নিজস্ব প্রতিবেদক
সনাতন পত্রো ডেস্ক
এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধানসহ বিভিন্ন শূন্য পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। মোট ১৩ হাজার ৫৫৯টি পদের বিপরীতে আবেদন করেছেন ৭৮ হাজার ৭১১ জন প্রার্থী।
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) জানিয়েছে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। প্রার্থীরা সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আবেদন করেন এবং আবেদন করার সময় এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। এখন আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। ফি জমা দেওয়ার শেষ সময় ২৭ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত।
এবারের নিয়োগ প্রক্রিয়া বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে, কারণ প্রথমবারের মতো এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপার ও সহকারী সুপার পদে নিয়োগের দায়িত্ব এনটিআরসিএর মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে। এর আগে এসব পদে নিয়োগ দিত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি বা পরিচালনা পর্ষদ।
গত ২৯ জানুয়ারি প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব শূন্য পদের জন্য যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন প্রার্থীদের কাছ থেকে অনলাইনে আবেদন আহ্বান করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ২৭ জানুয়ারির এক পরিপত্রের মাধ্যমে এসব পদে নিয়োগের ক্ষমতা এনটিআরসিএকে প্রদান করে।
এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ে অধিকসংখ্যক প্রার্থী আবেদন করার সুযোগ নিশ্চিত করতে সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিকভাবে সম্পন্ন করা হবে।
আবেদন পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে। ৩ হাজার ৮৭২টি শূন্যপদের বিপরীতে আবেদন করেছেন ২৬ হাজার ৮২৬ জন।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আবেদন পড়েছে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে। ৩ হাজার ৯২৩টি পদের বিপরীতে আবেদন করেছেন ১৯ হাজার ৮৩৮ জন।
ডিগ্রি পাস কলেজের উপাধ্যক্ষ পদে ৬২৭টি শূন্যপদের বিপরীতে আবেদন করেছেন ৬ হাজার ৮২ জন। উচ্চ মাধ্যমিক কলেজের অধ্যক্ষ পদে ৫১১টি শূন্যপদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ৫ হাজার ৬৩০টি।
নিম্নমাধ্যমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক পদে ৫০৪টি শূন্যপদের বিপরীতে আবেদন করেছেন ৪ হাজার ৩৭৫ জন। উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের অধ্যক্ষ পদে ২৫৭টি পদের বিপরীতে আবেদন করেছেন ৩ হাজার ১৮০ জন।
দাখিল মাদ্রাসার সুপার পদে ৮৯৯টি শূন্যপদের বিপরীতে ২ হাজার ৬৪৫ জন এবং দাখিল মাদ্রাসার সহকারী সুপার পদে ১ হাজার ৪টি শূন্যপদের বিপরীতে ২ হাজার ৯৮৭ জন আবেদন করেছেন।
এছাড়া ফাজিল, কামিল ও আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। বিভিন্ন গ্রেডের এসব পদে প্রতিযোগিতা উচ্চমাত্রায় থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নিয়োগ পরীক্ষা মোট ১০০ নম্বরের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ৮০ নম্বরের এমসিকিউ পদ্ধতিতে লিখিত পরীক্ষা, ১২ নম্বর শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের জন্য এবং ৮ নম্বর মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত। লিখিত পরীক্ষার সময় হবে এক ঘণ্টা এবং মোট ৮০টি প্রশ্ন থাকবে। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর এবং ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা হবে।
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। প্রতিটি ধাপে কমপক্ষে ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। প্রশ্ন থাকবে বাংলা, ইংরেজি, আইসিটি, মানসিক দক্ষতা, গাণিতিক যুক্তি, সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক), প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয় থেকে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ধরন অনুযায়ী শিক্ষা ব্যবস্থাপনা ও বিষয়ভিত্তিক মৌলিক জ্ঞান থেকেও প্রশ্ন থাকবে। যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে সর্বশেষ জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুসরণ করা হবে।
এনটিআরসিএ জানিয়েছে, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত মোট নম্বর এবং প্রার্থীদের পছন্দক্রমের ভিত্তিতে শতভাগ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে মেধা তালিকা তৈরি করে চূড়ান্ত সুপারিশ করা হবে। কোনো ধরনের তদবির বা প্রভাব খাটানোর চেষ্টা প্রার্থীর অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য হবে।
এ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে http://ngi.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারছেন।
উল্লেখ্য, ২০০৫ সাল থেকে এনটিআরসিএ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা আয়োজন করছে এবং ২০১৬ সাল থেকে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এন্ট্রি লেভেলের শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশ করে আসছে। তবে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহপ্রধান পদে নিয়োগে আগে পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত কার্যকর হতো। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষাপটে এবার কেন্দ্রীয়ভাবে এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) জানিয়েছে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। প্রার্থীরা সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আবেদন করেন এবং আবেদন করার সময় এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। এখন আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। ফি জমা দেওয়ার শেষ সময় ২৭ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত।
এবারের নিয়োগ প্রক্রিয়া বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে, কারণ প্রথমবারের মতো এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপার ও সহকারী সুপার পদে নিয়োগের দায়িত্ব এনটিআরসিএর মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে। এর আগে এসব পদে নিয়োগ দিত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি বা পরিচালনা পর্ষদ।
গত ২৯ জানুয়ারি প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব শূন্য পদের জন্য যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন প্রার্থীদের কাছ থেকে অনলাইনে আবেদন আহ্বান করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ২৭ জানুয়ারির এক পরিপত্রের মাধ্যমে এসব পদে নিয়োগের ক্ষমতা এনটিআরসিএকে প্রদান করে।
এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ে অধিকসংখ্যক প্রার্থী আবেদন করার সুযোগ নিশ্চিত করতে সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিকভাবে সম্পন্ন করা হবে।
আবেদন পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে। ৩ হাজার ৮৭২টি শূন্যপদের বিপরীতে আবেদন করেছেন ২৬ হাজার ৮২৬ জন।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আবেদন পড়েছে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে। ৩ হাজার ৯২৩টি পদের বিপরীতে আবেদন করেছেন ১৯ হাজার ৮৩৮ জন।
ডিগ্রি পাস কলেজের উপাধ্যক্ষ পদে ৬২৭টি শূন্যপদের বিপরীতে আবেদন করেছেন ৬ হাজার ৮২ জন। উচ্চ মাধ্যমিক কলেজের অধ্যক্ষ পদে ৫১১টি শূন্যপদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ৫ হাজার ৬৩০টি।
নিম্নমাধ্যমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক পদে ৫০৪টি শূন্যপদের বিপরীতে আবেদন করেছেন ৪ হাজার ৩৭৫ জন। উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের অধ্যক্ষ পদে ২৫৭টি পদের বিপরীতে আবেদন করেছেন ৩ হাজার ১৮০ জন।
দাখিল মাদ্রাসার সুপার পদে ৮৯৯টি শূন্যপদের বিপরীতে ২ হাজার ৬৪৫ জন এবং দাখিল মাদ্রাসার সহকারী সুপার পদে ১ হাজার ৪টি শূন্যপদের বিপরীতে ২ হাজার ৯৮৭ জন আবেদন করেছেন।
এছাড়া ফাজিল, কামিল ও আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। বিভিন্ন গ্রেডের এসব পদে প্রতিযোগিতা উচ্চমাত্রায় থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নিয়োগ পরীক্ষা মোট ১০০ নম্বরের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ৮০ নম্বরের এমসিকিউ পদ্ধতিতে লিখিত পরীক্ষা, ১২ নম্বর শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের জন্য এবং ৮ নম্বর মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত। লিখিত পরীক্ষার সময় হবে এক ঘণ্টা এবং মোট ৮০টি প্রশ্ন থাকবে। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর এবং ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা হবে।
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। প্রতিটি ধাপে কমপক্ষে ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। প্রশ্ন থাকবে বাংলা, ইংরেজি, আইসিটি, মানসিক দক্ষতা, গাণিতিক যুক্তি, সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক), প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয় থেকে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ধরন অনুযায়ী শিক্ষা ব্যবস্থাপনা ও বিষয়ভিত্তিক মৌলিক জ্ঞান থেকেও প্রশ্ন থাকবে। যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে সর্বশেষ জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুসরণ করা হবে।
এনটিআরসিএ জানিয়েছে, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত মোট নম্বর এবং প্রার্থীদের পছন্দক্রমের ভিত্তিতে শতভাগ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে মেধা তালিকা তৈরি করে চূড়ান্ত সুপারিশ করা হবে। কোনো ধরনের তদবির বা প্রভাব খাটানোর চেষ্টা প্রার্থীর অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য হবে।
এ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে http://ngi.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারছেন।
উল্লেখ্য, ২০০৫ সাল থেকে এনটিআরসিএ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা আয়োজন করছে এবং ২০১৬ সাল থেকে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এন্ট্রি লেভেলের শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশ করে আসছে। তবে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহপ্রধান পদে নিয়োগে আগে পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত কার্যকর হতো। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষাপটে এবার কেন্দ্রীয়ভাবে এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
...