একাদশী ব্রতের কিংবদন্তি

Sanatan Patra

পদ্ম পুরাণে বর্ণিত আছে যে একাদশী ব্রতের সূচনা এক শক্তিশালী অসুর মুরার সঙ্গে সম্পর্কিত।

  • মুরা পৃথিবীতে ভয়ঙ্কর বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিল। তার শক্তি এত প্রবল ছিল যে দেবতারা বারবার চেষ্টা করেও তাকে পরাজিত করতে পারেননি। দেবতারা ও ঋষিরা শেষ পর্যন্ত ভগবান বিষ্ণুর কাছে সাহায্যের জন্য প্রার্থনা করেন। বিষ্ণু অসুরকে দমন করতে যুদ্ধ শুরু করেন। দীর্ঘ যুদ্ধের পর বিষ্ণু কিছুটা বিশ্রাম নিতে একটি গুহায় শুয়ে পড়েন। সেই সুযোগে মুরা তাঁকে আক্রমণ করতে উদ্যত হয়। ঠিক তখনই বিষ্ণুর শরীর থেকে এক ঐশ্বরিক শক্তির জন্ম হয়। সেই শক্তি রূপ নেয় এক উজ্জ্বল, তেজস্বী দেবীর। দেবী মুরার সঙ্গে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন এবং অল্প সময়ের মধ্যেই তাকে বিনাশ করেন।

ভগবান বিষ্ণু জেগে উঠে দেবীর বীরত্ব দেখে আনন্দিত হন। তিনি দেবীকে আশীর্বাদ করেন এবং ঘোষণা করেন যে, যেহেতু তিনি চন্দ্রচক্রের একাদশ দিনে আবির্ভূত হয়েছেন, তাঁর নাম হবে একাদশী।          বিষ্ণু আরও বলেন, যে কেউ এই দিনে নিষ্ঠার সঙ্গে উপবাস পালন করবে, সে মুক্তির পথ লাভ করবে।

এরপর থেকেই একাদশী ব্রত হিন্দু ধর্মে একটি গুরুত্বপূর্ণ আধ্যাত্মিক প্রথা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Check Out
Ok, Go it!
To Top