নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের নতুন সরকার আগামী মঙ্গলবার শপথ নিতে যাচ্ছে। রাজধানীর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। অনুষ্ঠানে অংশ নিতে চীন, ভারত, পাকিস্তানসহ মোট ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
শনিবার রাতে অন্তর্বর্তী সরকারের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী দল বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, আমন্ত্রিত দেশের তালিকায় রয়েছে চীন, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভারত, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটান। এসব দেশের রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধান অথবা উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের উপস্থিতির সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস নিজেই আমন্ত্রণ প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রেখেছেন বলে জানা গেছে। নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানকে আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্ব দিতে এবং ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক সম্পর্কের ভিত্তি শক্ত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয় পায় বিএনপি জোট। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় এককভাবেই সরকার গঠন করতে যাচ্ছে দলটি। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই নতুন মন্ত্রিসভা ও শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। নির্বাচন কমিশন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, আইন মন্ত্রণালয় এবং সরকার গঠন করতে যাওয়া বিএনপির একাধিক সূত্র শপথ অনুষ্ঠানের সময়সূচি নিশ্চিত করেছে।
বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ। সেখানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান শপথ নেবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। একই সঙ্গে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠানও সম্পন্ন হবে।
আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের উপস্থিতি ঘিরে রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিমানবন্দর থেকে অনুষ্ঠানস্থল পর্যন্ত ভিভিআইপি চলাচলের বিশেষ রুট নির্ধারণ, কূটনৈতিক নিরাপত্তা সমন্বয় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বহুমাত্রিক প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, একসঙ্গে ১৩ দেশের সরকারপ্রধান বা উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ বাংলাদেশের কূটনৈতিক অঙ্গনে একটি তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা বহন করে। এটি নতুন সরকারের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ও আস্থার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দক্ষিণ এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর উপস্থিতি আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শ্রমবাজার, জ্বালানি ও অবকাঠামো উন্নয়ন খাতে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে শপথ অনুষ্ঠানের পার্শ্ব বৈঠকে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, শপথ অনুষ্ঠান শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি নতুন সরকারের নীতিগত অঙ্গীকার ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনার সূচনাবিন্দু। তারেক রহমানের ভাষণে গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা, অর্থনৈতিক সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, মঙ্গলবারের শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে দেশের ভেতরে যেমন রাজনৈতিক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, তেমনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তৈরি হয়েছে আগ্রহ। নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে এই অনুষ্ঠান দিয়েই।
শনিবার রাতে অন্তর্বর্তী সরকারের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী দল বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, আমন্ত্রিত দেশের তালিকায় রয়েছে চীন, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভারত, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটান। এসব দেশের রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধান অথবা উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের উপস্থিতির সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস নিজেই আমন্ত্রণ প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রেখেছেন বলে জানা গেছে। নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানকে আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্ব দিতে এবং ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক সম্পর্কের ভিত্তি শক্ত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয় পায় বিএনপি জোট। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় এককভাবেই সরকার গঠন করতে যাচ্ছে দলটি। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই নতুন মন্ত্রিসভা ও শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। নির্বাচন কমিশন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, আইন মন্ত্রণালয় এবং সরকার গঠন করতে যাওয়া বিএনপির একাধিক সূত্র শপথ অনুষ্ঠানের সময়সূচি নিশ্চিত করেছে।
বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ। সেখানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান শপথ নেবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। একই সঙ্গে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠানও সম্পন্ন হবে।
আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের উপস্থিতি ঘিরে রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিমানবন্দর থেকে অনুষ্ঠানস্থল পর্যন্ত ভিভিআইপি চলাচলের বিশেষ রুট নির্ধারণ, কূটনৈতিক নিরাপত্তা সমন্বয় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বহুমাত্রিক প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, একসঙ্গে ১৩ দেশের সরকারপ্রধান বা উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ বাংলাদেশের কূটনৈতিক অঙ্গনে একটি তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা বহন করে। এটি নতুন সরকারের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ও আস্থার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দক্ষিণ এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর উপস্থিতি আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শ্রমবাজার, জ্বালানি ও অবকাঠামো উন্নয়ন খাতে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে শপথ অনুষ্ঠানের পার্শ্ব বৈঠকে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, শপথ অনুষ্ঠান শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি নতুন সরকারের নীতিগত অঙ্গীকার ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনার সূচনাবিন্দু। তারেক রহমানের ভাষণে গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা, অর্থনৈতিক সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, মঙ্গলবারের শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে দেশের ভেতরে যেমন রাজনৈতিক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, তেমনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তৈরি হয়েছে আগ্রহ। নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে এই অনুষ্ঠান দিয়েই।
...