আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বিশেষ প্রতিনিধি
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি ছবি প্রকাশ করেন, যেখানে তাঁকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে একই গাড়িতে দেখা যায়। ছবির বর্ণনায় তিনি উল্লেখ করেন, ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে ভাষণ শেষে তাঁরা প্রযুক্তি প্রদর্শনী পরিদর্শনে যাচ্ছিলেন।
ছবিতে দুই নেতাকে স্বাভাবিক ও হাস্যোজ্জ্বল ভঙ্গিতে দেখা যায়। কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই দৃশ্য কেবল আনুষ্ঠানিক সফরের অংশ নয়; বরং পারস্পরিক আস্থার বার্তা বহন করে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এটি ‘কারপ্লোম্যাসি’ নামে পরিচিত একটি কৌশলের উদাহরণ হিসেবে আলোচিত হচ্ছে।
রাষ্ট্রীয় সফরে সাধারণত প্রোটোকল অনুযায়ী পৃথক গাড়িতে যাতায়াত করা হয়। নিরাপত্তা, কূটনৈতিক বিধি এবং সময় ব্যবস্থাপনার কারণে রাষ্ট্রপ্রধানদের চলাচলে নির্দিষ্ট নিয়ম মানা হয়। তবে নরেন্দ্র মোদী দায়িত্ব গ্রহণের পর একাধিকবার এই প্রচলিত রীতি ভেঙে বিদেশি নেতাদের সঙ্গে একই গাড়িতে ভ্রমণ করেছেন।
এই কৌশলের সূচনা ঘটে ২০১৪ সালে। সে সময় যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে প্রেসিডেন্সিয়াল লিমোজিনে ভ্রমণ করেন মোদী। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের ব্যবহৃত নিরাপত্তা সুরক্ষিত গাড়িটি ‘দ্য বিস্ট’ নামে পরিচিত। ওই সফরটি ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের নতুন অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল। পরবর্তী বছরগুলোতেও বিভিন্ন সফরে একই ধরনের চিত্র দেখা গেছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে মোদী একাধিকবার সরকারি গাড়িতে একসঙ্গে ভ্রমণ করেছেন। গত বছরের সেপ্টেম্বরে চীনে অনুষ্ঠিত সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষ সম্মেলনের সময় এবং ডিসেম্বরে পুতিনের ভারত সফরে এই দৃশ্য দেখা যায়। রুশ প্রেসিডেন্টের সরকারি গাড়ি ‘অরাস সেনাতে’তে তাঁদের একসঙ্গে যাত্রা কূটনৈতিক মহলে আলোচিত হয়।
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে গত বছরের অক্টোবরে লন্ডনে বৈঠকের সময়ও মোদী একই গাড়িতে যাতায়াত করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকের আনুষ্ঠানিক অংশের বাইরে দুই নেতা চলাচলের সময় বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা করেন।
চলতি মাসের শুরুতে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ভারতের সফরে এলে মুম্বাইয়ে ‘ভারত-ফ্রান্স ইনোভেশন ফোরাম’-এ যাওয়ার পথে দুই নেতা একই গাড়িতে ছিলেন। প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষাপটে এই সফরকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হয়। মালয়েশিয়া সফরের সময় কুয়ালালামপুরে একটি কমিউনিটি ইভেন্টে যাওয়ার পথে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে মোদীর একই গাড়িতে ভ্রমণের ছবিও প্রকাশিত হয়। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে ভারতের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক জোরদারে এই সফর তাৎপর্যপূর্ণ ছিল।
জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মার্জ ভারতের সফরে এলে নয়াদিল্লিতে সরকারি বৈঠকের সময়ও একই ধরনের দৃশ্য দেখা যায়। দুই দেশের শিল্প, প্রযুক্তি ও সবুজ জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি কূটনৈতিক সৌহার্দ্য প্রদর্শনের অংশ হিসেবেও এই যৌথ যাত্রা উল্লেখযোগ্য হয়ে ওঠে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান দিল্লি সফরে এলে বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাতে যান মোদী। সেখান থেকেও তাঁদের একসঙ্গে গাড়িতে যাত্রার ছবি প্রকাশ পায়। মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে ভারতের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এই সফরকে গুরুত্বপূর্ণ ধরা হয়।
গত বছরের ডিসেম্বরে জর্ডান সফরের সময় আরও একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটে। জর্ডানের যুবরাজ আল হোসেন বিন আবদুল্লাহ দ্বিতীয় নিজে গাড়ি চালিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে জর্ডান মিউজিয়ামে নিয়ে যান। এই দৃশ্য সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একই গাড়িতে যাত্রা একটি প্রতীকী বার্তা বহন করে। এটি নিরাপত্তা সংক্রান্ত আস্থা, ব্যক্তিগত সম্পর্কের উষ্ণতা এবং দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় খোলামেলা পরিবেশ তৈরির ইঙ্গিত দেয়। আনুষ্ঠানিক বৈঠকের বাইরে সংক্ষিপ্ত যাত্রাপথে নেতারা অনানুষ্ঠানিকভাবে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে মতবিনিময় করতে পারেন।
তবে সমালোচকরাও রয়েছেন। তাঁদের মতে, কূটনৈতিক সম্পর্কের মূল্যায়ন কেবল প্রতীকী অঙ্গভঙ্গির ওপর নির্ভর করে না; বরং বাস্তব চুক্তি, অর্থনৈতিক বিনিয়োগ ও কৌশলগত অগ্রগতিই প্রকৃত মানদণ্ড। তবুও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে প্রতীকী আচরণের গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না।
ভারতের পররাষ্ট্রনীতি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মোদীর এই কৌশল ব্যক্তিগত নেতৃত্বের ধরণকে তুলে ধরে। সরাসরি যোগাযোগ ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে তিনি বহুপাক্ষিক আলোচনায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। সাম্প্রতিক ইসরায়েল সফরের ছবিটি প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ভারত-ইসরায়েল সম্পর্ক প্রতিরক্ষা, কৃষি ও প্রযুক্তি খাতে সম্প্রসারিত হয়েছে। নেসেটে দেওয়া ভাষণে মোদী দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরেন বলে সরকারি সূত্র জানিয়েছে।
কূটনৈতিক পরিমণ্ডলে ‘কারপ্লোম্যাসি’ শব্দটি আনুষ্ঠানিক পরিভাষা নয়, তবে রাজনৈতিক যোগাযোগে এটি একটি জনপ্রিয় রূপক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশ্বনেতাদের সঙ্গে একই গাড়িতে ভ্রমণের ধারাবাহিকতা মোদীর কূটনৈতিক শৈলীর একটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য হয়ে উঠেছে।
সামগ্রিকভাবে দেখা যায়, ২০১৪ সাল থেকে শুরু হওয়া এই ধারা এখন নিয়মিত চর্চায় পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন মহাদেশের নেতাদের সঙ্গে একই গাড়িতে যাত্রা ভারতের বৈদেশিক সম্পর্কের বহুমাত্রিকতা তুলে ধরছে।
সর্বশেষ ইসরায়েল সফরের ছবির মাধ্যমে আবারও সেই বার্তাই সামনে এলো—কূটনীতিতে আনুষ্ঠানিক আলোচনার পাশাপাশি ব্যক্তিগত যোগাযোগও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের জটিল প্রেক্ষাপটে প্রতীকী পদক্ষেপ কখনও কখনও বড় বার্তা বহন করে।
ছবিতে দুই নেতাকে স্বাভাবিক ও হাস্যোজ্জ্বল ভঙ্গিতে দেখা যায়। কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই দৃশ্য কেবল আনুষ্ঠানিক সফরের অংশ নয়; বরং পারস্পরিক আস্থার বার্তা বহন করে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এটি ‘কারপ্লোম্যাসি’ নামে পরিচিত একটি কৌশলের উদাহরণ হিসেবে আলোচিত হচ্ছে।
রাষ্ট্রীয় সফরে সাধারণত প্রোটোকল অনুযায়ী পৃথক গাড়িতে যাতায়াত করা হয়। নিরাপত্তা, কূটনৈতিক বিধি এবং সময় ব্যবস্থাপনার কারণে রাষ্ট্রপ্রধানদের চলাচলে নির্দিষ্ট নিয়ম মানা হয়। তবে নরেন্দ্র মোদী দায়িত্ব গ্রহণের পর একাধিকবার এই প্রচলিত রীতি ভেঙে বিদেশি নেতাদের সঙ্গে একই গাড়িতে ভ্রমণ করেছেন।
এই কৌশলের সূচনা ঘটে ২০১৪ সালে। সে সময় যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে প্রেসিডেন্সিয়াল লিমোজিনে ভ্রমণ করেন মোদী। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের ব্যবহৃত নিরাপত্তা সুরক্ষিত গাড়িটি ‘দ্য বিস্ট’ নামে পরিচিত। ওই সফরটি ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের নতুন অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল। পরবর্তী বছরগুলোতেও বিভিন্ন সফরে একই ধরনের চিত্র দেখা গেছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে মোদী একাধিকবার সরকারি গাড়িতে একসঙ্গে ভ্রমণ করেছেন। গত বছরের সেপ্টেম্বরে চীনে অনুষ্ঠিত সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষ সম্মেলনের সময় এবং ডিসেম্বরে পুতিনের ভারত সফরে এই দৃশ্য দেখা যায়। রুশ প্রেসিডেন্টের সরকারি গাড়ি ‘অরাস সেনাতে’তে তাঁদের একসঙ্গে যাত্রা কূটনৈতিক মহলে আলোচিত হয়।
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে গত বছরের অক্টোবরে লন্ডনে বৈঠকের সময়ও মোদী একই গাড়িতে যাতায়াত করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকের আনুষ্ঠানিক অংশের বাইরে দুই নেতা চলাচলের সময় বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা করেন।
চলতি মাসের শুরুতে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ভারতের সফরে এলে মুম্বাইয়ে ‘ভারত-ফ্রান্স ইনোভেশন ফোরাম’-এ যাওয়ার পথে দুই নেতা একই গাড়িতে ছিলেন। প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষাপটে এই সফরকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হয়। মালয়েশিয়া সফরের সময় কুয়ালালামপুরে একটি কমিউনিটি ইভেন্টে যাওয়ার পথে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে মোদীর একই গাড়িতে ভ্রমণের ছবিও প্রকাশিত হয়। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে ভারতের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক জোরদারে এই সফর তাৎপর্যপূর্ণ ছিল।
জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মার্জ ভারতের সফরে এলে নয়াদিল্লিতে সরকারি বৈঠকের সময়ও একই ধরনের দৃশ্য দেখা যায়। দুই দেশের শিল্প, প্রযুক্তি ও সবুজ জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি কূটনৈতিক সৌহার্দ্য প্রদর্শনের অংশ হিসেবেও এই যৌথ যাত্রা উল্লেখযোগ্য হয়ে ওঠে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান দিল্লি সফরে এলে বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাতে যান মোদী। সেখান থেকেও তাঁদের একসঙ্গে গাড়িতে যাত্রার ছবি প্রকাশ পায়। মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে ভারতের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এই সফরকে গুরুত্বপূর্ণ ধরা হয়।
গত বছরের ডিসেম্বরে জর্ডান সফরের সময় আরও একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটে। জর্ডানের যুবরাজ আল হোসেন বিন আবদুল্লাহ দ্বিতীয় নিজে গাড়ি চালিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে জর্ডান মিউজিয়ামে নিয়ে যান। এই দৃশ্য সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একই গাড়িতে যাত্রা একটি প্রতীকী বার্তা বহন করে। এটি নিরাপত্তা সংক্রান্ত আস্থা, ব্যক্তিগত সম্পর্কের উষ্ণতা এবং দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় খোলামেলা পরিবেশ তৈরির ইঙ্গিত দেয়। আনুষ্ঠানিক বৈঠকের বাইরে সংক্ষিপ্ত যাত্রাপথে নেতারা অনানুষ্ঠানিকভাবে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে মতবিনিময় করতে পারেন।
তবে সমালোচকরাও রয়েছেন। তাঁদের মতে, কূটনৈতিক সম্পর্কের মূল্যায়ন কেবল প্রতীকী অঙ্গভঙ্গির ওপর নির্ভর করে না; বরং বাস্তব চুক্তি, অর্থনৈতিক বিনিয়োগ ও কৌশলগত অগ্রগতিই প্রকৃত মানদণ্ড। তবুও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে প্রতীকী আচরণের গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না।
ভারতের পররাষ্ট্রনীতি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মোদীর এই কৌশল ব্যক্তিগত নেতৃত্বের ধরণকে তুলে ধরে। সরাসরি যোগাযোগ ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে তিনি বহুপাক্ষিক আলোচনায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। সাম্প্রতিক ইসরায়েল সফরের ছবিটি প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ভারত-ইসরায়েল সম্পর্ক প্রতিরক্ষা, কৃষি ও প্রযুক্তি খাতে সম্প্রসারিত হয়েছে। নেসেটে দেওয়া ভাষণে মোদী দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরেন বলে সরকারি সূত্র জানিয়েছে।
কূটনৈতিক পরিমণ্ডলে ‘কারপ্লোম্যাসি’ শব্দটি আনুষ্ঠানিক পরিভাষা নয়, তবে রাজনৈতিক যোগাযোগে এটি একটি জনপ্রিয় রূপক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশ্বনেতাদের সঙ্গে একই গাড়িতে ভ্রমণের ধারাবাহিকতা মোদীর কূটনৈতিক শৈলীর একটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য হয়ে উঠেছে।
সামগ্রিকভাবে দেখা যায়, ২০১৪ সাল থেকে শুরু হওয়া এই ধারা এখন নিয়মিত চর্চায় পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন মহাদেশের নেতাদের সঙ্গে একই গাড়িতে যাত্রা ভারতের বৈদেশিক সম্পর্কের বহুমাত্রিকতা তুলে ধরছে।
সর্বশেষ ইসরায়েল সফরের ছবির মাধ্যমে আবারও সেই বার্তাই সামনে এলো—কূটনীতিতে আনুষ্ঠানিক আলোচনার পাশাপাশি ব্যক্তিগত যোগাযোগও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের জটিল প্রেক্ষাপটে প্রতীকী পদক্ষেপ কখনও কখনও বড় বার্তা বহন করে।
প্রকাশ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:২১ পিএম | আপডেট: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:২১ পিএম
...



