প্রতিনিধি
নাটোর | প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২০:০৪
প্রায় ৩২ বছর পর সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর চেয়ারে বসলেন একই পরিবারের আরেক সদস্য। ১৯৯৩ সালের ১৪ আগস্ট ফজলুর রহমান (পটল) সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। ২০২৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি তাঁর মেয়ে ফারজানা শারমীন একই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। পাশাপাশি তিনি মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পেয়েছেন।
ফারজানা শারমীন এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাটোর-1 (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তিনি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। পরদিন ১৮ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে তাঁর প্রথম কার্যদিবস কাটান।
প্রয়াত ফজলুর রহমান নাটোর-১ আসন থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি সমাজকল্যাণ এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। স্থানীয় রাজনীতিতে তিনি প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। দলীয় নেতা-কর্মীদের মতে, তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ফারজানা শারমীনের নির্বাচনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
তবে নির্বাচনী লড়াই সহজ ছিল না। বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর তাঁর বড় ভাই ইয়াসির আরশাদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। শেষ পর্যন্ত তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ান। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ এবং বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা তাইফুল ইসলামের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ফারজানা শারমীন প্রায় ১২ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন।
এলাকায় তিনি ‘পুতুল’ নামে পরিচিত। নির্বাচনী প্রচারে তিনি বাবার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর এলাকায় তাঁর সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ফারজানা শারমীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। তিনি পেশায় হাইকোর্টের আইনজীবী। রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম হলেও দীর্ঘদিন সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন না। ২০১৬ সালে ফজলুর রহমানের মৃত্যুর পর তিনি সংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হন। সর্বশেষ তিনি নাটোর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তাঁর মা কামরুন নাহার ঢাকার একটি কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। তিনি অবসর নিয়েছেন। অতীতে তিনিও নাটোর-১ আসন থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, তবে বিজয়ী হননি।
ফারজানা শারমীনের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামা অনুযায়ী, অস্থাবর সম্পদ হিসেবে প্রায় ৩ কোটি ২০ লাখ টাকার সম্পদের উল্লেখ রয়েছে। স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে রাজধানীর বনানীতে পাঁচ কাঠা জমির ওপর নির্মিত পাঁচতলা ভবন এবং বনশ্রীতে ১ দশমিক ৬২৯ কাঠা জমির ওপর একটি ভবনের তথ্য দেওয়া হয়েছে। গৃহনির্মাণ ঋণ হিসেবে ১ কোটি ৪৬ লাখ ৪২ হাজার ৪৭৭ টাকার দায়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে পরিশোধ করা হয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে।
তাঁর স্বামী এইচ এম বাররু সানির পেশা হিসেবে ‘ব্যবসা’ উল্লেখ করা হয়েছে। তবে হলফনামায় তাঁর সম্পদ বা আয়ের আলাদা বিবরণ নেই।
নতুন দায়িত্বে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালনায় কী অগ্রাধিকার দেবেন—সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো জানা যায়নি। তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সামাজিক সুরক্ষা, নারী ও শিশুর কল্যাণ এবং ভাতাভোগী কর্মসূচি বাস্তবায়নে দ্রুত সিদ্ধান্ত প্রয়োজন হবে।
ফারজানা শারমীন এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাটোর-1 (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তিনি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। পরদিন ১৮ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে তাঁর প্রথম কার্যদিবস কাটান।
প্রয়াত ফজলুর রহমান নাটোর-১ আসন থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি সমাজকল্যাণ এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। স্থানীয় রাজনীতিতে তিনি প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। দলীয় নেতা-কর্মীদের মতে, তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ফারজানা শারমীনের নির্বাচনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
তবে নির্বাচনী লড়াই সহজ ছিল না। বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর তাঁর বড় ভাই ইয়াসির আরশাদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। শেষ পর্যন্ত তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ান। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ এবং বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা তাইফুল ইসলামের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ফারজানা শারমীন প্রায় ১২ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন।
এলাকায় তিনি ‘পুতুল’ নামে পরিচিত। নির্বাচনী প্রচারে তিনি বাবার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর এলাকায় তাঁর সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ফারজানা শারমীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। তিনি পেশায় হাইকোর্টের আইনজীবী। রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম হলেও দীর্ঘদিন সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন না। ২০১৬ সালে ফজলুর রহমানের মৃত্যুর পর তিনি সংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হন। সর্বশেষ তিনি নাটোর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তাঁর মা কামরুন নাহার ঢাকার একটি কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। তিনি অবসর নিয়েছেন। অতীতে তিনিও নাটোর-১ আসন থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, তবে বিজয়ী হননি।
ফারজানা শারমীনের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামা অনুযায়ী, অস্থাবর সম্পদ হিসেবে প্রায় ৩ কোটি ২০ লাখ টাকার সম্পদের উল্লেখ রয়েছে। স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে রাজধানীর বনানীতে পাঁচ কাঠা জমির ওপর নির্মিত পাঁচতলা ভবন এবং বনশ্রীতে ১ দশমিক ৬২৯ কাঠা জমির ওপর একটি ভবনের তথ্য দেওয়া হয়েছে। গৃহনির্মাণ ঋণ হিসেবে ১ কোটি ৪৬ লাখ ৪২ হাজার ৪৭৭ টাকার দায়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে পরিশোধ করা হয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে।
তাঁর স্বামী এইচ এম বাররু সানির পেশা হিসেবে ‘ব্যবসা’ উল্লেখ করা হয়েছে। তবে হলফনামায় তাঁর সম্পদ বা আয়ের আলাদা বিবরণ নেই।
নতুন দায়িত্বে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালনায় কী অগ্রাধিকার দেবেন—সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো জানা যায়নি। তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সামাজিক সুরক্ষা, নারী ও শিশুর কল্যাণ এবং ভাতাভোগী কর্মসূচি বাস্তবায়নে দ্রুত সিদ্ধান্ত প্রয়োজন হবে।
...