নিজস্ব প্রতিবেদক
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার এক বিধবা নারী অভিযোগ করেছেন, ক্ষুদ্র ঋণ অনুমোদনের কথা বলে স্থানীয় একটি উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের এক কর্মকর্তা তাকে আবাসিক হোটেলে যাওয়ার প্রস্তাব দেন এবং অতিরিক্ত অর্থ দাবি করেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
অভিযোগকারী নারী জানান, স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি ছোট ব্যবসার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করছেন। ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য প্রথমে একটি ফাউন্ডেশন থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ নেন এবং নিয়মিত কিস্তির মাধ্যমে তা পরিশোধ করেন। পরে আরও এক লাখ টাকা ঋণের আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ হয়।
তাঁর দাবি, ঋণ অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত অর্থের পাশাপাশি আপত্তিকর প্রস্তাব দেওয়া হয়। তিনি প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ঋণ প্রক্রিয়া বিলম্বিত করা হয় বলে অভিযোগ করেন। বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা শুরু হয়।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ ভিত্তিহীন। তিনি দাবি করেন, কোনো অতিরিক্ত অর্থ বা অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। বরং ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের পর বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। কিছু ব্যক্তি সামাজিক মাধ্যমে ঘটনাটি তুলে ধরেন। তবে এ ঘটনায় আনুষ্ঠানিকভাবে থানায় মামলা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।
সংশ্লিষ্ট ফাউন্ডেশনের দায়িত্বশীল একজন জানান, অভিযোগের বিষয়টি তারা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন। প্রয়োজন হলে অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, ঋণ বা আর্থিক সহায়তার প্রলোভন দেখিয়ে কোনো ধরনের অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়া হলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ধরনের অভিযোগ নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করা জরুরি।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তিনি বলেন, “আমি ন্যায়বিচার চাই। যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো নারী এভাবে হয়রানির শিকার না হন।”
বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যুক্ত করা হবে।
অভিযোগকারী নারী জানান, স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি ছোট ব্যবসার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করছেন। ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য প্রথমে একটি ফাউন্ডেশন থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ নেন এবং নিয়মিত কিস্তির মাধ্যমে তা পরিশোধ করেন। পরে আরও এক লাখ টাকা ঋণের আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ হয়।
তাঁর দাবি, ঋণ অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত অর্থের পাশাপাশি আপত্তিকর প্রস্তাব দেওয়া হয়। তিনি প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ঋণ প্রক্রিয়া বিলম্বিত করা হয় বলে অভিযোগ করেন। বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা শুরু হয়।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ ভিত্তিহীন। তিনি দাবি করেন, কোনো অতিরিক্ত অর্থ বা অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। বরং ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের পর বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। কিছু ব্যক্তি সামাজিক মাধ্যমে ঘটনাটি তুলে ধরেন। তবে এ ঘটনায় আনুষ্ঠানিকভাবে থানায় মামলা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।
সংশ্লিষ্ট ফাউন্ডেশনের দায়িত্বশীল একজন জানান, অভিযোগের বিষয়টি তারা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন। প্রয়োজন হলে অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, ঋণ বা আর্থিক সহায়তার প্রলোভন দেখিয়ে কোনো ধরনের অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়া হলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ধরনের অভিযোগ নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করা জরুরি।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তিনি বলেন, “আমি ন্যায়বিচার চাই। যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো নারী এভাবে হয়রানির শিকার না হন।”
বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যুক্ত করা হবে।
প্রকাশ: ০৩ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ০৩ মার্চ ২০২৬
...