সংবাদদাতা
ঢাকা, বাংলাদেশ
দক্ষিণ ভারতীয় বড় বাজেটের অ্যাকশন ছবি ‘কেডি: দ্য ডেভিল’–এর নতুন গান ‘সরকে চুনর তেরি সরকে’ প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। গানটিতে পারফর্ম করেছেন অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত ও নোরা ফাতেহি। মুক্তির পরই অনেক দর্শক গানটির ভাষা ও উপস্থাপনাকে ‘অশালীন’ ও ‘যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ’ বলে সমালোচনা করেন। গানের সঙ্গে নাচকেও ‘অশালীন’ আখ্যা দিয়ে নিষিদ্ধের দাবি তুলেছেন অনেকে।
এই প্রসঙ্গে বলিউড তারকা কঙ্গনা রনৌত তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, “বলিউড অশ্লীলতার সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে।” তাঁর মতে, এ ধরনের কনটেন্টের বিরুদ্ধে আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা প্রয়োজন। কঙ্গনার ভাষায়, “এখন সময় এসেছে এসব বিষয়কে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করার। ইন্ডাস্ট্রির ওপর কিছুটা লাগাম টানা দরকার।”
বিতর্কের জেরে ভারতের মানবাধিকার কমিশন নির্মাতাদের কাছে নোটিশ পাঠিয়েছে। এদিকে গানটির হিন্দি সংস্করণের গীতিকার রাকিব আলম জানান, তিনি কেবল কন্নড় থেকে ভাষান্তর করেছেন। মূল গানটি লিখেছিলেন ছবির পরিচালক প্রেম। শুরুতে তিনি এমন গান লিখতে অস্বীকৃতি জানান, কারণ তাঁর ধারণা ছিল—এ ধরনের কথা সেন্সরের মুখে পড়বে এবং দর্শকের কাছেও ভালোভাবে গ্রহণযোগ্য হবে না। পরে নির্মাতারা তাঁকে শুধু অনুবাদের দায়িত্ব দেন।
রাকিব আলম বলেন, “আমি যখন ভালো গান লিখি, তখন কেউ খেয়াল করে না। কিন্তু এই গানের জন্য আমি নিজেই বিব্রত বোধ করছি।” বিতর্ক তুঙ্গে উঠতেই গানটি ইউটিউব থেকে সরিয়ে ফেলা হয়। পরে নির্মাতারা রাকিব আলমের সঙ্গে আবার যোগাযোগ করে পরিষ্কার ও গ্রহণযোগ্য কথায় নতুন সংস্করণ লেখার অনুরোধ জানান। তিনি দ্রুত সেই সংস্করণ লিখে দেন, যা নতুনভাবে রেকর্ড করার প্রস্তুতি চলছে।
এই ঘটনা আবারও বলিউডে অশালীনতা ও সেন্সরশিপ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, সিনেমা ও গানের মাধ্যমে সমাজে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। অন্যদিকে নির্মাতারা বলছেন, দর্শকের চাহিদা ও বাজারের চাপের কারণে অনেক সময় এমন কনটেন্ট তৈরি করতে হয়।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধরনের বিতর্ক ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পে নতুন করে নৈতিকতা ও শিল্পমান নিয়ে আলোচনার দরজা খুলে দিয়েছে। কঙ্গনার মতো তারকারা যখন প্রকাশ্যে সমালোচনা করেন, তখন তা শুধু শিল্পীদের নয়, নীতিনির্ধারকদেরও ভাবতে বাধ্য করে।
এই প্রসঙ্গে বলিউড তারকা কঙ্গনা রনৌত তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, “বলিউড অশ্লীলতার সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে।” তাঁর মতে, এ ধরনের কনটেন্টের বিরুদ্ধে আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা প্রয়োজন। কঙ্গনার ভাষায়, “এখন সময় এসেছে এসব বিষয়কে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করার। ইন্ডাস্ট্রির ওপর কিছুটা লাগাম টানা দরকার।”
বিতর্কের জেরে ভারতের মানবাধিকার কমিশন নির্মাতাদের কাছে নোটিশ পাঠিয়েছে। এদিকে গানটির হিন্দি সংস্করণের গীতিকার রাকিব আলম জানান, তিনি কেবল কন্নড় থেকে ভাষান্তর করেছেন। মূল গানটি লিখেছিলেন ছবির পরিচালক প্রেম। শুরুতে তিনি এমন গান লিখতে অস্বীকৃতি জানান, কারণ তাঁর ধারণা ছিল—এ ধরনের কথা সেন্সরের মুখে পড়বে এবং দর্শকের কাছেও ভালোভাবে গ্রহণযোগ্য হবে না। পরে নির্মাতারা তাঁকে শুধু অনুবাদের দায়িত্ব দেন।
রাকিব আলম বলেন, “আমি যখন ভালো গান লিখি, তখন কেউ খেয়াল করে না। কিন্তু এই গানের জন্য আমি নিজেই বিব্রত বোধ করছি।” বিতর্ক তুঙ্গে উঠতেই গানটি ইউটিউব থেকে সরিয়ে ফেলা হয়। পরে নির্মাতারা রাকিব আলমের সঙ্গে আবার যোগাযোগ করে পরিষ্কার ও গ্রহণযোগ্য কথায় নতুন সংস্করণ লেখার অনুরোধ জানান। তিনি দ্রুত সেই সংস্করণ লিখে দেন, যা নতুনভাবে রেকর্ড করার প্রস্তুতি চলছে।
এই ঘটনা আবারও বলিউডে অশালীনতা ও সেন্সরশিপ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, সিনেমা ও গানের মাধ্যমে সমাজে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। অন্যদিকে নির্মাতারা বলছেন, দর্শকের চাহিদা ও বাজারের চাপের কারণে অনেক সময় এমন কনটেন্ট তৈরি করতে হয়।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধরনের বিতর্ক ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পে নতুন করে নৈতিকতা ও শিল্পমান নিয়ে আলোচনার দরজা খুলে দিয়েছে। কঙ্গনার মতো তারকারা যখন প্রকাশ্যে সমালোচনা করেন, তখন তা শুধু শিল্পীদের নয়, নীতিনির্ধারকদেরও ভাবতে বাধ্য করে।
প্রকাশ: ১৮ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: বিকেল ৪:১২
...