বিশেষ প্রতিবেদক
ঢাকা | আপডেট: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৯:১২
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে সরকারের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে তিনটি অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয়েছে। সেগুলো হলো দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা।
আগের দিন মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও নতুন মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্ব বণ্টন করেন। পাশাপাশি মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় ১০ জন উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর সচিবালয়ে এসে বিকেল তিনটার দিকে বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে মন্ত্রীদের পাশাপাশি উপদেষ্টারাও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সরকারের প্রথম দিনে প্রথামাফিক মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের কিছু নির্দেশনা দেন এবং আগামী ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের কথা জানান।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রাথমিকভাবে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও সরবরাহব্যবস্থা ঠিক রাখা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করা এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে—এ বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো দ্রুত কর্মপরিকল্পনা তৈরি করবে।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখা সরকারের তাৎক্ষণিক লক্ষ্য। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, বিশেষ করে ইফতার ও তারাবির সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা হবে।
বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা দু-এক দিনের মধ্যে নিজ নিজ খাতের কর্মপরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করবেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু হবে।
মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী সচিবদের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন। সেখানে তিনি নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী সংবিধান ও আইনবিধির কাঠামোর মধ্যে থেকে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রশাসনে পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে চায়। কারও ব্যক্তিগত সম্পৃক্ততা বিবেচনা না করে মেধা ও দক্ষতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ বলেন, জনগণ যে ইশতেহারের ভিত্তিতে রায় দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে সচিবরা পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করবেন। প্রশাসনের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সরকারের অগ্রাধিকার বাস্তবায়ন সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন।
নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে নির্ধারিত এই তিন অগ্রাধিকারকে তাৎক্ষণিক কর্মসূচির ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। আগামী দিনগুলোতে এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ও অগ্রগতি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।
আগের দিন মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও নতুন মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্ব বণ্টন করেন। পাশাপাশি মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় ১০ জন উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর সচিবালয়ে এসে বিকেল তিনটার দিকে বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে মন্ত্রীদের পাশাপাশি উপদেষ্টারাও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সরকারের প্রথম দিনে প্রথামাফিক মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের কিছু নির্দেশনা দেন এবং আগামী ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের কথা জানান।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রাথমিকভাবে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও সরবরাহব্যবস্থা ঠিক রাখা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করা এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে—এ বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো দ্রুত কর্মপরিকল্পনা তৈরি করবে।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখা সরকারের তাৎক্ষণিক লক্ষ্য। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, বিশেষ করে ইফতার ও তারাবির সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা হবে।
বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা দু-এক দিনের মধ্যে নিজ নিজ খাতের কর্মপরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করবেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু হবে।
মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী সচিবদের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন। সেখানে তিনি নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী সংবিধান ও আইনবিধির কাঠামোর মধ্যে থেকে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রশাসনে পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে চায়। কারও ব্যক্তিগত সম্পৃক্ততা বিবেচনা না করে মেধা ও দক্ষতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ বলেন, জনগণ যে ইশতেহারের ভিত্তিতে রায় দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে সচিবরা পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করবেন। প্রশাসনের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সরকারের অগ্রাধিকার বাস্তবায়ন সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন।
নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে নির্ধারিত এই তিন অগ্রাধিকারকে তাৎক্ষণিক কর্মসূচির ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। আগামী দিনগুলোতে এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ও অগ্রগতি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।
...