নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধানেরা। বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। ক্ষমতাসীন দল বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানানো হয়, দ্বিতীয় কার্যদিবসে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে যান তারেক রহমান। সেখানে সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
বৈঠকটি ছিল প্রটোকলভিত্তিক সৌজন্য সাক্ষাৎ। এতে সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের সমন্বয়, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা এবং সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বৈঠকে নির্দিষ্ট কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের পর বিএনপি সরকার গঠন করে। গত মঙ্গলবার তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন। এরপর থেকে সরকার প্রশাসনিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছে।
প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তাঁর সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানদের প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সরকারের শুরুর দিকেই এই ধরনের বৈঠক রাষ্ট্র পরিচালনায় ধারাবাহিকতা ও সমন্বয়ের বার্তা দেয়।
এর আগে বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য ও উপদেষ্টাদের নিয়ে প্রথম বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। ওই বৈঠকে নতুন সরকারের পক্ষ থেকে তিনটি অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয়। এগুলো হলো—দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা।
মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাজার তদারকি জোরদার এবং সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সরবরাহ বিঘ্নিত না হয়, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে দ্রুত পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। সরকার মনে করছে, এই তিন খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পারলে সামগ্রিক অর্থনীতি ও জনজীবনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে নতুন সরকারের সঙ্গে সামরিক নেতৃত্বের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ রাষ্ট্রীয় কাঠামোর ধারাবাহিকতা বজায় রাখার অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
সরকারি সূত্রে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতেও রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রী ও সামরিক নেতৃত্বের মধ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বয় অব্যাহত থাকবে। এ ধরনের বৈঠক রাষ্ট্রের সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই অনুষ্ঠিত হয় এবং তা নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানানো হয়, দ্বিতীয় কার্যদিবসে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে যান তারেক রহমান। সেখানে সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
বৈঠকটি ছিল প্রটোকলভিত্তিক সৌজন্য সাক্ষাৎ। এতে সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের সমন্বয়, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা এবং সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বৈঠকে নির্দিষ্ট কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের পর বিএনপি সরকার গঠন করে। গত মঙ্গলবার তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন। এরপর থেকে সরকার প্রশাসনিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছে।
প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তাঁর সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানদের প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সরকারের শুরুর দিকেই এই ধরনের বৈঠক রাষ্ট্র পরিচালনায় ধারাবাহিকতা ও সমন্বয়ের বার্তা দেয়।
এর আগে বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য ও উপদেষ্টাদের নিয়ে প্রথম বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। ওই বৈঠকে নতুন সরকারের পক্ষ থেকে তিনটি অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয়। এগুলো হলো—দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা।
মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাজার তদারকি জোরদার এবং সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সরবরাহ বিঘ্নিত না হয়, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে দ্রুত পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। সরকার মনে করছে, এই তিন খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পারলে সামগ্রিক অর্থনীতি ও জনজীবনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে নতুন সরকারের সঙ্গে সামরিক নেতৃত্বের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ রাষ্ট্রীয় কাঠামোর ধারাবাহিকতা বজায় রাখার অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
সরকারি সূত্রে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতেও রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রী ও সামরিক নেতৃত্বের মধ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বয় অব্যাহত থাকবে। এ ধরনের বৈঠক রাষ্ট্রের সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই অনুষ্ঠিত হয় এবং তা নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ।
...