নিজস্ব প্রতিবেদক
বগুড়া | প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বগুড়া শহরে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়ে সুনীল বাঁকচৌধুরী (২৩) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাতে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এর আগে ১২ ফেব্রুয়ারি শহরের টেংরা রোড এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহত সুনীল বাঁকচৌধুরী শহরের সেন্ট্রাল সুইপার কলোনি সংলগ্ন বাঁকচৌধুরী পাড়ার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার দিকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর জখম হন।
আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাত প্রায় ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
বগুড়া সদর থানার পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে এটি পূর্ববিরোধ ও মাদক সংশ্লিষ্ট বিরোধের জেরে সংঘটিত হামলা বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত হিসেবে অনিক পালাক নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, হামলার ঘটনার পর থেকেই পুলিশ অভিযুক্তকে আটকের জন্য অভিযান শুরু করে। পরবর্তীতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহতের পরিবার ঘটনার দিনই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকায় মাদক সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিন ধরে চলছিল। এ নিয়ে একাধিকবার উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও এমন প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা এই প্রথম। ঘটনার পর এলাকায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে যাতে আর কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়।
নিহত সুনীল বাঁকচৌধুরীর মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবার শোকাহত। পরিবারের সদস্যরা ঘটনার দ্রুত বিচার দাবি করেছেন।
নিহত সুনীল বাঁকচৌধুরী শহরের সেন্ট্রাল সুইপার কলোনি সংলগ্ন বাঁকচৌধুরী পাড়ার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার দিকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর জখম হন।
আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাত প্রায় ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
বগুড়া সদর থানার পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে এটি পূর্ববিরোধ ও মাদক সংশ্লিষ্ট বিরোধের জেরে সংঘটিত হামলা বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত হিসেবে অনিক পালাক নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, হামলার ঘটনার পর থেকেই পুলিশ অভিযুক্তকে আটকের জন্য অভিযান শুরু করে। পরবর্তীতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহতের পরিবার ঘটনার দিনই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকায় মাদক সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিন ধরে চলছিল। এ নিয়ে একাধিকবার উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও এমন প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা এই প্রথম। ঘটনার পর এলাকায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে যাতে আর কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়।
নিহত সুনীল বাঁকচৌধুরীর মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবার শোকাহত। পরিবারের সদস্যরা ঘটনার দ্রুত বিচার দাবি করেছেন।
...