সনাতন পত্র
জাতীয় ডেস্ক
জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) হারিয়ে গেলে এখন আর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে না। নির্বাচন কমিশন ২০২৬ সালের নতুন নির্দেশনায় জানিয়েছে, হারানো এনআইডি পুনরায় পাওয়ার ক্ষেত্রে জিডির কপি জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে নাগরিকরা এখন সরাসরি আবেদন করেই দ্রুত জাতীয় পরিচয়পত্র পুনরুদ্ধার করতে পারবেন।
আগে এনআইডি হারালে প্রথমে থানায় গিয়ে সাধারণ ডায়েরি করতে হতো। এরপর সেই জিডির কপি সংযুক্ত করে এনআইডি পুনঃপ্রাপ্তি বা সংশোধনের আবেদন করতে হতো। এই প্রক্রিয়ায় সময় ও অতিরিক্ত খরচ দুই-ই বাড়ত। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে সেই ধাপটি বাতিল করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ডিজিটাল সেবা সহজীকরণের অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নাগরিকদের সময় বাঁচানো, প্রশাসনিক জটিলতা কমানো এবং সেবাকে আরও দ্রুত করার লক্ষ্যেই নিয়মে পরিবর্তন আনা হয়েছে।
অর্থাৎ, আবেদনকারী সরাসরি প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র জমা দিয়ে পুনঃপ্রাপ্তির আবেদন করতে পারবেন। এতে করে অপ্রয়োজনীয় দৌড়ঝাঁপ কমবে।
প্রয়োজনীয় তথ্য যেমন জন্মতারিখ, বর্তমান ঠিকানা, পরিচয় সংক্রান্ত বিবরণ এবং পূর্বের এনআইডি নম্বর (যদি জানা থাকে) প্রদান করতে হবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ছবি বা অন্যান্য প্রমাণপত্র আপলোড করতে হতে পারে।
অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন হলে নির্ধারিত ফি ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিশোধ করা যাবে। এরপর আবেদনটির অবস্থা অনলাইনে ট্র্যাক করা সম্ভব হবে।
যারা সরাসরি নির্বাচন অফিসে গিয়ে আবেদন করতে চান, তারাও জিডি ছাড়াই আবেদন জমা দিতে পারবেন। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী আবেদন গ্রহণ করবেন।
এছাড়া গ্রামীণ এলাকা বা দূরবর্তী অঞ্চলে থানায় গিয়ে জিডি করা অনেকের জন্য বাড়তি ঝামেলা ছিল। নতুন নিয়মে সেই প্রশাসনিক ধাপ বাতিল হওয়ায় সেবা আরও সহজ হয়েছে।
বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা।
পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য।
পূর্বের এনআইডি নম্বর (যদি জানা থাকে)।
প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র বা ছবি।
জিডি প্রয়োজন না হলেও তথ্য অবশ্যই সঠিক ও যাচাইযোগ্য হতে হবে। ভুল বা অসত্য তথ্য দিলে আবেদন স্থগিত বা বাতিল হতে পারে।
সময় ও খরচ কমবে।
অনলাইন আবেদন ও ট্র্যাকিং সুবিধা পাওয়া যাবে।
ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে ফি পরিশোধ সম্ভব হবে।
এই পরিবর্তনের ফলে নারী, পুরুষ, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী বা গ্রামীণ জনগোষ্ঠী—সবাই দ্রুত এনআইডি পুনরুদ্ধারের সুযোগ পাবেন।
আগে এনআইডি হারালে প্রথমে থানায় গিয়ে সাধারণ ডায়েরি করতে হতো। এরপর সেই জিডির কপি সংযুক্ত করে এনআইডি পুনঃপ্রাপ্তি বা সংশোধনের আবেদন করতে হতো। এই প্রক্রিয়ায় সময় ও অতিরিক্ত খরচ দুই-ই বাড়ত। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে সেই ধাপটি বাতিল করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ডিজিটাল সেবা সহজীকরণের অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নাগরিকদের সময় বাঁচানো, প্রশাসনিক জটিলতা কমানো এবং সেবাকে আরও দ্রুত করার লক্ষ্যেই নিয়মে পরিবর্তন আনা হয়েছে।
কোন পরিবর্তন এসেছে
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এনআইডি হারালে আবেদন করার সময় থানার জিডির কপি জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। অনলাইন পোর্টাল কিংবা মাঠ পর্যায়ের নির্বাচন অফিস—দুই ক্ষেত্রেই একই নিয়ম কার্যকর হবে।অর্থাৎ, আবেদনকারী সরাসরি প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র জমা দিয়ে পুনঃপ্রাপ্তির আবেদন করতে পারবেন। এতে করে অপ্রয়োজনীয় দৌড়ঝাঁপ কমবে।
এখন আবেদন করবেন কীভাবে
এনআইডি হারিয়ে গেলে প্রথমে নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত অনলাইন সার্ভিস পোর্টালে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে হারানো জাতীয় পরিচয়পত্র পুনঃপ্রাপ্তির অপশন নির্বাচন করে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে।প্রয়োজনীয় তথ্য যেমন জন্মতারিখ, বর্তমান ঠিকানা, পরিচয় সংক্রান্ত বিবরণ এবং পূর্বের এনআইডি নম্বর (যদি জানা থাকে) প্রদান করতে হবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ছবি বা অন্যান্য প্রমাণপত্র আপলোড করতে হতে পারে।
অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন হলে নির্ধারিত ফি ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিশোধ করা যাবে। এরপর আবেদনটির অবস্থা অনলাইনে ট্র্যাক করা সম্ভব হবে।
যারা সরাসরি নির্বাচন অফিসে গিয়ে আবেদন করতে চান, তারাও জিডি ছাড়াই আবেদন জমা দিতে পারবেন। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী আবেদন গ্রহণ করবেন।
কেন এই পরিবর্তন
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বর্তমান ডিজিটাল ব্যবস্থায় নাগরিকদের তথ্য যাচাইয়ের জন্য জিডি বাধ্যতামূলক রাখার প্রয়োজনীয়তা কমে গেছে। অনেক ক্ষেত্রে জিডি করানো কেবল সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া হয়ে দাঁড়াত।এছাড়া গ্রামীণ এলাকা বা দূরবর্তী অঞ্চলে থানায় গিয়ে জিডি করা অনেকের জন্য বাড়তি ঝামেলা ছিল। নতুন নিয়মে সেই প্রশাসনিক ধাপ বাতিল হওয়ায় সেবা আরও সহজ হয়েছে।
আবেদনকালে কী কী তথ্য লাগবে
জন্মতারিখ ও জন্মস্থান।বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা।
পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য।
পূর্বের এনআইডি নম্বর (যদি জানা থাকে)।
প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র বা ছবি।
জিডি প্রয়োজন না হলেও তথ্য অবশ্যই সঠিক ও যাচাইযোগ্য হতে হবে। ভুল বা অসত্য তথ্য দিলে আবেদন স্থগিত বা বাতিল হতে পারে।
নতুন নিয়মে নাগরিকদের সুবিধা
থানায় জিডি করতে হবে না।সময় ও খরচ কমবে।
অনলাইন আবেদন ও ট্র্যাকিং সুবিধা পাওয়া যাবে।
ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে ফি পরিশোধ সম্ভব হবে।
এই পরিবর্তনের ফলে নারী, পুরুষ, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী বা গ্রামীণ জনগোষ্ঠী—সবাই দ্রুত এনআইডি পুনরুদ্ধারের সুযোগ পাবেন।
উপসংহার
এনআইডি হারিয়ে গেলে জিডি বাধ্যতামূলক না রাখার সিদ্ধান্ত নাগরিক সেবাকে আরও সহজ করেছে। নির্বাচন কমিশনের এই উদ্যোগ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া কমিয়ে দ্রুত ও কম ব্যয়বহুল সেবা নিশ্চিত করবে। এখন থেকে সরাসরি আবেদন করেই জাতীয় পরিচয়পত্র পুনরায় পাওয়া সম্ভব হবে।
প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
...