নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা
দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও এক ধাপ আলোচনায় এসেছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) প্রকাশিত সর্বশেষ সূচকে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় ১৩তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। সংস্থাটির প্রতিবেদনে দুর্নীতির মাত্রা, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহির ঘাটতির বিষয়গুলো উঠে এসেছে।
মঙ্গলবার দুপুরে প্রকাশিত প্রতিবেদনে টিআইবি জানায়, বৈশ্বিক দুর্নীতিবিরোধী সূচকের মানদণ্ড অনুযায়ী বিভিন্ন দেশের সরকারি খাতের স্বচ্ছতা ও দুর্নীতির ঝুঁকি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান দেশটির দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
টিআইবি বলছে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ থাকলেও বাস্তব প্রয়োগে ঘাটতি রয়ে গেছে। বিশেষ করে সরকারি ক্রয়, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, আইন প্রয়োগ এবং রাজনৈতিক প্রভাবের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার অভাব সূচকে বাংলাদেশের অবস্থানকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করেছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের দুর্নীতির ধরণ অব্যাহত থাকায় সাধারণ মানুষের আস্থা কমে যাচ্ছে। দুর্নীতিবিরোধী আইন ও প্রতিষ্ঠান থাকলেও কার্যকর সংস্কার না হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত উন্নতি হচ্ছে না বলে মনে করছে সংস্থাটি।
টিআইবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দুর্নীতি কমাতে হলে প্রশাসনিক সংস্কার, স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাগুলোকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে।
সূচকে বাংলাদেশের এই অবস্থান নিয়ে বিশ্লেষকরা বলছেন, অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি সুশাসন নিশ্চিত না হলে টেকসই উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হতে পারে। দুর্নীতির প্রভাব সরাসরি বিনিয়োগ, সামাজিক সেবা এবং নাগরিক অধিকারেও পড়ছে।
তবে সরকারি মহলের একটি অংশের দাবি, দুর্নীতি দমন ও স্বচ্ছতা বাড়াতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এসব উদ্যোগের ইতিবাচক ফল পাওয়া যাবে। তারা বলছেন, ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ ও প্রশাসনিক আধুনিকায়নের মাধ্যমে দুর্নীতির সুযোগ কমানোর চেষ্টা চলছে।
সব মিলিয়ে টিআইবির সর্বশেষ সূচক আবারও স্পষ্ট করেছে, দুর্নীতি বাংলাদেশের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। এই অবস্থান থেকে উত্তরণে কার্যকর সংস্কার ও জবাবদিহিমূলক শাসন ব্যবস্থার বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মঙ্গলবার দুপুরে প্রকাশিত প্রতিবেদনে টিআইবি জানায়, বৈশ্বিক দুর্নীতিবিরোধী সূচকের মানদণ্ড অনুযায়ী বিভিন্ন দেশের সরকারি খাতের স্বচ্ছতা ও দুর্নীতির ঝুঁকি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান দেশটির দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
টিআইবি বলছে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ থাকলেও বাস্তব প্রয়োগে ঘাটতি রয়ে গেছে। বিশেষ করে সরকারি ক্রয়, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, আইন প্রয়োগ এবং রাজনৈতিক প্রভাবের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার অভাব সূচকে বাংলাদেশের অবস্থানকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করেছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের দুর্নীতির ধরণ অব্যাহত থাকায় সাধারণ মানুষের আস্থা কমে যাচ্ছে। দুর্নীতিবিরোধী আইন ও প্রতিষ্ঠান থাকলেও কার্যকর সংস্কার না হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত উন্নতি হচ্ছে না বলে মনে করছে সংস্থাটি।
টিআইবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দুর্নীতি কমাতে হলে প্রশাসনিক সংস্কার, স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাগুলোকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে।
সূচকে বাংলাদেশের এই অবস্থান নিয়ে বিশ্লেষকরা বলছেন, অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি সুশাসন নিশ্চিত না হলে টেকসই উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হতে পারে। দুর্নীতির প্রভাব সরাসরি বিনিয়োগ, সামাজিক সেবা এবং নাগরিক অধিকারেও পড়ছে।
তবে সরকারি মহলের একটি অংশের দাবি, দুর্নীতি দমন ও স্বচ্ছতা বাড়াতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এসব উদ্যোগের ইতিবাচক ফল পাওয়া যাবে। তারা বলছেন, ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ ও প্রশাসনিক আধুনিকায়নের মাধ্যমে দুর্নীতির সুযোগ কমানোর চেষ্টা চলছে।
সব মিলিয়ে টিআইবির সর্বশেষ সূচক আবারও স্পষ্ট করেছে, দুর্নীতি বাংলাদেশের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। এই অবস্থান থেকে উত্তরণে কার্যকর সংস্কার ও জবাবদিহিমূলক শাসন ব্যবস্থার বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
...