নিজস্ব প্রতিবেদক
সনাতন পত্র
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা এবং বর্তমানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব করা হয়েছে। বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সোমবার দেশের সকল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে এই বিষয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছে। চিঠিতে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে আসিফ মাহমুদের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবের সমস্ত তথ্য বিএফআইইউতে জমা দেওয়ার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম তরুণ উপদেষ্টা ছিলেন। প্রথমে তিনি শ্রম এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন এবং পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বও সামলান। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গত বছরের ১০ ডিসেম্বর তিনি উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
ব্যাংক হিসাব তলবের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, তাঁর জানামতে তাঁরসহ মোট চারজন উপদেষ্টার ব্যাংক হিসাবের তথ্য চাওয়া হয়েছে। বিষয়টি যেভাবে জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়েছে, তা আইনসম্মত কি না সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। তবে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি নিজেই তাঁর ব্যাংক স্টেটমেন্ট জনসমক্ষে উন্মুক্ত করে দেবেন বলে জানিয়েছেন। ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, পদত্যাগের আগেই তিনি তাঁর আয় ও সম্পদের হিসাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জমা দিয়ে এসেছেন।
উল্লেখ্য যে, গত ১০ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকার উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করেছিল। সেই তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত আসিফ মাহমুদের মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১৫ লাখ ৩৪ হাজার ৭১৭ টাকা এবং তাঁর দায়ের পরিমাণ ছিল ২৮ হাজার ৬৬৯ টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তাঁর কোনো টিআইএন (TIN) ছিল না বলেও সেখানে উল্লেখ করা হয়। বর্তমানে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র হিসেবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন।
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম তরুণ উপদেষ্টা ছিলেন। প্রথমে তিনি শ্রম এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন এবং পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বও সামলান। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গত বছরের ১০ ডিসেম্বর তিনি উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
ব্যাংক হিসাব তলবের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, তাঁর জানামতে তাঁরসহ মোট চারজন উপদেষ্টার ব্যাংক হিসাবের তথ্য চাওয়া হয়েছে। বিষয়টি যেভাবে জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়েছে, তা আইনসম্মত কি না সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। তবে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি নিজেই তাঁর ব্যাংক স্টেটমেন্ট জনসমক্ষে উন্মুক্ত করে দেবেন বলে জানিয়েছেন। ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, পদত্যাগের আগেই তিনি তাঁর আয় ও সম্পদের হিসাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জমা দিয়ে এসেছেন।
উল্লেখ্য যে, গত ১০ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকার উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করেছিল। সেই তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত আসিফ মাহমুদের মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১৫ লাখ ৩৪ হাজার ৭১৭ টাকা এবং তাঁর দায়ের পরিমাণ ছিল ২৮ হাজার ৬৬৯ টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তাঁর কোনো টিআইএন (TIN) ছিল না বলেও সেখানে উল্লেখ করা হয়। বর্তমানে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র হিসেবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন।
প্রকাশ: ০৪ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ০৪ মার্চ ২০২৬
...