খেলা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ফুটবল মাঠে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হওয়ার কথা ছিল ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের অসাধারণ এক গোল। কিন্তু সেই মুহূর্তকেও ছাপিয়ে আবারও সামনে চলে এসেছে বর্ণবাদী আক্রমণের অভিযোগ। চ্যাম্পিয়নস লিগের একটি ম্যাচে গোল উদ্যাপনের সময় আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার গিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ান্নির বিরুদ্ধে বর্ণবাদী মন্তব্যের অভিযোগ তুলেছেন রিয়াল মাদ্রিদের এই ব্রাজিলিয়ান তারকা।
ঘটনাটি ঘটে প্লে-অফ পর্বের প্রথম লেগে, ম্যাচের প্রায় ৫০ মিনিটে। গোল করার পর উদ্যাপনের সময় দুই খেলোয়াড়ের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এরপরই ভিনিসিয়ুস দাবি করেন, প্রেস্তিয়ান্নি তাঁকে বর্ণবাদী মন্তব্য করেছেন। তাঁর সতীর্থ অঁরেলিয়ে চুয়ামেনি জানান, ভিনি তাঁদের বলেছেন তাঁকে ‘বানর’ বলা হয়েছে। আর কিলিয়ান এমবাপ্পের দাবি, একই মন্তব্য একাধিকবার করা হয়েছে।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার পর গত আট বছরে অন্তত ২০টি বর্ণবাদী ঘটনার শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছেন ভিনিসিয়ুস। ফলে এ ধরনের অভিযোগ তাঁর জন্য নতুন নয়। এর আগেও লা লিগা ও ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় একাধিকবার এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন তিনি।
সর্বশেষ অভিযোগ সামনে আসার পর ফুটবল অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তিনি বলেন, চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে ভিনিসিয়ুসের ওপর বর্ণবাদী আক্রমণের অভিযোগ তাঁকে ‘স্তম্ভিত ও মর্মাহত’ করেছে।
ইনফান্তিনো তাঁর বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, খেলাধুলা কিংবা সমাজে বর্ণবাদের কোনো স্থান নেই। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।
ম্যাচ পরিচালনাকারী রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ের বর্ণবাদবিরোধী প্রোটোকল সক্রিয় করায় তাঁকে অভিনন্দন জানান ফিফা সভাপতি। নিয়ম অনুসারে ম্যাচ সাময়িকভাবে থামিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার সিদ্ধান্তকে তিনি সঠিক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন।
ফিফার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সংস্থাটি বর্ণবাদ ও বৈষম্যবিরোধী অবস্থানে অটল। ‘ফিফা গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অ্যাগেইনস্ট রেসিজম’ এবং ‘প্লেয়ার্স’ ভয়েস প্যানেল’-এর মাধ্যমে খেলোয়াড়, রেফারি ও সমর্থকদের নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। যেকোনো বর্ণবাদী বা বৈষম্যমূলক আচরণের ক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
ভিনিসিয়ুসকে ঘিরে সাম্প্রতিক এই অভিযোগ আবারও ইউরোপীয় ফুটবলে বর্ণবাদের প্রশ্নকে সামনে এনেছে। বিভিন্ন সময়ে খেলোয়াড়েরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, গ্যালারিতে কিংবা মাঠে এমন আচরণের শিকার হয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ একাধিকবার কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা বললেও সমস্যা পুরোপুরি নির্মূল হয়নি।
এখন নজর রয়েছে তদন্ত প্রক্রিয়ার দিকে। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ক্লাব ও কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিক তদন্ত করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসছে না।
মাঠের পারফরম্যান্সের বদলে বারবার বর্ণবাদী ঘটনার শিকার হওয়া ভিনিসিয়ুসের জন্য এটি নতুন এক মানসিক চাপের পরিস্থিতি। ফুটবলবিশ্বের বড় অংশই তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছে। ফিফা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ঘোষণার বাস্তব প্রয়োগ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
ঘটনাটি ঘটে প্লে-অফ পর্বের প্রথম লেগে, ম্যাচের প্রায় ৫০ মিনিটে। গোল করার পর উদ্যাপনের সময় দুই খেলোয়াড়ের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এরপরই ভিনিসিয়ুস দাবি করেন, প্রেস্তিয়ান্নি তাঁকে বর্ণবাদী মন্তব্য করেছেন। তাঁর সতীর্থ অঁরেলিয়ে চুয়ামেনি জানান, ভিনি তাঁদের বলেছেন তাঁকে ‘বানর’ বলা হয়েছে। আর কিলিয়ান এমবাপ্পের দাবি, একই মন্তব্য একাধিকবার করা হয়েছে।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার পর গত আট বছরে অন্তত ২০টি বর্ণবাদী ঘটনার শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছেন ভিনিসিয়ুস। ফলে এ ধরনের অভিযোগ তাঁর জন্য নতুন নয়। এর আগেও লা লিগা ও ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় একাধিকবার এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন তিনি।
সর্বশেষ অভিযোগ সামনে আসার পর ফুটবল অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তিনি বলেন, চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে ভিনিসিয়ুসের ওপর বর্ণবাদী আক্রমণের অভিযোগ তাঁকে ‘স্তম্ভিত ও মর্মাহত’ করেছে।
ইনফান্তিনো তাঁর বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, খেলাধুলা কিংবা সমাজে বর্ণবাদের কোনো স্থান নেই। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।
ম্যাচ পরিচালনাকারী রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ের বর্ণবাদবিরোধী প্রোটোকল সক্রিয় করায় তাঁকে অভিনন্দন জানান ফিফা সভাপতি। নিয়ম অনুসারে ম্যাচ সাময়িকভাবে থামিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার সিদ্ধান্তকে তিনি সঠিক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন।
ফিফার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সংস্থাটি বর্ণবাদ ও বৈষম্যবিরোধী অবস্থানে অটল। ‘ফিফা গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অ্যাগেইনস্ট রেসিজম’ এবং ‘প্লেয়ার্স’ ভয়েস প্যানেল’-এর মাধ্যমে খেলোয়াড়, রেফারি ও সমর্থকদের নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। যেকোনো বর্ণবাদী বা বৈষম্যমূলক আচরণের ক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
ভিনিসিয়ুসকে ঘিরে সাম্প্রতিক এই অভিযোগ আবারও ইউরোপীয় ফুটবলে বর্ণবাদের প্রশ্নকে সামনে এনেছে। বিভিন্ন সময়ে খেলোয়াড়েরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, গ্যালারিতে কিংবা মাঠে এমন আচরণের শিকার হয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ একাধিকবার কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা বললেও সমস্যা পুরোপুরি নির্মূল হয়নি।
এখন নজর রয়েছে তদন্ত প্রক্রিয়ার দিকে। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ক্লাব ও কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিক তদন্ত করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসছে না।
মাঠের পারফরম্যান্সের বদলে বারবার বর্ণবাদী ঘটনার শিকার হওয়া ভিনিসিয়ুসের জন্য এটি নতুন এক মানসিক চাপের পরিস্থিতি। ফুটবলবিশ্বের বড় অংশই তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছে। ফিফা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ঘোষণার বাস্তব প্রয়োগ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
...