ডেস্ক রিপোর্ট:
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম পবিত্র ধর্মীয় উৎসব মহাশিবরাত্রি উপলক্ষে ২০২৬ সালের ব্রত ও পূজার বিস্তারিত সময়সূচি প্রকাশিত হয়েছে।
শাস্ত্রীয় বিধান অনুযায়ী চতুর্দশী তিথিতে উপবাস, সারারাত জাগরণ এবং চার প্রহরে শিবপূজার মাধ্যমে এই ব্রত পালন করা হয়।
ভক্তদের বিশ্বাস, মহাশিবরাত্রিতে ভগবান শিবের আরাধনায় পাপক্ষয় হয় এবং জীবনে শান্তি ও কল্যাণ লাভ হয়।
🕉️ চতুর্দশী তিথির সময়সূচি
বিষয়: চতুর্দশী তিথি শুরু
সময়: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বিকেল ০৫:০৪ মিনিট
বিষয়: চতুর্দশী তিথি শেষ
সময়: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বিকেল ০৫:৩৪ মিনিট
এই সময়ের মধ্যেই মহাশিবরাত্রির মূল ব্রত, উপবাস ও ধর্মীয় আচার সম্পন্ন করার বিধান রয়েছে।
🌙 চার প্রহর পূজার সময়সূচি
মহাশিবরাত্রির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো রাত্রিকালীন চার প্রহর পূজা। প্রতিটি প্রহরে শিবলিঙ্গে অভিষেক, বেলপাতা অর্পণ ও “ওঁ নমঃ শিবায়” মন্ত্র জপ করা হয়। শাস্ত্রমতে, চার প্রহরে পূজা ও সারারাত জাগরণ করলে অক্ষয় পুণ্য লাভ হয়।
বিষয়: প্রথম প্রহর পূজা
সময়: সন্ধ্যা ০৬:১১ মিনিট – রাত্রি ০৯:২৩ মিনিট
বিষয়: দ্বিতীয় প্রহর পূজা
সময়: রাত্রি ০৯:২৪ মিনিট – রাত্রি ১২:৩৫ মিনিট
বিষয়: তৃতীয় প্রহর পূজা
সময়: রাত্রি ১২:৩৬ মিনিট – ১৬ ফেব্রুয়ারি ভোর ০৩:৪৭ মিনিট
বিষয়: চতুর্থ প্রহর পূজা
সময়: ভোর ০৩:৪৮ মিনিট – সকাল ০৬:৫৯ মিনিট
🍚 পারণ (ব্রত সমাপন) সময়
বিষয়: পারণ / ব্রত সমাপন
সময়: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সকাল ০৭:০০ মিনিট – বিকেল ০৩:২৪ মিনিট
নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ব্রত ভঙ্গ করে আহার গ্রহণ করা উত্তম বলে ধর্মীয় পঞ্জিকায় উল্লেখ রয়েছে।
🔔 ধর্মীয় তাৎপর্য
মহাশিবরাত্রি ত্যাগ, সংযম ও আত্মশুদ্ধির প্রতীক। এই ব্রতে উপবাস ও জাগরণের মাধ্যমে ভক্তরা আত্মসংযম অনুশীলন করেন এবং শিবভক্তিতে নিজেকে নিবেদন করেন। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই পবিত্র তিথিতে শিব আরাধনা জীবনে শান্তি, শক্তি ও কল্যাণ বয়ে আনে।
দ্রষ্টব্য: সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের সময় অঞ্চলভেদে সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে। ভক্তদের নিজ নিজ এলাকার পঞ্জিকা অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।