নিজস্ব প্রতিবেদক
সনাতন পত্র
বিশ্বের প্রাচীনতম শহর বারাণসীতে শুরু হয়েছে এক অনন্য এবং শিহরণ জাগানো উৎসব—'মশান হোলি' বা 'চিতাভস্মের হোলি'। সাধারণ মানুষ যখন রঙ আর আবিরে মেতে ওঠে, তখন উত্তরপ্রদেশের বারাণসীর মণিকর্ণিকা ঘাটে দেখা যায় এক ভিন্নধর্মী চিত্র। এটি সাধারণ হোলি উৎসবের একদিন আগে 'রংভরী একাদশী'র পরের দিন অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রাচীন ঐতিহ্যটি কেবল একটি উৎসব নয়, বরং বারাণসীর গভীর তান্ত্রিক এবং আধ্যাত্মিক সংস্কৃতির এক অনন্য প্রতিফলন। মণিকর্ণিকা ঘাটের জ্বলন্ত চিতার পাশে এই চিতাভস্ম হোলি বা মশান হোলি পালিত হয়, যা যুগ যুগ ধরে কাশীর অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হিসেবে টিকে আছে।
এই মশান হোলির পেছনে রয়েছে এক গভীর পৌরাণিক বিশ্বাস। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, ভগবান শিব যখন অশুভ শক্তির বিনাশ করে কাশীতে ফিরেছিলেন, তখন তিনি হোলি খেলেছিলেন। এই রীতিটি সেই পবিত্র ঘটনার স্মারক হিসেবে পালন করা হয়। মনে করা হয়, এই বিশেষ দিনে ভগবান শিব স্বয়ং শ্মশানে উপস্থিত হন এবং তাঁর অনুসারী ভূত-প্রেত, যোগী ও অঘোরীদের সঙ্গে চিতাভস্ম দিয়ে হোলি খেলেন। শিবের এই রুদ্র রূপ এবং শ্মশানবাসীদের সঙ্গে তাঁর এই মিলন উৎসবকে কেন্দ্র করেই বারাণসীর সাধুরা এই দিনটিতে মেতে ওঠেন। কাশীর অঘোরী এবং সাধুরাই এই উৎসবে প্রধান ভূমিকা পালন করে থাকেন।
এই উৎসবের বিশেষত্ব হলো এর উপকরণ। এখানে সাধারণ আবির বা রঙের পরিবর্তে ব্যবহার করা হয় শ্মশানের চিতাভস্ম এবং অন্যান্য পবিত্র ভস্ম। অঘোরী সাধুরা সারা শরীরে চিতাভস্ম মেখে শিবের আরাধনায় মগ্ন হন। ডমরুর শব্দ আর ‘হর হর মহাদেব’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে মণিকর্ণিকা ঘাট। এই অনুষ্ঠানটি জীবনের নশ্বরতা এবং মৃত্যুর পর পরম সত্যের মুখোমুখি হওয়ার এক আধ্যাত্মিক প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। শ্মশানে হোলি খেলার মাধ্যমে সাধুরা বিশ্ববাসীকে মনে করিয়ে দেন যে মৃত্যু জীবনেরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁদের বিশ্বাস অনুযায়ী, জীবনের সব ভেদাভেদ শেষ পর্যন্ত এই ভস্মেই পরিণত হয়।
বারাণসীর মণিকর্ণিকা ঘাট হিন্দুদের কাছে একটি অত্যন্ত পবিত্র স্থান হিসেবে পরিচিত। হিন্দুদের বিশ্বাস অনুযায়ী, এখানে শেষকৃত্য সম্পন্ন হলে আত্মা মোক্ষ লাভ করে। আর সেই পবিত্র স্থানেই এই আধ্যাত্মিক হোলি আয়োজিত হয়। এখানকার সাধুরা মনে করেন, মৃত্যু এবং জীবন, আনন্দ এবং দুঃখ—সবই দেবাদিদেব মহাদেবের লীলা মাত্র। এই উৎসবটি দেখতে প্রতি বছর দেশ-বিদেশের পর্যটক ও গবেষকরা ভিড় জমান। জীবন ও মৃত্যুর এই সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আনন্দের এমন বহিঃপ্রকাশ বিশ্বের আর কোথাও দেখা যায় না। বারাণসীর এই চিতাভস্মের হোলি আমাদের জীবনের নশ্বরতাকে নতুনভাবে চিনিয়ে দেয়।
এই মশান হোলির পেছনে রয়েছে এক গভীর পৌরাণিক বিশ্বাস। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, ভগবান শিব যখন অশুভ শক্তির বিনাশ করে কাশীতে ফিরেছিলেন, তখন তিনি হোলি খেলেছিলেন। এই রীতিটি সেই পবিত্র ঘটনার স্মারক হিসেবে পালন করা হয়। মনে করা হয়, এই বিশেষ দিনে ভগবান শিব স্বয়ং শ্মশানে উপস্থিত হন এবং তাঁর অনুসারী ভূত-প্রেত, যোগী ও অঘোরীদের সঙ্গে চিতাভস্ম দিয়ে হোলি খেলেন। শিবের এই রুদ্র রূপ এবং শ্মশানবাসীদের সঙ্গে তাঁর এই মিলন উৎসবকে কেন্দ্র করেই বারাণসীর সাধুরা এই দিনটিতে মেতে ওঠেন। কাশীর অঘোরী এবং সাধুরাই এই উৎসবে প্রধান ভূমিকা পালন করে থাকেন।
এই উৎসবের বিশেষত্ব হলো এর উপকরণ। এখানে সাধারণ আবির বা রঙের পরিবর্তে ব্যবহার করা হয় শ্মশানের চিতাভস্ম এবং অন্যান্য পবিত্র ভস্ম। অঘোরী সাধুরা সারা শরীরে চিতাভস্ম মেখে শিবের আরাধনায় মগ্ন হন। ডমরুর শব্দ আর ‘হর হর মহাদেব’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে মণিকর্ণিকা ঘাট। এই অনুষ্ঠানটি জীবনের নশ্বরতা এবং মৃত্যুর পর পরম সত্যের মুখোমুখি হওয়ার এক আধ্যাত্মিক প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। শ্মশানে হোলি খেলার মাধ্যমে সাধুরা বিশ্ববাসীকে মনে করিয়ে দেন যে মৃত্যু জীবনেরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁদের বিশ্বাস অনুযায়ী, জীবনের সব ভেদাভেদ শেষ পর্যন্ত এই ভস্মেই পরিণত হয়।
বারাণসীর মণিকর্ণিকা ঘাট হিন্দুদের কাছে একটি অত্যন্ত পবিত্র স্থান হিসেবে পরিচিত। হিন্দুদের বিশ্বাস অনুযায়ী, এখানে শেষকৃত্য সম্পন্ন হলে আত্মা মোক্ষ লাভ করে। আর সেই পবিত্র স্থানেই এই আধ্যাত্মিক হোলি আয়োজিত হয়। এখানকার সাধুরা মনে করেন, মৃত্যু এবং জীবন, আনন্দ এবং দুঃখ—সবই দেবাদিদেব মহাদেবের লীলা মাত্র। এই উৎসবটি দেখতে প্রতি বছর দেশ-বিদেশের পর্যটক ও গবেষকরা ভিড় জমান। জীবন ও মৃত্যুর এই সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আনন্দের এমন বহিঃপ্রকাশ বিশ্বের আর কোথাও দেখা যায় না। বারাণসীর এই চিতাভস্মের হোলি আমাদের জীবনের নশ্বরতাকে নতুনভাবে চিনিয়ে দেয়।
প্রকাশ: ০৪ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: এখন সময়
...