অচিন জ্বর
অচিন জ্বর:
বুঝলাম মহাশূন্যে ভেসে ভেসে....
তোমার বিচরণ।
তুমি আমার সেই আদিম স্বত্বা যাকে খুঁজতে খুঁজতে কাটিয়ে দিলাম এক হাজার কোটি বছর অযুত-নিযুত কাল।
আহা!তোমার বিচরণ!
যেনো দেহের খামতি ধুয়ে তুমি আত্মার অন্তিম সজ্জায়
মগজের আদ্যপান্ত ছুঁয়ে পুলসিরাতে হলো সঙ্গম।
তোমার সনে....
অথচ,দেখো খুঁজে খুঁজে আজ আমি কতোটা ক্লান্ত
পরিশ্রান্ত হয়ে দেখি....
আমার ভেতরের তুমি'টা শান্ত মনে মুখ গুজে আছো আমার বুকের খাঁজে।
নুরের ধারার মতো নিঃশব্দে হেটে গেছো....
চুপিচুপি বলে গেছো কথা মহুয়ার বৃন্দারণে।
সেই চুপকথা'তে কান পেতে শুনতে পাই ণি তোমায়।
তাই নিজেরে হারিয়ে খুঁজি তোমায় কোন কাবায়?
তোমার মহাশূন্য....
আমার সৌরজগতে এক্কাদোক্কা খেলার ইতিহাসে তুমি আমার সেই প্রেমের পদাবলী যারে ছুঁতে ছুঁতে আমি পৌঁছে যাই প্রতিমার ছায়ায়....
নুরের ধারা হয়ে ফিরি....
তৃপতিনী নেশায়।
জেনে গেছি....মনের আঙিনায় দেহ এক কয়েদখানা....
যেখানে উন্মুক্ত মগজ ঘুরে বেড়ায় খুলির বেষ্টনী'তে....
এদিকে,আত্মার ভাঁজে ভাঁজে তোমার কেবলা ধর্ম হয়ে ঘোরে।
আমি বলি ওটা ধর্ম ণয়....
তোমারে ভালোবাসার জন্য এক অকাট্য বেড়ি....
যে বেড়ির ফাঁদে পড়ে হারাতে হয় তৃপ্তির ঢেঁকুর।
মহাশূন্যে কোনো বেড়ি ণেই বলে....
আত্মার মুক্তি'তে মানুষ আজো অতৃপ্ত হয়ে জগৎ সংসারে ঘুরছে আর ভুগছে অচিন জ্বরে।
©নাজিয়া নিগার রোহিনী
...