নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা | প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে যোগ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান। তাঁকে বরণ করতে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকাল থেকেই প্রস্তুত রাখা হয়েছে বাংলাদেশ সচিবালয়। প্রশাসনের এই কেন্দ্রস্থলে দিনভর ছিল বাড়তি কর্মচাঞ্চল্য ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নতুন প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের স্বাগত জানাতে আগেভাগেই প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সচিবালয়ের বিভিন্ন ভবন ও দপ্তরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানো হয়। প্রধানমন্ত্রীর দাপ্তরিক কক্ষ, যা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তৃতীয় তলায় অবস্থিত, মঙ্গলবার বিকেলে ধুয়ে-মুছে সাজানো হয়েছে।
সকাল থেকেই প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সচিবালয়ের ভেতরে অবস্থান নিতে দেখা গেছে। প্রবেশপথগুলোতে তল্লাশি জোরদার করা হয় এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর প্রথম অফিস উপলক্ষে নিরাপত্তা প্রটোকল কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে।
সচিবালয়ের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে নবনিযুক্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের অফিস কক্ষে নামফলক স্থাপন করা হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের আগে অফিস কক্ষগুলো নতুনভাবে প্রস্তুত করা হয়। প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, প্রথম কর্মদিবসে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বভার আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝে নেবেন মন্ত্রীরা।
শপথ গ্রহণের মাধ্যমে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দেশের একাদশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন তারেক রহমান। শপথ অনুষ্ঠানের পরদিনই তিনি সচিবালয়ে প্রথম অফিস করছেন। দিনসূচি অনুযায়ী, সচিবালয়ে মধ্যাহ্নভোজের পর বিকেলে মন্ত্রিসভার বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।
বিকেল ৪টায় সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সেখানে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বৈঠকের এজেন্ডা সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রশাসনিক কাজের গতি নির্ধারণে প্রথম কর্মদিবস গুরুত্বপূর্ণ। মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম পর্যালোচনা করবেন এবং অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্প সম্পর্কে অবহিত হবেন।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দিনেই বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে সংশ্লিষ্ট সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা করবেন নবনিযুক্ত মন্ত্রীরা। চলমান প্রকল্প, বাজেট বরাদ্দ, নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে তারা ধারণা নেবেন।
সচিবালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহের পরিবেশ। নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সঙ্গে সরাসরি কাজের সুযোগকে অনেকেই তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন। তবে প্রশাসনিক কার্যক্রম যাতে নির্বিঘ্নে পরিচালিত হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা সতর্ক রয়েছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রথম কর্মদিবসে প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ে উপস্থিতি প্রশাসনিক বার্তা বহন করে। এতে সরকারি কাজের ধারাবাহিকতা ও দ্রুততা নিশ্চিত করার ইঙ্গিত থাকে। বিশেষ করে সচিবদের সঙ্গে বৈঠক সরকারের অগ্রাধিকার নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
নতুন সরকারের সামনে অর্থনীতি, প্রশাসনিক সংস্কার, আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নসহ নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রথম অফিস দিবসে সচিবালয়ের পরিবেশ ও প্রস্তুতি সেই দায়িত্ব গ্রহণের আনুষ্ঠানিক সূচনা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
বুধবার দিনব্যাপী সচিবালয়ে সাংবাদিকদের উপস্থিতিও লক্ষ্য করা গেছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সদস্যরা দায়িত্ব গ্রহণের পর সংক্ষিপ্ত ব্রিফিং দিতে পারেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয়ভেদে নির্ধারিত হবে।
সব মিলিয়ে, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম কর্মদিবস ঘিরে প্রশাসনের কেন্দ্রস্থল সচিবালয় ছিল প্রস্তুত ও সতর্ক। নতুন সরকারের কার্যক্রম শুরু হওয়ার এই দিনটিকে প্রশাসনিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নতুন প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের স্বাগত জানাতে আগেভাগেই প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সচিবালয়ের বিভিন্ন ভবন ও দপ্তরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানো হয়। প্রধানমন্ত্রীর দাপ্তরিক কক্ষ, যা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তৃতীয় তলায় অবস্থিত, মঙ্গলবার বিকেলে ধুয়ে-মুছে সাজানো হয়েছে।
সকাল থেকেই প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সচিবালয়ের ভেতরে অবস্থান নিতে দেখা গেছে। প্রবেশপথগুলোতে তল্লাশি জোরদার করা হয় এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর প্রথম অফিস উপলক্ষে নিরাপত্তা প্রটোকল কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে।
সচিবালয়ের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে নবনিযুক্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের অফিস কক্ষে নামফলক স্থাপন করা হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের আগে অফিস কক্ষগুলো নতুনভাবে প্রস্তুত করা হয়। প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, প্রথম কর্মদিবসে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বভার আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝে নেবেন মন্ত্রীরা।
শপথ গ্রহণের মাধ্যমে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দেশের একাদশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন তারেক রহমান। শপথ অনুষ্ঠানের পরদিনই তিনি সচিবালয়ে প্রথম অফিস করছেন। দিনসূচি অনুযায়ী, সচিবালয়ে মধ্যাহ্নভোজের পর বিকেলে মন্ত্রিসভার বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।
বিকেল ৪টায় সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সেখানে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বৈঠকের এজেন্ডা সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রশাসনিক কাজের গতি নির্ধারণে প্রথম কর্মদিবস গুরুত্বপূর্ণ। মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম পর্যালোচনা করবেন এবং অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্প সম্পর্কে অবহিত হবেন।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দিনেই বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে সংশ্লিষ্ট সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা করবেন নবনিযুক্ত মন্ত্রীরা। চলমান প্রকল্প, বাজেট বরাদ্দ, নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে তারা ধারণা নেবেন।
সচিবালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহের পরিবেশ। নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সঙ্গে সরাসরি কাজের সুযোগকে অনেকেই তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন। তবে প্রশাসনিক কার্যক্রম যাতে নির্বিঘ্নে পরিচালিত হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা সতর্ক রয়েছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রথম কর্মদিবসে প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ে উপস্থিতি প্রশাসনিক বার্তা বহন করে। এতে সরকারি কাজের ধারাবাহিকতা ও দ্রুততা নিশ্চিত করার ইঙ্গিত থাকে। বিশেষ করে সচিবদের সঙ্গে বৈঠক সরকারের অগ্রাধিকার নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
নতুন সরকারের সামনে অর্থনীতি, প্রশাসনিক সংস্কার, আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নসহ নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রথম অফিস দিবসে সচিবালয়ের পরিবেশ ও প্রস্তুতি সেই দায়িত্ব গ্রহণের আনুষ্ঠানিক সূচনা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
বুধবার দিনব্যাপী সচিবালয়ে সাংবাদিকদের উপস্থিতিও লক্ষ্য করা গেছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সদস্যরা দায়িত্ব গ্রহণের পর সংক্ষিপ্ত ব্রিফিং দিতে পারেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয়ভেদে নির্ধারিত হবে।
সব মিলিয়ে, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম কর্মদিবস ঘিরে প্রশাসনের কেন্দ্রস্থল সচিবালয় ছিল প্রস্তুত ও সতর্ক। নতুন সরকারের কার্যক্রম শুরু হওয়ার এই দিনটিকে প্রশাসনিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হচ্ছে।
...