সংশ্লিষ্ট সূত্র ও বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে জানা গেছে, ‘পরিণীতা’ ছবির কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রটির জন্য প্রাথমিকভাবে ভাবা হয়েছিল বলিউডের তৎকালীন শীর্ষ অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই-এর নাম। চরিত্রটির পরিপক্বতা, অভিজাত উপস্থিতি ও আবেগী গভীরতার কারণে তাঁকেই উপযুক্ত মনে করেছিলেন নির্মাতারা।
তবে সময়সূচি, পারিশ্রমিক ও অন্যান্য প্রযোজনা-সংক্রান্ত কারণে শেষ পর্যন্ত ঐশ্বরিয়া রাই ছবিটিতে যুক্ত হননি। এরপর নতুন মুখ হিসেবে সুযোগ পান বিদ্যা বালান।
২০০৫ সালে মুক্তি পাওয়া এই ছবির মাধ্যমেই বলিউডে শক্ত অবস্থান তৈরি করেন বিদ্যা বালান। ‘পরিণীতা’ শুধু তাঁর অভিনয়জীবনের সূচনা নয়, বরং তাঁকে ভিন্নধারার নারী চরিত্রের প্রতীক হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করে।
সমালোচকরা মনে করেন, শেষ পর্যন্ত বিদ্যা বালানকেই এই চরিত্রে নেওয়ার সিদ্ধান্ত ছবিটির জন্য সুফল বয়ে আনে। তাঁর সংবেদনশীল অভিনয় ও স্বাভাবিক অভিব্যক্তি ‘ললিতা’ চরিত্রটিকে দর্শকের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে দেয়।
আজও ‘পরিণীতা’ নিয়ে আলোচনা হলে এই তথ্য নতুন করে আলোচনায় আসে—একটি চরিত্রে অভিনেতা নির্বাচন কখনো কখনো পুরো ছবির ভাগ্যই বদলে দিতে পারে।