অনলাইন ডেস্ক
সনাতন পত্র
বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পে নতুন জনবল নিয়োগের ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থ বিভাগের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত “স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম (এসআইসিআইপি)” প্রকল্পের প্রোগ্রাম ইমপ্লিমেন্টেশন ইউনিটে (পিআইইউ) চারটি পদে দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নিয়োগ দিবে। সংশ্লিষ্ট নিয়োগ কার্যক্রমটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআইএ)।
প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মোট চারটি ক্যাটাগরিতে একজন করে প্রার্থী নিয়োগ দেওয়া হবে। এসব পদে কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং উচ্চশিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী ১২ মার্চ ২০২৬ তারিখের মধ্যে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
সরকারের এই প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য দেশের শিল্পখাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলা। বিশেষ করে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পসহ আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক খাতে দক্ষ কর্মী তৈরি করা এবং শিল্পখাতে উদ্ভাবন বাড়ানোই এই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য। এরই অংশ হিসেবে প্রকল্প বাস্তবায়ন ইউনিটে অভিজ্ঞ জনবল যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রথম পদটি হলো চিফ কো–অর্ডিনেটর। এই পদে একজন প্রার্থী নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রার্থীর যেকোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি থাকতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১৫ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কোনো প্রশিক্ষণকেন্দ্র, দক্ষতা উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান বা বড় প্রকল্পের প্রধান হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলে তা অতিরিক্ত যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এই পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম সমন্বয় করবেন এবং বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করবেন।
দ্বিতীয় পদটি হলো কো–অর্ডিনেটর: ট্রেনিং, অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড মনিটরিং। এই পদেও একজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এই পদের জন্য প্রার্থীর যেকোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি থাকতে হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত ১০ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাপনা অথবা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের অভিজ্ঞতা থাকলে প্রার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন। এই পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির মূল কাজ হবে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিকল্পনা করা, মূল্যায়ন ব্যবস্থা পরিচালনা করা এবং প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা।
তৃতীয় পদটি হলো কো–অর্ডিনেটর: ফাইন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট। এই পদেও একজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রার্থীর হিসাববিজ্ঞান বা ফিন্যান্স বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে অথবা ফিন্যান্স বা অ্যাকাউন্টিং বিষয়ে এমবিএ ডিগ্রি থাকতে হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত ১০ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকা আবশ্যক। প্রার্থীর কম্পিউটার ব্যবহারে দক্ষতা থাকতে হবে এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা, বাজেট প্রস্তুত, আর্থিক প্রতিবেদন তৈরি এবং ক্রয় সংক্রান্ত কাজে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। প্রকল্পের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য এই পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।
চতুর্থ পদটি হলো কো–অর্ডিনেটর: জব প্লেসমেন্ট অ্যান্ড ডেটাবেজ। এই পদেও একজন প্রার্থী নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রার্থীর যেকোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি থাকতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত ১০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বিশেষ করে ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনা, চাকরির বাজার বিশ্লেষণ এবং দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলে তা অগ্রাধিকার পাবে। এই পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের চাকরি পাওয়ার সুযোগ তৈরি করা এবং সংশ্লিষ্ট তথ্যভান্ডার পরিচালনার কাজ করবেন।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদনপত্রের সঙ্গে তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, কাজের অভিজ্ঞতা এবং প্রয়োজনীয় দক্ষতার প্রমাণ হিসেবে প্রয়োজনীয় সব নথিপত্র সংযুক্ত করতে হবে। আবেদনপত্রটি একটি এ–ফোর সাইজের খামে ভরে নির্ধারিত ঠিকানায় পাঠাতে হবে।
খামের ওপর প্রার্থীর যোগাযোগের ঠিকানা, ই–মেইল এবং মোবাইল নম্বর স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। এছাড়া খামের ওপর যে পদের জন্য আবেদন করা হচ্ছে সেই পদের নামও স্পষ্টভাবে লিখতে হবে। আবেদনপত্র অবশ্যই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে পৌঁছাতে হবে।
আবেদন পাঠানোর ঠিকানা হলো— এক্সিকিউটিভ প্রোগ্রাম ডিরেক্টর, স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম (এসআইসিআইপি), প্রবাসীকল্যাণ ভবন (১৪–১৫ তলা), ৭১–৭২ ইস্কাটন গার্ডেন, রমনা, ঢাকা–১০০০।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ১২ মার্চ ২০২৬, বেলা তিনটা পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের পরে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। তাই আগ্রহী প্রার্থীদের সময়মতো আবেদনপত্র জমা দেওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শিল্পখাতে দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিভিত্তিক কর্মসংস্থান বাড়ানোর জন্য এই ধরনের প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশে সেমিকন্ডাক্টর ও উচ্চপ্রযুক্তি শিল্পের বিকাশের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার বিকল্প নেই। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত এসআইসিআইপি প্রকল্প ইতোমধ্যে দেশের শিল্পখাতে দক্ষ কর্মী তৈরিতে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, দক্ষতা মূল্যায়ন, শিল্পের সঙ্গে সমন্বয় এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির মাধ্যমে এই প্রকল্প দেশের প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই নিয়োগের মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়ন ইউনিটকে আরও শক্তিশালী করা হবে। দক্ষ ও অভিজ্ঞ জনবল যুক্ত হলে প্রকল্পের কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে এবং শিল্পখাতে দক্ষ জনশক্তি তৈরির লক্ষ্য পূরণে গতি আসবে।
চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন প্রকল্প, দক্ষতা উন্নয়ন বা শিল্পখাতে কাজ করছেন, তারা এই নিয়োগে অংশ নিতে পারেন।
প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মোট চারটি ক্যাটাগরিতে একজন করে প্রার্থী নিয়োগ দেওয়া হবে। এসব পদে কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং উচ্চশিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী ১২ মার্চ ২০২৬ তারিখের মধ্যে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
সরকারের এই প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য দেশের শিল্পখাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলা। বিশেষ করে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পসহ আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক খাতে দক্ষ কর্মী তৈরি করা এবং শিল্পখাতে উদ্ভাবন বাড়ানোই এই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য। এরই অংশ হিসেবে প্রকল্প বাস্তবায়ন ইউনিটে অভিজ্ঞ জনবল যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রথম পদটি হলো চিফ কো–অর্ডিনেটর। এই পদে একজন প্রার্থী নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রার্থীর যেকোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি থাকতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১৫ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কোনো প্রশিক্ষণকেন্দ্র, দক্ষতা উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান বা বড় প্রকল্পের প্রধান হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলে তা অতিরিক্ত যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এই পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম সমন্বয় করবেন এবং বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করবেন।
দ্বিতীয় পদটি হলো কো–অর্ডিনেটর: ট্রেনিং, অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড মনিটরিং। এই পদেও একজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এই পদের জন্য প্রার্থীর যেকোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি থাকতে হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত ১০ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাপনা অথবা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের অভিজ্ঞতা থাকলে প্রার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন। এই পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির মূল কাজ হবে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিকল্পনা করা, মূল্যায়ন ব্যবস্থা পরিচালনা করা এবং প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা।
তৃতীয় পদটি হলো কো–অর্ডিনেটর: ফাইন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট। এই পদেও একজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রার্থীর হিসাববিজ্ঞান বা ফিন্যান্স বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে অথবা ফিন্যান্স বা অ্যাকাউন্টিং বিষয়ে এমবিএ ডিগ্রি থাকতে হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত ১০ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকা আবশ্যক। প্রার্থীর কম্পিউটার ব্যবহারে দক্ষতা থাকতে হবে এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা, বাজেট প্রস্তুত, আর্থিক প্রতিবেদন তৈরি এবং ক্রয় সংক্রান্ত কাজে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। প্রকল্পের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য এই পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।
চতুর্থ পদটি হলো কো–অর্ডিনেটর: জব প্লেসমেন্ট অ্যান্ড ডেটাবেজ। এই পদেও একজন প্রার্থী নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রার্থীর যেকোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি থাকতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত ১০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বিশেষ করে ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনা, চাকরির বাজার বিশ্লেষণ এবং দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলে তা অগ্রাধিকার পাবে। এই পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের চাকরি পাওয়ার সুযোগ তৈরি করা এবং সংশ্লিষ্ট তথ্যভান্ডার পরিচালনার কাজ করবেন।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদনপত্রের সঙ্গে তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, কাজের অভিজ্ঞতা এবং প্রয়োজনীয় দক্ষতার প্রমাণ হিসেবে প্রয়োজনীয় সব নথিপত্র সংযুক্ত করতে হবে। আবেদনপত্রটি একটি এ–ফোর সাইজের খামে ভরে নির্ধারিত ঠিকানায় পাঠাতে হবে।
খামের ওপর প্রার্থীর যোগাযোগের ঠিকানা, ই–মেইল এবং মোবাইল নম্বর স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। এছাড়া খামের ওপর যে পদের জন্য আবেদন করা হচ্ছে সেই পদের নামও স্পষ্টভাবে লিখতে হবে। আবেদনপত্র অবশ্যই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে পৌঁছাতে হবে।
আবেদন পাঠানোর ঠিকানা হলো— এক্সিকিউটিভ প্রোগ্রাম ডিরেক্টর, স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম (এসআইসিআইপি), প্রবাসীকল্যাণ ভবন (১৪–১৫ তলা), ৭১–৭২ ইস্কাটন গার্ডেন, রমনা, ঢাকা–১০০০।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ১২ মার্চ ২০২৬, বেলা তিনটা পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের পরে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। তাই আগ্রহী প্রার্থীদের সময়মতো আবেদনপত্র জমা দেওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শিল্পখাতে দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিভিত্তিক কর্মসংস্থান বাড়ানোর জন্য এই ধরনের প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশে সেমিকন্ডাক্টর ও উচ্চপ্রযুক্তি শিল্পের বিকাশের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার বিকল্প নেই। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
| পদের নাম | পদসংখ্যা | শিক্ষাগত যোগ্যতা | অভিজ্ঞতা |
| চিফ কো–অর্ডিনেটর | ০১ | যেকোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর বা বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং | সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা |
| কো–অর্ডিনেটর: ট্রেনিং, অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড মনিটরিং | ০১ | যেকোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর বা বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং | কমপক্ষে ১০ বছরের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা উন্নয়ন ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার |
| কো–অর্ডিনেটর: ফাইন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট | ০১ | হিসাববিজ্ঞান বা ফিন্যান্সে স্নাতকোত্তর / এমবিএ (ফিন্যান্স বা অ্যাকাউন্টিং) | কমপক্ষে ১০ বছরের অভিজ্ঞতা, ফিন্যান্স ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা |
| কো–অর্ডিনেটর: জব প্লেসমেন্ট অ্যান্ড ডেটাবেজ | ০১ | যেকোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর বা বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং | কমপক্ষে ১০ বছরের অভিজ্ঞতা, ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা |
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত এসআইসিআইপি প্রকল্প ইতোমধ্যে দেশের শিল্পখাতে দক্ষ কর্মী তৈরিতে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, দক্ষতা মূল্যায়ন, শিল্পের সঙ্গে সমন্বয় এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির মাধ্যমে এই প্রকল্প দেশের প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই নিয়োগের মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়ন ইউনিটকে আরও শক্তিশালী করা হবে। দক্ষ ও অভিজ্ঞ জনবল যুক্ত হলে প্রকল্পের কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে এবং শিল্পখাতে দক্ষ জনশক্তি তৈরির লক্ষ্য পূরণে গতি আসবে।
চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন প্রকল্প, দক্ষতা উন্নয়ন বা শিল্পখাতে কাজ করছেন, তারা এই নিয়োগে অংশ নিতে পারেন।
প্রকাশ: ৭ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: এখন সময়
...