সনাতন পত্র ডেস্ক
ডেক্স প্রতিবেদন
দেশের কন্যাশিশু ও নারীদের শিক্ষার সুযোগ আরও বিস্তৃত করতে মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা চালুর উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, নারী শিক্ষার প্রসার ঘটাতে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে এবং ভবিষ্যতে মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষাব্যবস্থা চালুর বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হবে।
রোববার (১৫ মার্চ) আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে নারী অধিকার, শিক্ষা এবং সমাজে নারীর অংশগ্রহণ নিয়ে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়। বক্তারা নারীদের ক্ষমতায়ন ও উন্নয়নে শিক্ষার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।
ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, যে সমাজে নারীরা শিক্ষিত ও সক্ষম হয়ে ওঠে, সেই সমাজই প্রকৃত অর্থে এগিয়ে যেতে পারে। একটি জাতির অগ্রগতির সঙ্গে নারীর অগ্রগতি সরাসরি সম্পৃক্ত। তাই কন্যাশিশুদের অধিকার নিশ্চিত করা এবং তাদের শিক্ষার সুযোগ বিস্তৃত করা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তিনি জানান, বর্তমান সরকার কন্যাশিশুর অধিকার বাস্তবায়ন এবং নারী শিক্ষার প্রসারে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের প্রতিটি শিশুর জন্য একটি নিরাপদ ও সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি, যেখানে নারীরা নেতৃত্বে থাকবে এবং সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে সমানভাবে অংশগ্রহণ করবে। নারীর ক্ষমতায়নকে টেকসই উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে নারীর উন্নয়নে বিভিন্ন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের প্রথম নারী বিষয়ক অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়। এছাড়া আনসার ও ভিডিপিতে নারীদের অন্তর্ভুক্ত করার পদক্ষেপও সেই সময় নেওয়া হয়েছিল।
মন্ত্রী বলেন, নারীদের জন্য কোটা চালুর মাধ্যমে শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তার মতে, সেই নীতিগত সিদ্ধান্তগুলোর ফলেই বর্তমানে উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত শিক্ষায় নারীদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের মেডিকেল কলেজগুলোতে শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ নারী।
তিনি আরও জানান, সরকার স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষার সুযোগ এবং স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের বিষয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। তার মতে, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো হলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং নারী-পুরুষ উভয়ের সমান সুযোগ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
মন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার সমানভাবে নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতের রাজনৈতিক বাস্তবতায় অনেক সময় নাগরিক অধিকার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সেই অভিজ্ঞতার প্রেক্ষাপটে বর্তমান সময়ে অধিকার এবং গণতন্ত্রের বিষয়গুলোকে আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে তিনি মত দেন।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া নারী নির্যাতনের ঘটনাও আলোচনায় আসে। নরসিংদীতে সংঘটিত একটি ধর্ষণের ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী বলেন, সমাজের বিভিন্ন নেতিবাচক ঘটনা গণমাধ্যমের মাধ্যমে মানুষের সামনে আসে। তবে এসব ঘটনা প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা ও আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি বলেন, একটি সভ্য সমাজ গড়ে তুলতে হলে নারীর নিরাপত্তা এবং মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য থাকা উচিত যেখানে নারীর অধিকার নিয়ে আলাদাভাবে কথা বলার প্রয়োজন হবে না, কারণ সেই অধিকার স্বাভাবিকভাবেই প্রতিষ্ঠিত থাকবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও বলেন, নারী শিক্ষা ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা গেলে সমাজের সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়। শিক্ষা নারীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করে এবং পরিবার ও সমাজে তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। তাই কন্যাশিশুর শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।
নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, শিক্ষাবিদ এবং নারী অধিকারকর্মীরা অংশ নেন। তারা নারীর অধিকার রক্ষা, শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং কর্মক্ষেত্রে সমান সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন।
রোববার (১৫ মার্চ) আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে নারী অধিকার, শিক্ষা এবং সমাজে নারীর অংশগ্রহণ নিয়ে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়। বক্তারা নারীদের ক্ষমতায়ন ও উন্নয়নে শিক্ষার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।
ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, যে সমাজে নারীরা শিক্ষিত ও সক্ষম হয়ে ওঠে, সেই সমাজই প্রকৃত অর্থে এগিয়ে যেতে পারে। একটি জাতির অগ্রগতির সঙ্গে নারীর অগ্রগতি সরাসরি সম্পৃক্ত। তাই কন্যাশিশুদের অধিকার নিশ্চিত করা এবং তাদের শিক্ষার সুযোগ বিস্তৃত করা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তিনি জানান, বর্তমান সরকার কন্যাশিশুর অধিকার বাস্তবায়ন এবং নারী শিক্ষার প্রসারে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের প্রতিটি শিশুর জন্য একটি নিরাপদ ও সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি, যেখানে নারীরা নেতৃত্বে থাকবে এবং সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে সমানভাবে অংশগ্রহণ করবে। নারীর ক্ষমতায়নকে টেকসই উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে নারীর উন্নয়নে বিভিন্ন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের প্রথম নারী বিষয়ক অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়। এছাড়া আনসার ও ভিডিপিতে নারীদের অন্তর্ভুক্ত করার পদক্ষেপও সেই সময় নেওয়া হয়েছিল।
মন্ত্রী বলেন, নারীদের জন্য কোটা চালুর মাধ্যমে শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তার মতে, সেই নীতিগত সিদ্ধান্তগুলোর ফলেই বর্তমানে উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত শিক্ষায় নারীদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের মেডিকেল কলেজগুলোতে শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ নারী।
তিনি আরও জানান, সরকার স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষার সুযোগ এবং স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের বিষয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। তার মতে, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো হলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং নারী-পুরুষ উভয়ের সমান সুযোগ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
মন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার সমানভাবে নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতের রাজনৈতিক বাস্তবতায় অনেক সময় নাগরিক অধিকার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সেই অভিজ্ঞতার প্রেক্ষাপটে বর্তমান সময়ে অধিকার এবং গণতন্ত্রের বিষয়গুলোকে আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে তিনি মত দেন।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া নারী নির্যাতনের ঘটনাও আলোচনায় আসে। নরসিংদীতে সংঘটিত একটি ধর্ষণের ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী বলেন, সমাজের বিভিন্ন নেতিবাচক ঘটনা গণমাধ্যমের মাধ্যমে মানুষের সামনে আসে। তবে এসব ঘটনা প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা ও আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি বলেন, একটি সভ্য সমাজ গড়ে তুলতে হলে নারীর নিরাপত্তা এবং মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য থাকা উচিত যেখানে নারীর অধিকার নিয়ে আলাদাভাবে কথা বলার প্রয়োজন হবে না, কারণ সেই অধিকার স্বাভাবিকভাবেই প্রতিষ্ঠিত থাকবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও বলেন, নারী শিক্ষা ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা গেলে সমাজের সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়। শিক্ষা নারীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করে এবং পরিবার ও সমাজে তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। তাই কন্যাশিশুর শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।
নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, শিক্ষাবিদ এবং নারী অধিকারকর্মীরা অংশ নেন। তারা নারীর অধিকার রক্ষা, শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং কর্মক্ষেত্রে সমান সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন।
প্রকাশ: ১৫ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ১০:৪৮ PM
...