নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রাম
পবিত্র মাহে রমজান শুরু হতেই দেশের বিভিন্ন কাঁচাবাজারে নিত্যপণ্যের দামে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে লেবুর বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ ক্রেতারা বিপাকে পড়েছেন। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে লেবুর দাম কয়েক গুণ বেড়ে অনেকের কাছে বিলাসপণ্যে পরিণত হয়েছে।
চট্টগ্রাম নগরের বহদ্দারহাট, চকবাজার ও কাজীর দেউড়ি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ছোট আকারের লেবুর হালি ৮০ থেকে ১০০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না। মাঝারি ও বড় লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ২০০ টাকায়। দর-কষাকষির পর অনেক ক্ষেত্রে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বড় সাইজের লেবু।
দুই সপ্তাহ আগে যেখানে এক হালি লেবু ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হতো, সেখানে প্রথম রমজান থেকেই দাম লাফিয়ে বাড়তে শুরু করে। বর্তমানে অনেক দোকানে প্রতি পিস লেবু ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত হাঁকতে দেখা গেছে। এক ক্রেতা দরদাম করে দুটি লেবু কিনেছেন ৯০ টাকায়।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, লেবুর সরবরাহ তুলনামূলক কম। অনেক দোকানে সীমিত পরিমাণ লেবু রয়েছে, আবার কিছু বাজারে লেবু নেই বললেই চলে। যে লেবু পাওয়া যাচ্ছে, তার অনেকগুলোই অপরিপক্ব। কম দামের লেবুতে রস না থাকার অভিযোগও করেছেন ক্রেতারা।
ভোক্তাদের অভিযোগ, একটি চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাজার অস্থির করছে। কিছুদিন আগেও বাজারে পর্যাপ্ত লেবু ছিল, কিন্তু হঠাৎ করেই সরবরাহ কমে গেছে। বেশি দামের আশায় অপরিপক্ব লেবু বাজারে আনা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
চকবাজারের এক বিক্রেতা জানান, পাইকারি বাজারেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। ফলে খুচরা বাজারে বাড়তি দামে বিক্রি ছাড়া উপায় নেই। আগে যে দামে এক ডজন লেবু বিক্রি হতো, এখন সেই দামে এক হালিও পাওয়া যাচ্ছে না।
একই চিত্র দেখা গেছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে। সেখানে খুচরা বাজারে সাইজভেদে প্রতি হালি লেবু ৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড় লেবু ২০০ টাকা, মাঝারি ১৫০ থেকে ১৭৫ টাকা এবং ছোট লেবু ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
আড়তদাররা বলছেন, উৎপাদন কম হওয়া, পরিবহন ব্যয় ও শ্রমিক মজুরি বৃদ্ধির কারণে পাইকারি দাম বেড়েছে। সাইজভেদে প্রতি পিস ২০ থেকে ৫০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। খরচ যোগ করে সামান্য লাভে বিক্রি করতে গিয়ে হালিপ্রতি দাম ১০০ থেকে ২০০ টাকায় উঠছে।
রমজানের শুরুতেই লেবু ছাড়াও শসা, বেগুন ও বিভিন্ন ফলের দাম বাড়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে লেবুর অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে।
ভোক্তারা দ্রুত বাজার তদারকি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলছেন, রমজানের মতো সময়ে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
চট্টগ্রাম নগরের বহদ্দারহাট, চকবাজার ও কাজীর দেউড়ি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ছোট আকারের লেবুর হালি ৮০ থেকে ১০০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না। মাঝারি ও বড় লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ২০০ টাকায়। দর-কষাকষির পর অনেক ক্ষেত্রে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বড় সাইজের লেবু।
দুই সপ্তাহ আগে যেখানে এক হালি লেবু ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হতো, সেখানে প্রথম রমজান থেকেই দাম লাফিয়ে বাড়তে শুরু করে। বর্তমানে অনেক দোকানে প্রতি পিস লেবু ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত হাঁকতে দেখা গেছে। এক ক্রেতা দরদাম করে দুটি লেবু কিনেছেন ৯০ টাকায়।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, লেবুর সরবরাহ তুলনামূলক কম। অনেক দোকানে সীমিত পরিমাণ লেবু রয়েছে, আবার কিছু বাজারে লেবু নেই বললেই চলে। যে লেবু পাওয়া যাচ্ছে, তার অনেকগুলোই অপরিপক্ব। কম দামের লেবুতে রস না থাকার অভিযোগও করেছেন ক্রেতারা।
ভোক্তাদের অভিযোগ, একটি চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাজার অস্থির করছে। কিছুদিন আগেও বাজারে পর্যাপ্ত লেবু ছিল, কিন্তু হঠাৎ করেই সরবরাহ কমে গেছে। বেশি দামের আশায় অপরিপক্ব লেবু বাজারে আনা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
চকবাজারের এক বিক্রেতা জানান, পাইকারি বাজারেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। ফলে খুচরা বাজারে বাড়তি দামে বিক্রি ছাড়া উপায় নেই। আগে যে দামে এক ডজন লেবু বিক্রি হতো, এখন সেই দামে এক হালিও পাওয়া যাচ্ছে না।
একই চিত্র দেখা গেছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে। সেখানে খুচরা বাজারে সাইজভেদে প্রতি হালি লেবু ৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড় লেবু ২০০ টাকা, মাঝারি ১৫০ থেকে ১৭৫ টাকা এবং ছোট লেবু ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
আড়তদাররা বলছেন, উৎপাদন কম হওয়া, পরিবহন ব্যয় ও শ্রমিক মজুরি বৃদ্ধির কারণে পাইকারি দাম বেড়েছে। সাইজভেদে প্রতি পিস ২০ থেকে ৫০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। খরচ যোগ করে সামান্য লাভে বিক্রি করতে গিয়ে হালিপ্রতি দাম ১০০ থেকে ২০০ টাকায় উঠছে।
রমজানের শুরুতেই লেবু ছাড়াও শসা, বেগুন ও বিভিন্ন ফলের দাম বাড়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে লেবুর অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে।
ভোক্তারা দ্রুত বাজার তদারকি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলছেন, রমজানের মতো সময়ে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
...