নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল ঘোষণা অব্যাহত রয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ২৫৮টি আসনের বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত সাতজন নারী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মোট নারী প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ৮৪। তাঁদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সাতজন বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন।
মানিকগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী আফরোজা খানম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ সাইদ নূর পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২৪২ ভোট।
ঝালকাঠি-2 আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো ১ লাখ ১৩ হাজার ১০০ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। জামায়াতের প্রার্থী এস এম নেয়ামুল করিম পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৮০৫ ভোট।
সিলেট-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর (লুনা) ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৫৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৬৩৫ ভোট। সিলেট জেলার ছয়টি আসনের ৩৩ প্রার্থীর মধ্যে তিনিই একমাত্র নারী প্রার্থী ছিলেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা হাঁস প্রতীকে ১ লাখ ১৭ হাজার ৪৯৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি বিএনপি জোটের প্রার্থীকে ৩৭ হাজার ৫৬৮ ভোটে পরাজিত করেন।
এ ছাড়া নাটোর-১ আসনে বিএনপির ফারজানা শারমিন, ফরিদপুর-২ আসনে শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং ফরিদপুর-৩ আসনে নায়াব ইউসুফ আহমেদ বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন।
এবারের নির্বাচনে ৩০০ আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন ২ হাজার ১৭ জন। তাঁদের মধ্যে নারী প্রার্থী ছিলেন ৮৪ জন, যা মোট প্রার্থীর প্রায় ৪ শতাংশ। দলের হয়ে প্রার্থী হয়েছেন ৬৬ জন নারী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন ১৯ জন। এ ছাড়া একজন প্রার্থী ছিলেন হিজড়া জনগোষ্ঠীর।
হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নারী প্রার্থীদের প্রায় ৭৫ শতাংশ স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী। ২৫ থেকে ৩৯ বছর বয়সী প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ৩২ জন। পেশাগত বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রায় ৬৭ শতাংশ নারী প্রার্থী কর্মজীবী।
নির্বাচনে নারীদের এই অংশগ্রহণ ও বিজয়কে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তবে মোট প্রার্থীর তুলনায় নারী অংশগ্রহণ এখনো সীমিত বলেও মত দিয়েছেন তারা।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মোট নারী প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ৮৪। তাঁদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সাতজন বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন।
মানিকগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী আফরোজা খানম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ সাইদ নূর পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২৪২ ভোট।
ঝালকাঠি-2 আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো ১ লাখ ১৩ হাজার ১০০ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। জামায়াতের প্রার্থী এস এম নেয়ামুল করিম পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৮০৫ ভোট।
সিলেট-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর (লুনা) ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৫৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৬৩৫ ভোট। সিলেট জেলার ছয়টি আসনের ৩৩ প্রার্থীর মধ্যে তিনিই একমাত্র নারী প্রার্থী ছিলেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা হাঁস প্রতীকে ১ লাখ ১৭ হাজার ৪৯৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি বিএনপি জোটের প্রার্থীকে ৩৭ হাজার ৫৬৮ ভোটে পরাজিত করেন।
এ ছাড়া নাটোর-১ আসনে বিএনপির ফারজানা শারমিন, ফরিদপুর-২ আসনে শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং ফরিদপুর-৩ আসনে নায়াব ইউসুফ আহমেদ বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন।
এবারের নির্বাচনে ৩০০ আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন ২ হাজার ১৭ জন। তাঁদের মধ্যে নারী প্রার্থী ছিলেন ৮৪ জন, যা মোট প্রার্থীর প্রায় ৪ শতাংশ। দলের হয়ে প্রার্থী হয়েছেন ৬৬ জন নারী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন ১৯ জন। এ ছাড়া একজন প্রার্থী ছিলেন হিজড়া জনগোষ্ঠীর।
হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নারী প্রার্থীদের প্রায় ৭৫ শতাংশ স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী। ২৫ থেকে ৩৯ বছর বয়সী প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ৩২ জন। পেশাগত বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রায় ৬৭ শতাংশ নারী প্রার্থী কর্মজীবী।
নির্বাচনে নারীদের এই অংশগ্রহণ ও বিজয়কে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তবে মোট প্রার্থীর তুলনায় নারী অংশগ্রহণ এখনো সীমিত বলেও মত দিয়েছেন তারা।
...