে।
জাপান এজেন্সি ফর মেরিন আর্থ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’র প্রধান গবেষক তোশিকি কোগা বলেছেন, “এসব উপাদান পাওয়ার মানে এই নয় যে রিউগুতে প্রাণের অস্তিত্ব ছিল, বরং এগুলো ইঙ্গিত দেয় যে আদিম গ্রহাণুতে প্রাণের উৎপত্তির সঙ্গে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক অণু তৈরি হতে পারে।”
এ আবিষ্কার পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের প্রশ্নকে নতুন আলোয় দেখার সুযোগ দিয়েছে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, কোটি কোটি বছর আগে মহাকাশ থেকে আসা এসব উপাদানই পৃথিবীতে প্রাণের বীজ বপন করেছিল।
অন্যদিকে, হাবল স্পেস টেলিস্কোপ সম্প্রতি ধূমকেতু ‘সি/২০২৫ কে১ অ্যাটলাস’-এর ভাঙন প্রত্যক্ষ করেছে। গবেষকদের ধারণা, ধূমকেতুটি সৌরজগত ছাড়ার সময় খণ্ডবিখণ্ড হয়ে যায়। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে এ ঘটনার ছবি ধারণ করতে সক্ষম হয় হাবল।
গবেষক জন নুনান বলেছেন, “এর আগে ধূমকেতু ভেঙে যাওয়ার এত অল্প সময়ের মধ্যে হাবল কখনোই কোনো ছবি তুলতে পারেনি। এবার আমরা ঘটনাটি ঘটার কয়েক দিনের মধ্যেই তা দেখতে পেয়েছি।”
প্রকাশ তারিখ: ২৫ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ২৫ মার্চ ২০২৬
২০২০ সালে সংগৃহীত নমুনা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ডিএনএ ও আরএনএ তৈরির পাঁচটি প্রধান উপাদান—অ্যাডেনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন, থাইমিন ও ইউরাসিল—রিউগুর ধূলিকণায় বিদ্যমান। এ গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে ‘নেচার অ্যাস্ট্রোনমি’ জার্নালে।
গবেষকরা বলছেন, এসব নিউক্লিওবেস আদি সৌরজগতে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে ছিল। এর মানে হচ্ছে, রিউগু ও বেন্নুর মতো কার্বনওয়ালা গ্রহাণুগুলোই পৃথিবীতে প্রাণের মৌলিক উপাদান বহন করে এনেছিল। নমুনায় অ্যামোনিয়াও পাওয়া গেছে, যা এসব নিউক্লিওবেস গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে।
জাপান এজেন্সি ফর মেরিন আর্থ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’র প্রধান গবেষক তোশিকি কোগা বলেছেন, “এসব উপাদান পাওয়ার মানে এই নয় যে রিউগুতে প্রাণের অস্তিত্ব ছিল, বরং এগুলো ইঙ্গিত দেয় যে আদিম গ্রহাণুতে প্রাণের উৎপত্তির সঙ্গে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক অণু তৈরি হতে পারে।”
এ আবিষ্কার পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের প্রশ্নকে নতুন আলোয় দেখার সুযোগ দিয়েছে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, কোটি কোটি বছর আগে মহাকাশ থেকে আসা এসব উপাদানই পৃথিবীতে প্রাণের বীজ বপন করেছিল।
অন্যদিকে, হাবল স্পেস টেলিস্কোপ সম্প্রতি ধূমকেতু ‘সি/২০২৫ কে১ অ্যাটলাস’-এর ভাঙন প্রত্যক্ষ করেছে। গবেষকদের ধারণা, ধূমকেতুটি সৌরজগত ছাড়ার সময় খণ্ডবিখণ্ড হয়ে যায়। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে এ ঘটনার ছবি ধারণ করতে সক্ষম হয় হাবল।
গবেষক জন নুনান বলেছেন, “এর আগে ধূমকেতু ভেঙে যাওয়ার এত অল্প সময়ের মধ্যে হাবল কখনোই কোনো ছবি তুলতে পারেনি। এবার আমরা ঘটনাটি ঘটার কয়েক দিনের মধ্যেই তা দেখতে পেয়েছি।”
প্রকাশ তারিখ: ২৫ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ২৫ মার্চ ২০২৬
...