সংবাদ বিশ্লেশন
ঢাকা, বাংলাদেশ
আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তবে এবারের নির্বাচনের ব্যালটে নেই নৌকা প্রতীক। আইনি বাধা ও সরকারি নিষেধাজ্ঞার কারণে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না। ফলে দেশের রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে এক নতুন সমীকরণ—আওয়ামী লীগের বিপুল ভোটব্যাংক এবার কার ঝুলিতে যাবে, সেটিই এখন প্রধান আলোচ্য বিষয়।
আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ এবং নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন স্থগিতাদেশের ফলে দলটি নির্বাচন থেকে কার্যত বাইরে। নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের শরিকরাও নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু দলের বিপুলসংখ্যক কর্মী-সমর্থক রয়েছেন মাঠে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন ও জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা এখন এই ভোটব্যাংককে নিজেদের দিকে টানার চেষ্টা করছেন।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁও-১ আসনে এক নির্বাচনী সমাবেশে বলেন, “নৌকা তো নেই। তাদের সমর্থকদের আমরা বিপদে একা ফেলে রাখব না।” বিএনপি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগের ‘নিরপরাধ সমর্থকদের’ পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানও নির্বাচনী জনসভাগুলোতে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে কড়া সমালোচনা থেকে বিরত রয়েছেন—যা দলীয় কৌশলের অংশ বলে জানা গেছে।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান উত্তরাঞ্চলের এক সমাবেশে বলেছেন, তারা ‘মামলা বাণিজ্য’ করেননি এবং আওয়ামী লীগ সমর্থকদের নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত। দলটির বিভিন্ন প্রার্থী সভা-সমাবেশে ৫ আগস্ট-পরবর্তী সহিংসতার প্রসঙ্গ তুলে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করছেন।
আওয়ামী লীগের ভেতরেও ভোটে অংশগ্রহণ নিয়ে মতভেদ রয়েছে। শীর্ষ নেতাদের একটি অংশ মনে করছেন, প্রায় অর্ধেক কর্মী-সমর্থক ভোটকেন্দ্রে যাবেন না। তাদের যুক্তি, অতীতের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, এবার কম উপস্থিতির দায় বর্তাবে অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর।
দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সামাজিক মাধ্যমে নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন। আত্মগোপনে থাকা কয়েকজন নেতা ‘নো ভোট’ অবস্থান নিয়েছেন। তবে কেউ কেউ মনে করছেন, দলের একটি অংশ গণভোটে ‘না’ ভোট দিতে পারে।
বেসরকারি জরিপ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের ভোট একদিকে না গিয়ে বিভক্ত হতে পারে। বিশ্লেষকদের ধারণা, বড় অংশ বিএনপির দিকে যেতে পারে, কিছু অংশ জামায়াত বা অন্য দলগুলোর দিকে ঝুঁকতে পারে। তবে একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ভোটদানে অনাগ্রহী থাকতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে অন্তর্বর্তী সরকার সন্ত্রাসবিরোধী আইন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে সংশোধনী এনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথ বন্ধ করেছে। পরে নির্বাচন কমিশন দলটির নিবন্ধন স্থগিত করে। তবে এই সিদ্ধান্তের আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বড় একটি রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনের বাইরে রাখা ভোটারদের পছন্দ সীমিত করতে পারে। ফলে নির্বাচন কতটা অন্তর্ভুক্তিমূলক হচ্ছে—সে প্রশ্নও নতুন করে সামনে এসেছে।
সব মিলিয়ে নৌকা প্রতীক ছাড়া এই নির্বাচন দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকছে। আওয়ামী লীগের ভোটব্যাংক শেষ পর্যন্ত কোন দিকে যাবে—সেটিই নির্ধারণ করতে পারে নির্বাচনের ফলাফল ও পরবর্তী রাজনৈতিক সমীকরণ।
আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ এবং নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন স্থগিতাদেশের ফলে দলটি নির্বাচন থেকে কার্যত বাইরে। নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের শরিকরাও নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু দলের বিপুলসংখ্যক কর্মী-সমর্থক রয়েছেন মাঠে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন ও জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা এখন এই ভোটব্যাংককে নিজেদের দিকে টানার চেষ্টা করছেন।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁও-১ আসনে এক নির্বাচনী সমাবেশে বলেন, “নৌকা তো নেই। তাদের সমর্থকদের আমরা বিপদে একা ফেলে রাখব না।” বিএনপি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগের ‘নিরপরাধ সমর্থকদের’ পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানও নির্বাচনী জনসভাগুলোতে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে কড়া সমালোচনা থেকে বিরত রয়েছেন—যা দলীয় কৌশলের অংশ বলে জানা গেছে।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান উত্তরাঞ্চলের এক সমাবেশে বলেছেন, তারা ‘মামলা বাণিজ্য’ করেননি এবং আওয়ামী লীগ সমর্থকদের নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত। দলটির বিভিন্ন প্রার্থী সভা-সমাবেশে ৫ আগস্ট-পরবর্তী সহিংসতার প্রসঙ্গ তুলে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করছেন।
আওয়ামী লীগের ভেতরেও ভোটে অংশগ্রহণ নিয়ে মতভেদ রয়েছে। শীর্ষ নেতাদের একটি অংশ মনে করছেন, প্রায় অর্ধেক কর্মী-সমর্থক ভোটকেন্দ্রে যাবেন না। তাদের যুক্তি, অতীতের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, এবার কম উপস্থিতির দায় বর্তাবে অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর।
দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সামাজিক মাধ্যমে নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন। আত্মগোপনে থাকা কয়েকজন নেতা ‘নো ভোট’ অবস্থান নিয়েছেন। তবে কেউ কেউ মনে করছেন, দলের একটি অংশ গণভোটে ‘না’ ভোট দিতে পারে।
বেসরকারি জরিপ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের ভোট একদিকে না গিয়ে বিভক্ত হতে পারে। বিশ্লেষকদের ধারণা, বড় অংশ বিএনপির দিকে যেতে পারে, কিছু অংশ জামায়াত বা অন্য দলগুলোর দিকে ঝুঁকতে পারে। তবে একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ভোটদানে অনাগ্রহী থাকতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে অন্তর্বর্তী সরকার সন্ত্রাসবিরোধী আইন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে সংশোধনী এনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথ বন্ধ করেছে। পরে নির্বাচন কমিশন দলটির নিবন্ধন স্থগিত করে। তবে এই সিদ্ধান্তের আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বড় একটি রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনের বাইরে রাখা ভোটারদের পছন্দ সীমিত করতে পারে। ফলে নির্বাচন কতটা অন্তর্ভুক্তিমূলক হচ্ছে—সে প্রশ্নও নতুন করে সামনে এসেছে।
সব মিলিয়ে নৌকা প্রতীক ছাড়া এই নির্বাচন দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকছে। আওয়ামী লীগের ভোটব্যাংক শেষ পর্যন্ত কোন দিকে যাবে—সেটিই নির্ধারণ করতে পারে নির্বাচনের ফলাফল ও পরবর্তী রাজনৈতিক সমীকরণ।
...