লাইফস্টাইল ডেস্ক
SonatanPatro News Portal
স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজন এখন বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সংকট হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুসারে, প্রতি আট জনে একজন স্থূলতার সমস্যায়
ভুগছেন। শুধু শারীরিক নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও এর গভীর প্রভাব পড়ে। ওজন
কমানোর যাত্রায় ডায়েট ও জিমের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া
অপরিহার্য।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্থূলতা ও মানসিক স্বাস্থ্যের মধ্যে দ্বিমুখী সম্পর্ক রয়েছে। একদিকে মানসিক চাপ, বিষণ্নতা বা উদ্বেগ স্থূলতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়; অন্যদিকে স্থূলতা নিজেই বিভিন্ন মানসিক অস্বস্তি ও রোগের জন্ম দেয়। এটি একটি দুষ্টচক্র, যা ভাঙতে শরীর ও মন— দুটোকেই একসঙ্গে সুস্থ রাখতে হয়।
অতিরিক্ত ওজনের কারণে আত্মসম্মান কমে যায়। সমাজের সৌন্দর্যের মানদণ্ডে নিজেকে অযোগ্য মনে হয়। অনেকেই নিজের শরীর নিয়ে লজ্জিত বোধ করেন। ফলে সামাজিক অনুষ্ঠানে যেতে চান না, বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে মিশতে অস্বস্তি পান। এতে একাকিত্ব বাড়ে, মনমরা ভাব তৈরি হয়। এই অবস্থায় অনেকে আরও বেশি করে অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের দিকে ঝুঁকে পড়েন— চকলেট, আইসক্রিম, ফাস্টফুড— যা ওজন আরও বাড়ায়।
স্থূল ব্যক্তিরা প্রায়ই সমাজের সৌন্দর্যের মানদণ্ডে নিজেদের অযোগ্য মনে করেন। কাজের জায়গায়, স্কুল-কলেজে বা পারিবারিক পরিবেশে উপহাস, কটূক্তি বা নেতিবাচক মন্তব্যের শিকার হন। এতে সামাজিক উদ্বেগ বাড়ে। দীর্ঘস্থায়ী উদ্বেগ শরীরে ‘স্ট্রেস হরমোন কর্টিসল’ বৃদ্ধি করে, যা ক্ষুধা বাড়ায় এবং চিনি ও চর্বিযুক্ত খাবারের প্রতি আকর্ষণ তৈরি করে। ফলে ওজন আরও বেড়ে যায়।
মানসিক চাপ, দুঃখ, একাকিত্ব বা রাগের সময় অনেকেই খাবারকে আশ্রয় করেন। একসঙ্গে অনেক বেশি খেয়ে ফেলেন। খাওয়ার পর অপরাধবোধ হয়। এই অপরাধবোধ আবার আরও খাওয়ার দিকে ঠেলে দেয়। এভাবে একটি চক্র তৈরি হয়। অনেক সময় এই আচরণগত সমস্যা মানসিক রোগের লক্ষণ হয়ে দাঁড়ায়।
স্থূলতা শরীরের চেহারা ও আকারে পরিবর্তন আনে। বিশেষত তরুণী ও কিশোরীদের মধ্যে দেহ-ভাবনা বিকৃতি দেখা যায়। নিজেকে অসুন্দর মনে হয়। আত্মসম্মান কমে যায়। সামাজিক বিচ্ছিন্নতা বাড়ে। এতে হতাশা ও উদ্বেগ আরও তীব্র হয়।
স্থূলতার সঙ্গে ‘স্লিপ অ্যাপনিয়া’ ও নিদ্রাহীনতা প্রায়ই যুক্ত থাকে। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি ও মেজাজের পরিবর্তন ঘটে। সারাদিন ক্লান্তি, বিরক্তি ও মনোযোগহীনতা দেখা দেয়। এতে মানসিক ভারসাম্য নষ্ট হয়।
চিকিৎসকরা বলছেন, স্থূলতার চিকিৎসায় শুধু ওজন কমানোই লক্ষ্য নয়— মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কগনিটিভ বিহেভিয়ার থেরাপি (সিবিটি) ইমোশনাল ইটিং কমাতে সাহায্য করে। স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, মাইন্ডফুলনেস ট্রেনিং ও গ্রুপ থেরাপি আত্মনিয়ন্ত্রণ বাড়ায়। পরিবার ও সমাজের সহায়ক মনোভাব রোগীর আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনে। নিয়মিত ব্যায়াম, সুষম খাদ্যাভ্যাস ও পর্যাপ্ত ঘুম শরীর ও মন— দুটোকেই ভারসাম্যে রাখে।
তাই ওজন কমানোর যাত্রায় শুধু ডায়েট বা জিম নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের যত্নও সমানভাবে প্রয়োজন। শরীর ও মন একসঙ্গে সুস্থ থাকলেই স্থূলতার দুষ্টচক্র ভাঙা সম্ভব।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্থূলতা ও মানসিক স্বাস্থ্যের মধ্যে দ্বিমুখী সম্পর্ক রয়েছে। একদিকে মানসিক চাপ, বিষণ্নতা বা উদ্বেগ স্থূলতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়; অন্যদিকে স্থূলতা নিজেই বিভিন্ন মানসিক অস্বস্তি ও রোগের জন্ম দেয়। এটি একটি দুষ্টচক্র, যা ভাঙতে শরীর ও মন— দুটোকেই একসঙ্গে সুস্থ রাখতে হয়।
অতিরিক্ত ওজনের কারণে আত্মসম্মান কমে যায়। সমাজের সৌন্দর্যের মানদণ্ডে নিজেকে অযোগ্য মনে হয়। অনেকেই নিজের শরীর নিয়ে লজ্জিত বোধ করেন। ফলে সামাজিক অনুষ্ঠানে যেতে চান না, বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে মিশতে অস্বস্তি পান। এতে একাকিত্ব বাড়ে, মনমরা ভাব তৈরি হয়। এই অবস্থায় অনেকে আরও বেশি করে অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের দিকে ঝুঁকে পড়েন— চকলেট, আইসক্রিম, ফাস্টফুড— যা ওজন আরও বাড়ায়।
স্থূল ব্যক্তিরা প্রায়ই সমাজের সৌন্দর্যের মানদণ্ডে নিজেদের অযোগ্য মনে করেন। কাজের জায়গায়, স্কুল-কলেজে বা পারিবারিক পরিবেশে উপহাস, কটূক্তি বা নেতিবাচক মন্তব্যের শিকার হন। এতে সামাজিক উদ্বেগ বাড়ে। দীর্ঘস্থায়ী উদ্বেগ শরীরে ‘স্ট্রেস হরমোন কর্টিসল’ বৃদ্ধি করে, যা ক্ষুধা বাড়ায় এবং চিনি ও চর্বিযুক্ত খাবারের প্রতি আকর্ষণ তৈরি করে। ফলে ওজন আরও বেড়ে যায়।
মানসিক চাপ, দুঃখ, একাকিত্ব বা রাগের সময় অনেকেই খাবারকে আশ্রয় করেন। একসঙ্গে অনেক বেশি খেয়ে ফেলেন। খাওয়ার পর অপরাধবোধ হয়। এই অপরাধবোধ আবার আরও খাওয়ার দিকে ঠেলে দেয়। এভাবে একটি চক্র তৈরি হয়। অনেক সময় এই আচরণগত সমস্যা মানসিক রোগের লক্ষণ হয়ে দাঁড়ায়।
স্থূলতা শরীরের চেহারা ও আকারে পরিবর্তন আনে। বিশেষত তরুণী ও কিশোরীদের মধ্যে দেহ-ভাবনা বিকৃতি দেখা যায়। নিজেকে অসুন্দর মনে হয়। আত্মসম্মান কমে যায়। সামাজিক বিচ্ছিন্নতা বাড়ে। এতে হতাশা ও উদ্বেগ আরও তীব্র হয়।
স্থূলতার সঙ্গে ‘স্লিপ অ্যাপনিয়া’ ও নিদ্রাহীনতা প্রায়ই যুক্ত থাকে। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি ও মেজাজের পরিবর্তন ঘটে। সারাদিন ক্লান্তি, বিরক্তি ও মনোযোগহীনতা দেখা দেয়। এতে মানসিক ভারসাম্য নষ্ট হয়।
চিকিৎসকরা বলছেন, স্থূলতার চিকিৎসায় শুধু ওজন কমানোই লক্ষ্য নয়— মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কগনিটিভ বিহেভিয়ার থেরাপি (সিবিটি) ইমোশনাল ইটিং কমাতে সাহায্য করে। স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, মাইন্ডফুলনেস ট্রেনিং ও গ্রুপ থেরাপি আত্মনিয়ন্ত্রণ বাড়ায়। পরিবার ও সমাজের সহায়ক মনোভাব রোগীর আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনে। নিয়মিত ব্যায়াম, সুষম খাদ্যাভ্যাস ও পর্যাপ্ত ঘুম শরীর ও মন— দুটোকেই ভারসাম্যে রাখে।
তাই ওজন কমানোর যাত্রায় শুধু ডায়েট বা জিম নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের যত্নও সমানভাবে প্রয়োজন। শরীর ও মন একসঙ্গে সুস্থ থাকলেই স্থূলতার দুষ্টচক্র ভাঙা সম্ভব।
প্রকাশ: ১৮ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ০৪:৩৬ অপরাহ্ন
...