নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা
বিএনপির সম্ভাব্য নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গণমাধ্যমকে বলেছেন, নতুন মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। কেমন কাঠামো হবে, কারা দায়িত্ব পাবেন—তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। তবে একটি কার্যকর ও ইতিবাচক বার্তা দেবে—এমন মন্ত্রিসভাই গঠন করা হবে বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।
দলীয় সূত্র অনুযায়ী, গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের জন্য আলোচনায় আছেন ঠাকুরগাঁও-১ আসনে নির্বাচিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পাশাপাশি তাকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নের সম্ভাবনাও আলোচনায় রয়েছে।
স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্য থেকে আলোচনায় রয়েছেন কুমিল্লা-১ আসনের ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ঢাকা-৩ এর গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৮ এর মির্জা আব্বাস, সিরাজগঞ্জ-২ এর ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, নরসিংদী-২ এর ড. আব্দুল মঈন খান, চট্টগ্রাম-১১ এর আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, কক্সবাজার-১ এর সালাহউদ্দিন আহমদ, দিনাজপুর-৬ এর অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং কুমিল্লা-৩ আসনের কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।
ভাইস চেয়ারম্যান ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে আলোচনায় আছেন কিশোরগঞ্জ-৩ এর ড. ওসমান ফারুক, লালমনিরহাট-৩ এর আসাদুল হাবিব দুলু, নেত্রকোনা-৪ এর লুৎফুজ্জামান বাবর, নেত্রকোনা-১ এর ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, জামালপুর-1 এর রশিদ্দুজ্জামান মিল্লাত, শরীয়তপুর-৩ এর মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, খুলনা-৩ এর রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা-৫ এর আলী আজগর লবি, যশোর-৩ এর অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং ঝিনাইদহ-১ এর অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান।
আরও আলোচনায় আছেন ফেনী-৩ এর আব্দুল আউয়াল মিন্টু, নোয়াখালী-৪ এর মোহাম্মদ শাহজাহান, নোয়াখালী-৩ এর বরকত উল্লাহ বুলু, নোয়াখালী-১ এর ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, লক্ষ্মীপুর-৩ এর শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, নরসিংদী-১ এর খায়রুল কবীর খোকন, নারায়ণগঞ্জ-২ এর নজরুল ইসলাম আজাদ, ঢাকা-১ এর খন্দকার আবু আশফাক এবং মুন্সীগঞ্জ-২ এর অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ।
সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন মানিকগঞ্জ-৩ এর আফরোজা খানম রিতা, পাবনা-৫ এর শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, টাঙ্গাইল-২ এর আব্দুস সালাম পিন্টু, টাঙ্গাইল-৫ এর সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, মাগুরা-১ এর মনোয়ার হোসেন, ফরিদপুর-২ এর শামা ওবায়েদ, গাজীপুর-২ এর মঞ্জুরুল করিম রনি, পঞ্চগড়-১ এর ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, ঠাকুরগাঁও-২ এর ডা. মো. আব্দুস সালাম, নাটোর-২ এর রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, রাজশাহী-২ এর মিজানুর রহমান মিনু, বগুড়া-৫ এর জি এম সিরাজ, হবিগঞ্জ-১ এর ড. রেজা কিবরিয়া, সিলেট-৪ এর আরিফুল হক চৌধুরী, মৌলভীবাজার-৩ এর নাসের রহমান এবং সিলেট-৩ এর এম এ মালেক।
যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের মধ্যেও কয়েকজনের নাম আলোচনায় রয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ এর জোনায়েদ সাকী, ভোলা-৩ এর মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ, বরগুনা-২ এর নুরুল ইসলাম মনি, বরিশাল-১ এর জহির উদ্দিন স্বপন, ভোলা-১ এর ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ এবং পটুয়াখালী-৩ এর নুরুল হক নুর সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন।
টেকনোক্র্যাট হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন নজরুল ইসলাম খান, রুহুল কবির রিজভী, হুমায়ুন কবির, ড. মাহদী আমিন, ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, গিয়াস আহমেদ এবং বিজন কান্তি সরকার। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৬ অনুযায়ী নির্দিষ্ট অনুপাতে সংসদ সদস্য নন এমন ব্যক্তিদের মন্ত্রী করার সুযোগ রয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া বিএনপির জন্য যেমন বড় সুযোগ, তেমনি এটি দায়িত্বও। দলীয় ঐক্য, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে পারলেই নতুন সরকার কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।
এখন নজর শপথ অনুষ্ঠানের দিকে। শপথের পরই স্পষ্ট হবে কারা জায়গা পাচ্ছেন মন্ত্রিসভায় এবং কীভাবে সাজানো হচ্ছে নতুন সরকারের কাঠামো।
দলীয় সূত্র অনুযায়ী, গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের জন্য আলোচনায় আছেন ঠাকুরগাঁও-১ আসনে নির্বাচিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পাশাপাশি তাকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নের সম্ভাবনাও আলোচনায় রয়েছে।
স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্য থেকে আলোচনায় রয়েছেন কুমিল্লা-১ আসনের ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ঢাকা-৩ এর গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৮ এর মির্জা আব্বাস, সিরাজগঞ্জ-২ এর ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, নরসিংদী-২ এর ড. আব্দুল মঈন খান, চট্টগ্রাম-১১ এর আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, কক্সবাজার-১ এর সালাহউদ্দিন আহমদ, দিনাজপুর-৬ এর অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং কুমিল্লা-৩ আসনের কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।
ভাইস চেয়ারম্যান ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে আলোচনায় আছেন কিশোরগঞ্জ-৩ এর ড. ওসমান ফারুক, লালমনিরহাট-৩ এর আসাদুল হাবিব দুলু, নেত্রকোনা-৪ এর লুৎফুজ্জামান বাবর, নেত্রকোনা-১ এর ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, জামালপুর-1 এর রশিদ্দুজ্জামান মিল্লাত, শরীয়তপুর-৩ এর মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, খুলনা-৩ এর রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা-৫ এর আলী আজগর লবি, যশোর-৩ এর অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং ঝিনাইদহ-১ এর অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান।
আরও আলোচনায় আছেন ফেনী-৩ এর আব্দুল আউয়াল মিন্টু, নোয়াখালী-৪ এর মোহাম্মদ শাহজাহান, নোয়াখালী-৩ এর বরকত উল্লাহ বুলু, নোয়াখালী-১ এর ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, লক্ষ্মীপুর-৩ এর শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, নরসিংদী-১ এর খায়রুল কবীর খোকন, নারায়ণগঞ্জ-২ এর নজরুল ইসলাম আজাদ, ঢাকা-১ এর খন্দকার আবু আশফাক এবং মুন্সীগঞ্জ-২ এর অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ।
সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন মানিকগঞ্জ-৩ এর আফরোজা খানম রিতা, পাবনা-৫ এর শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, টাঙ্গাইল-২ এর আব্দুস সালাম পিন্টু, টাঙ্গাইল-৫ এর সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, মাগুরা-১ এর মনোয়ার হোসেন, ফরিদপুর-২ এর শামা ওবায়েদ, গাজীপুর-২ এর মঞ্জুরুল করিম রনি, পঞ্চগড়-১ এর ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, ঠাকুরগাঁও-২ এর ডা. মো. আব্দুস সালাম, নাটোর-২ এর রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, রাজশাহী-২ এর মিজানুর রহমান মিনু, বগুড়া-৫ এর জি এম সিরাজ, হবিগঞ্জ-১ এর ড. রেজা কিবরিয়া, সিলেট-৪ এর আরিফুল হক চৌধুরী, মৌলভীবাজার-৩ এর নাসের রহমান এবং সিলেট-৩ এর এম এ মালেক।
যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের মধ্যেও কয়েকজনের নাম আলোচনায় রয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ এর জোনায়েদ সাকী, ভোলা-৩ এর মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ, বরগুনা-২ এর নুরুল ইসলাম মনি, বরিশাল-১ এর জহির উদ্দিন স্বপন, ভোলা-১ এর ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ এবং পটুয়াখালী-৩ এর নুরুল হক নুর সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন।
টেকনোক্র্যাট হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন নজরুল ইসলাম খান, রুহুল কবির রিজভী, হুমায়ুন কবির, ড. মাহদী আমিন, ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, গিয়াস আহমেদ এবং বিজন কান্তি সরকার। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৬ অনুযায়ী নির্দিষ্ট অনুপাতে সংসদ সদস্য নন এমন ব্যক্তিদের মন্ত্রী করার সুযোগ রয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া বিএনপির জন্য যেমন বড় সুযোগ, তেমনি এটি দায়িত্বও। দলীয় ঐক্য, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে পারলেই নতুন সরকার কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।
এখন নজর শপথ অনুষ্ঠানের দিকে। শপথের পরই স্পষ্ট হবে কারা জায়গা পাচ্ছেন মন্ত্রিসভায় এবং কীভাবে সাজানো হচ্ছে নতুন সরকারের কাঠামো।
...