নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা |
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দেশের আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) থেকে সারা দেশে রোজা শুরু হবে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সদ্য গঠিত সরকারের ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। দেশের বিভিন্ন জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে চাঁদ দেখার তথ্য সংগ্রহ করে কমিটি রমজান শুরুর ঘোষণা দেয়।
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার থেকে পবিত্র রমজান মাস গণনা শুরু হবে। বুধবার রাতেই মসজিদগুলোতে তারাবির নামাজ আদায় করা হবে। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা রাতে সাহ্রি খেয়ে বৃহস্পতিবার প্রথম রোজা পালন করবেন।
ইসলামি বিধান অনুযায়ী, হিজরি বর্ষপঞ্জি চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। তাই রমজান, শাওয়াল ও জিলহজ মাসের শুরু নির্ধারণে আনুষ্ঠানিকভাবে চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ প্রক্রিয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
রমজান মাস মুসলমানদের জন্য সংযম, আত্মশুদ্ধি ও ইবাদতের মাস হিসেবে বিবেচিত। সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থাকা ফরজ। পাশাপাশি নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, দান-সদকা ও নৈতিক আচরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, রমজান উপলক্ষে সাহ্রি ও ইফতারের সময়সূচি আগেই প্রকাশ করা হয়েছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশের বিভিন্ন জেলায় সময়ের সামান্য পার্থক্য থাকবে। সংশ্লিষ্টরা স্থানীয় সময়সূচি অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছেন।
এদিকে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে মঙ্গলবার চাঁদ দেখা যাওয়ায় বুধবার থেকে সেখানে রোজা শুরু হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানরা সৌদি আরবের সিদ্ধান্তের সঙ্গে মিল রেখে রোজা শুরু করেন, আবার অনেক দেশ নিজস্ব চাঁদ দেখার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রমজান মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং মসজিদভিত্তিক কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশেষ করে তারাবি, ইফতার ও জুমার নামাজকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত ভিড় হয়—এ বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।
রমজানকে ঘিরে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা বাড়ে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ভোক্তাদের স্বস্তি নিশ্চিত করতে বাজার মনিটরিং জোরদারের কথাও বলা হয়েছে।
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ইতোমধ্যে মসজিদ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও আলোকসজ্জার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ধর্মীয় অনুশীলনের পাশাপাশি সামাজিক সহমর্মিতা জোরদার করাই রমজানের অন্যতম বার্তা—এমন মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্ট আলেমরা।
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির ঘোষণার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে রমজানের সূচনা হওয়ায় সারা দেশে ধর্মীয় আবহ তৈরি হয়েছে। আগামী এক মাস রোজা, ইবাদত ও সংযম পালনের মধ্য দিয়ে ঈদুল ফিতরের প্রস্তুতি শুরু হলো।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সদ্য গঠিত সরকারের ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। দেশের বিভিন্ন জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে চাঁদ দেখার তথ্য সংগ্রহ করে কমিটি রমজান শুরুর ঘোষণা দেয়।
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার থেকে পবিত্র রমজান মাস গণনা শুরু হবে। বুধবার রাতেই মসজিদগুলোতে তারাবির নামাজ আদায় করা হবে। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা রাতে সাহ্রি খেয়ে বৃহস্পতিবার প্রথম রোজা পালন করবেন।
ইসলামি বিধান অনুযায়ী, হিজরি বর্ষপঞ্জি চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। তাই রমজান, শাওয়াল ও জিলহজ মাসের শুরু নির্ধারণে আনুষ্ঠানিকভাবে চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ প্রক্রিয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
রমজান মাস মুসলমানদের জন্য সংযম, আত্মশুদ্ধি ও ইবাদতের মাস হিসেবে বিবেচিত। সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থাকা ফরজ। পাশাপাশি নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, দান-সদকা ও নৈতিক আচরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, রমজান উপলক্ষে সাহ্রি ও ইফতারের সময়সূচি আগেই প্রকাশ করা হয়েছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশের বিভিন্ন জেলায় সময়ের সামান্য পার্থক্য থাকবে। সংশ্লিষ্টরা স্থানীয় সময়সূচি অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছেন।
এদিকে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে মঙ্গলবার চাঁদ দেখা যাওয়ায় বুধবার থেকে সেখানে রোজা শুরু হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানরা সৌদি আরবের সিদ্ধান্তের সঙ্গে মিল রেখে রোজা শুরু করেন, আবার অনেক দেশ নিজস্ব চাঁদ দেখার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রমজান মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং মসজিদভিত্তিক কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশেষ করে তারাবি, ইফতার ও জুমার নামাজকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত ভিড় হয়—এ বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।
রমজানকে ঘিরে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা বাড়ে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ভোক্তাদের স্বস্তি নিশ্চিত করতে বাজার মনিটরিং জোরদারের কথাও বলা হয়েছে।
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ইতোমধ্যে মসজিদ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও আলোকসজ্জার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ধর্মীয় অনুশীলনের পাশাপাশি সামাজিক সহমর্মিতা জোরদার করাই রমজানের অন্যতম বার্তা—এমন মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্ট আলেমরা।
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির ঘোষণার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে রমজানের সূচনা হওয়ায় সারা দেশে ধর্মীয় আবহ তৈরি হয়েছে। আগামী এক মাস রোজা, ইবাদত ও সংযম পালনের মধ্য দিয়ে ঈদুল ফিতরের প্রস্তুতি শুরু হলো।
...