নিজস্ব প্রতিবেদক
বরিশাল ডেস্ক
দীর্ঘদিন কারাবাসের পর অবশেষে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার প্রভাবশালী নেতা এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গৌতম সমাদ্দার। আজ ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শুক্রবার তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্ত হন। তাঁর মুক্তির সংবাদে পরিবার এবং বানারীপাড়া এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের জোয়ার বয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য যে, বিগত ইউনুস সরকারের 'অপারেশন ডেভিল হান্ট' চলাকালীন তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
গৌতম সমাদ্দার একাধারে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ বানারীপাড়া উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক, বানারীপাড়া কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানের সাধারণ সম্পাদক এবং বিপ্লবী কুমুদ বিহারী গুহ ঠাকুরতা প্রতিষ্ঠিত বানারীপাড়া কেন্দ্রীয় সর্বজনীন মন্দিরের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি ৪নং ওয়ার্ডের বারবার নির্বাচিত কাউন্সিলর এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে পরিচিত। এলাকার সকল সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ তাকে সর্বস্তরের মানুষের কাছে অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য ও প্রিয়ভাজন করে তুলেছে।
গৌতম সমাদ্দার একাধারে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ বানারীপাড়া উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক, বানারীপাড়া কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানের সাধারণ সম্পাদক এবং বিপ্লবী কুমুদ বিহারী গুহ ঠাকুরতা প্রতিষ্ঠিত বানারীপাড়া কেন্দ্রীয় সর্বজনীন মন্দিরের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি ৪নং ওয়ার্ডের বারবার নির্বাচিত কাউন্সিলর এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে পরিচিত। এলাকার সকল সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ তাকে সর্বস্তরের মানুষের কাছে অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য ও প্রিয়ভাজন করে তুলেছে।
সামাজিক ও ধর্মীয় ক্ষেত্রে অবদান
গৌতম সমাদ্দার কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং তিনি এলাকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিপ্লবী কুমুদ ঠাকুরতার স্মৃতিসৌধ সংরক্ষণ, কেন্দ্রীয় মন্দিরের উন্নয়ন এবং মহাশ্মশানের সার্বিক সংস্কারে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। উপজেলার প্রতিটি মন্দিরের ধর্মীয় অনুষ্ঠান সুচারুভাবে পালনে তিনি সবসময় আর্থিক ও মানসিক সহযোগিতা প্রদান করেছেন। তাঁর এই মানবিক গুণাবলির কারণেই কারাবন্দী থাকাকালীন সাধারণ মানুষ তাঁর প্রতি ব্যাপক সহানুভূতি প্রকাশ করেছিল।সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া অঙ্গনে পদচারণা
রাজনীতি ও ব্যবসার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও গৌতম সমাদ্দারের বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। এক সময় তিনি দক্ষ তবলা বাদক হিসেবে বানারীপাড়ার সাংস্কৃতিক অঙ্গন মাতিয়ে রাখতেন। ক্রীড়া ক্ষেত্রেও তাঁর বিশেষ ভূমিকা লক্ষ্য করা যায়। তাঁর মুক্তিতে সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষ আনন্দ প্রকাশ করেছেন। এলাকাবাসীর মতে, গৌতম সমাদ্দারের অনুপস্থিতিতে স্থানীয় উন্নয়ন এবং সামাজিক কার্যক্রমে যে স্থবিরতা তৈরি হয়েছিল, তাঁর ফিরে আসার মাধ্যমে তা আবার গতিশীল হবে।
...