অনলাইন ডেস্ক
সনাতন পত্র
দীর্ঘ বিরতির কারণে ওয়ানডে ফরম্যাটে দলের ছন্দে প্রভাব পড়েছে বলে স্বীকার করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। তাঁর ভাষ্য, নিয়মিত ম্যাচ খেলার সুযোগ না থাকলে পারফরম্যান্সে তার প্রভাব পড়াটা অস্বাভাবিক নয়।
২ মার্চ ২০২৬ রাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মিরাজ বলেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে গত বছর দলের প্রধান মনোযোগ ছিল সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে। ফলে ওয়ানডেতে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ সময় বিরতিতে থাকার কারণে ম্যাচ প্র্যাকটিস কমে যায়, যা ব্যাটিং ও বোলিং—দুই বিভাগেই প্রভাব ফেলেছে।
গত বছরে বাংলাদেশ মাত্র তিনটি ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হার এবং আফগানিস্তানের কাছে ৩-০ ব্যবধানে পরাজয় দলের জন্য হতাশার ছিল। একমাত্র সাফল্য আসে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয়ে। তবে সামগ্রিক চিত্রে ধারাবাহিকতা ছিল না।
অক্টোবরের পর প্রায় পাঁচ মাস ওয়ানডে ম্যাচ খেলেনি বাংলাদেশ দল। এই দীর্ঘ বিরতি খেলোয়াড়দের ম্যাচ রিদমে প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করেন অধিনায়ক। তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিয়মিত প্রতিযোগিতার মধ্যে না থাকলে আত্মবিশ্বাস ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার গতি দুটোই কমে যায়।
চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে আবারও এই ফরম্যাটে ফিরছে বাংলাদেশ। ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জনের লক্ষ্যে এখন প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। পয়েন্ট টেবিলে অবস্থান ধরে রাখতে হলে ধারাবাহিক সাফল্যের বিকল্প নেই।
মিরাজ বলেন, অস্বীকার করার উপায় নেই যে ওয়ানডে ফর্মে কিছুটা ভাটা পড়েছে। তবে দল হিসেবে আমরা জানি কোথায় ঘাটতি আছে। ব্যাটিংয়ে বড় ইনিংস গড়া এবং বোলিংয়ে মাঝের ওভারে চাপ তৈরি করা—এই দুটি জায়গায় উন্নতি প্রয়োজন।
পাকিস্তান সিরিজের আগে ঘরোয়া বিসিএল ওয়ানডে টুর্নামেন্টকে প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে দেখছেন অধিনায়ক। তিনি জানান, বিসিএলে ভালো উইকেটে খেলার সুযোগ হয়েছে। একটি ম্যাচে ৩২২ রান তাড়া করে জয় এসেছে এবং একাধিক ম্যাচে ৩০০ রানের বেশি স্কোর হয়েছে। এই অভিজ্ঞতা ব্যাটারদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।
তাঁর মতে, ঘরোয়া ক্রিকেটে বড় স্কোরের ম্যাচগুলো আন্তর্জাতিক মঞ্চের জন্য ইতিবাচক বার্তা দেয়। কারণ এতে ব্যাটাররা দীর্ঘ সময় উইকেটে থাকার অভ্যাস গড়ে তোলে এবং চাপে রান তোলার কৌশল শিখতে পারে।
বোলিং বিভাগ নিয়েও আশাবাদী মিরাজ। তিনি বলেন, নতুন বলে উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি মাঝের ওভারে রান নিয়ন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ। ওয়ানডে ক্রিকেটে ম্যাচ জিততে হলে তিনটি বিভাগেই ভারসাম্য দরকার।
দলগতভাবে ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘ বিরতির পর আন্তর্জাতিক সিরিজে ফিরতে গেলে দ্রুত মানিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। পাকিস্তানের মতো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সিরিজটি তাই পরীক্ষার মঞ্চ হিসেবেই দেখছেন দলের অধিনায়ক।
সামনে ব্যস্ত সূচি থাকায় নিয়মিত ওয়ানডে খেলার সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মিরাজের ভাষায়, ধারাবাহিক ম্যাচ খেলতে পারলে ছন্দ ফিরে পাওয়া কঠিন নয়। লক্ষ্য একটাই—২০২৭ বিশ্বকাপের আগে দলকে আবারও শক্তিশালী ওয়ানডে ইউনিট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।
২ মার্চ ২০২৬ রাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মিরাজ বলেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে গত বছর দলের প্রধান মনোযোগ ছিল সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে। ফলে ওয়ানডেতে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ সময় বিরতিতে থাকার কারণে ম্যাচ প্র্যাকটিস কমে যায়, যা ব্যাটিং ও বোলিং—দুই বিভাগেই প্রভাব ফেলেছে।
গত বছরে বাংলাদেশ মাত্র তিনটি ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হার এবং আফগানিস্তানের কাছে ৩-০ ব্যবধানে পরাজয় দলের জন্য হতাশার ছিল। একমাত্র সাফল্য আসে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয়ে। তবে সামগ্রিক চিত্রে ধারাবাহিকতা ছিল না।
অক্টোবরের পর প্রায় পাঁচ মাস ওয়ানডে ম্যাচ খেলেনি বাংলাদেশ দল। এই দীর্ঘ বিরতি খেলোয়াড়দের ম্যাচ রিদমে প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করেন অধিনায়ক। তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিয়মিত প্রতিযোগিতার মধ্যে না থাকলে আত্মবিশ্বাস ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার গতি দুটোই কমে যায়।
চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে আবারও এই ফরম্যাটে ফিরছে বাংলাদেশ। ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জনের লক্ষ্যে এখন প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। পয়েন্ট টেবিলে অবস্থান ধরে রাখতে হলে ধারাবাহিক সাফল্যের বিকল্প নেই।
মিরাজ বলেন, অস্বীকার করার উপায় নেই যে ওয়ানডে ফর্মে কিছুটা ভাটা পড়েছে। তবে দল হিসেবে আমরা জানি কোথায় ঘাটতি আছে। ব্যাটিংয়ে বড় ইনিংস গড়া এবং বোলিংয়ে মাঝের ওভারে চাপ তৈরি করা—এই দুটি জায়গায় উন্নতি প্রয়োজন।
| বিষয় | তথ্য | প্রতিপক্ষ | ফলাফল |
| ওয়ানডে সিরিজ | গত বছর | শ্রীলঙ্কা | বাংলাদেশ ১-২ হারে |
| ওয়ানডে সিরিজ | গত বছর | আফগানিস্তান | বাংলাদেশ ০-৩ হারে |
| ওয়ানডে সিরিজ | ঘরের মাঠ | ওয়েস্ট ইন্ডিজ | বাংলাদেশ ২-১ জিতে |
তাঁর মতে, ঘরোয়া ক্রিকেটে বড় স্কোরের ম্যাচগুলো আন্তর্জাতিক মঞ্চের জন্য ইতিবাচক বার্তা দেয়। কারণ এতে ব্যাটাররা দীর্ঘ সময় উইকেটে থাকার অভ্যাস গড়ে তোলে এবং চাপে রান তোলার কৌশল শিখতে পারে।
বোলিং বিভাগ নিয়েও আশাবাদী মিরাজ। তিনি বলেন, নতুন বলে উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি মাঝের ওভারে রান নিয়ন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ। ওয়ানডে ক্রিকেটে ম্যাচ জিততে হলে তিনটি বিভাগেই ভারসাম্য দরকার।
দলগতভাবে ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘ বিরতির পর আন্তর্জাতিক সিরিজে ফিরতে গেলে দ্রুত মানিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। পাকিস্তানের মতো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সিরিজটি তাই পরীক্ষার মঞ্চ হিসেবেই দেখছেন দলের অধিনায়ক।
সামনে ব্যস্ত সূচি থাকায় নিয়মিত ওয়ানডে খেলার সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মিরাজের ভাষায়, ধারাবাহিক ম্যাচ খেলতে পারলে ছন্দ ফিরে পাওয়া কঠিন নয়। লক্ষ্য একটাই—২০২৭ বিশ্বকাপের আগে দলকে আবারও শক্তিশালী ওয়ানডে ইউনিট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।
প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ০২ মার্চ ২০২৬
...