
সনাতনপত্র ডেস্ক
অনলাইন বিভাগ
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। গত ছয় সপ্তাহের মধ্যে তেলের দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে বর্তমানে প্রতি ব্যারেল বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৯৬ ডলারে। বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্ত এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
বিশ্ববাজারে প্রধানত ব্রেন্ট ক্রুড এবং ডব্লিউটিআই ক্রুড অয়েলের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। ওপেক প্লাস (OPEC+) ভুক্ত দেশগুলোর অপরিশোধিত তেল উত্তোলন হ্রাসের নীতির কারণে বাজারে সরবরাহের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। জ্বালানি তেলের এই লাগামহীন দাম বৃদ্ধির ফলে আমদানিনির্ভর দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, শীতের মৌসুম সামনে রেখে জ্বালানির চাহিদা আরও বাড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে যদি প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো তাদের উৎপাদন বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত না নেয়, তবে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম খুব দ্রুত ১০০ ডলারের মনস্তাত্ত্বিক বাধাও অতিক্রম করতে পারে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের জটিলতা তেলের বাজারকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলছে।
বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য জ্বালানি তেলের এই মূল্যবৃদ্ধি বড় ধরনের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবহন খাত এবং শিল্প কারখানায় জ্বালানির খরচ বেড়ে যাওয়ার ফলে পণ্যের উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পাবে, যা শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের ওপর মুদ্রাস্ফীতির বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে। সরকারের নীতিনির্ধারক মহল ইতোমধ্যে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি আমদানির বিষয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বিশ্ববাজারের এই অস্থিরতার ওপর নিবিড় নজর রাখছে বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অর্থনৈতিক সংস্থাগুলো। জ্বালানি তেলের দামের এই ঊর্ধ্বগতি রোধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে কোনো বড় ধরনের কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হয় কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতি বজায় থাকলে বিশ্বজুড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশ্ববাজারে প্রধানত ব্রেন্ট ক্রুড এবং ডব্লিউটিআই ক্রুড অয়েলের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। ওপেক প্লাস (OPEC+) ভুক্ত দেশগুলোর অপরিশোধিত তেল উত্তোলন হ্রাসের নীতির কারণে বাজারে সরবরাহের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। জ্বালানি তেলের এই লাগামহীন দাম বৃদ্ধির ফলে আমদানিনির্ভর দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, শীতের মৌসুম সামনে রেখে জ্বালানির চাহিদা আরও বাড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে যদি প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো তাদের উৎপাদন বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত না নেয়, তবে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম খুব দ্রুত ১০০ ডলারের মনস্তাত্ত্বিক বাধাও অতিক্রম করতে পারে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের জটিলতা তেলের বাজারকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলছে।
বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য জ্বালানি তেলের এই মূল্যবৃদ্ধি বড় ধরনের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবহন খাত এবং শিল্প কারখানায় জ্বালানির খরচ বেড়ে যাওয়ার ফলে পণ্যের উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পাবে, যা শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের ওপর মুদ্রাস্ফীতির বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে। সরকারের নীতিনির্ধারক মহল ইতোমধ্যে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি আমদানির বিষয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বিশ্ববাজারের এই অস্থিরতার ওপর নিবিড় নজর রাখছে বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অর্থনৈতিক সংস্থাগুলো। জ্বালানি তেলের দামের এই ঊর্ধ্বগতি রোধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে কোনো বড় ধরনের কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হয় কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতি বজায় থাকলে বিশ্বজুড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রকাশ তারিখ: বর্তমান তারিখ
...