নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা
সেবা ও শৃঙ্খলার প্রতিশ্রুতি সামনে রেখে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। দেশের ৬৪টি জেলা থেকে পুরুষ ও নারী প্রার্থীদের আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। আগ্রহীরা আগামী ৫ মার্চ ২০২৬ সকাল ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন প্রক্রিয়া চলবে ৩১ মার্চ ২০২৬ বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে, এবার জেলা ভিত্তিক শূন্য পদ পূরণ করা হবে। নির্দিষ্ট সংখ্যক পদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ না থাকলেও প্রতিটি জেলার জন্য মেধা ও বিদ্যমান কোটার ভিত্তিতে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে। জেলা অনুযায়ী পদের চূড়ান্ত তালিকা ও বিস্তারিত তথ্য বাংলাদেশ পুলিশের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
আবেদনকারীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ থাকতে হবে। বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখ অনুযায়ী ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ অন্যান্য বিশেষ কোটার ক্ষেত্রে সরকারের প্রচলিত নীতিমালা অনুসরণ করা হবে। প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক এবং অবিবাহিত হতে হবে।
শারীরিক যোগ্যতার ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সাধারণ ও অন্যান্য কোটায় ন্যূনতম উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি। মুক্তিযোদ্ধা ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী কোটার ক্ষেত্রে উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি গ্রহণযোগ্য। বুকের মাপ সাধারণ কোটায় স্বাভাবিক অবস্থায় ৩১ ইঞ্চি এবং সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩৩ ইঞ্চি হতে হবে। মুক্তিযোদ্ধা ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী কোটায় বুকের মাপ স্বাভাবিক ৩০ ইঞ্চি এবং সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩১ ইঞ্চি নির্ধারণ করা হয়েছে।
নারী প্রার্থীদের জন্য সাধারণ ও অন্যান্য কোটায় ন্যূনতম উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি নির্ধারণ করা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী কোটার ক্ষেত্রে উচ্চতা ৫ ফুট ২ ইঞ্চি হলেই আবেদন করা যাবে।
প্রার্থীদের স্থায়ী ঠিকানার জেলা অনুযায়ী নির্ধারিত তারিখে সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ লাইনস মাঠে শারীরিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। শারীরিক পরীক্ষা কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হবে এবং এতে দৌড়, উচ্চতা ও বুকের মাপ যাচাইসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য সক্ষমতা পরীক্ষা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের পরবর্তী ধাপে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে দেওয়া হবে।
শারীরিক পরীক্ষার সময়সূচি চারটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম গ্রুপের শারীরিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৫, ১৬ ও ১৭ এপ্রিল ২০২৬। এই গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত জেলা হলো মাদারীপুর, কিশোরগঞ্জ, রাঙামাটি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঝিনাইদহ, নড়াইল, সিরাজগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, সুনামগঞ্জ, জামালপুর, ফরিদপুর, টাঙ্গাইল, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও খুলনা। দ্বিতীয় গ্রুপের পরীক্ষা হবে ১৮, ১৯ ও ২০ এপ্রিল ২০২৬। এ তালিকায় রয়েছে সাতক্ষীরা, নওগাঁ, জয়পুরহাট, পঞ্চগড়, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা, ঢাকা, রাজবাড়ী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, চুয়াডাঙ্গা, বগুড়া, দিনাজপুর, সিলেট, ঝালকাঠি ও পটুয়াখালী।
তৃতীয় গ্রুপের শারীরিক পরীক্ষা নির্ধারণ করা হয়েছে ২১, ২২ ও ২৩ এপ্রিল ২০২৬। এই গ্রুপে রয়েছে নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, কক্সবাজার, মেহেরপুর, নাটোর, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, শেরপুর, ভোলা, বরগুনা, ময়মনসিংহ, গাজীপুর, শরীয়তপুর, মানিকগঞ্জ, গোপালগঞ্জ ও বান্দরবান।
চতুর্থ গ্রুপের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৪, ২৫ ও ২৬ এপ্রিল ২০২৬। এতে অন্তর্ভুক্ত জেলা হলো নোয়াখালী, বাগেরহাট, যশোর, রাজশাহী, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, মৌলভীবাজার, নরসিংদী, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, কুষ্টিয়া, মাগুরা, পাবনা, রংপুর, পিরোজপুর ও বরিশাল।
আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে। আবেদন শুরু হবে ৫ মার্চ ২০২৬ সকাল ১০টায় এবং শেষ হবে ৩১ মার্চ ২০২৬ বিকেল ৫টায়। প্রাথমিকভাবে অনলাইনে আবেদন করার সময় নির্ধারিত ফি প্রদান করতে হবে। শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর লিখিত পরীক্ষার জন্য টেলিটক প্রিপেইড সিমের মাধ্যমে ৫৬ টাকা জমা দিতে হবে।
পুলিশ কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন, তদবির বা অনৈতিক প্রভাব খাটানোর চেষ্টা প্রার্থীর অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে। যদি কোনো প্রার্থী জালিয়াতি, ভুয়া তথ্য প্রদান বা অন্য কোনো অসদুপায় অবলম্বন করেন, তবে নিয়োগের যেকোনো পর্যায়ে তার আবেদন বাতিল করা হবে এবং প্রয়োজন হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলকভাবে সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রার্থীদের সকল নির্দেশনা মনোযোগ দিয়ে পড়ার পর আবেদন করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত তারিখ ও সময়ের বাইরে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
আগ্রহী প্রার্থীদের নিজ নিজ জেলার সময়সূচি অনুসরণ করে শারীরিক পরীক্ষার দিন উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রবেশপত্র সঙ্গে রাখতে হবে। নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ না করলে পরবর্তী ধাপে অংশ নেওয়া যাবে না।
বাংলাদেশ পুলিশের এই নিয়োগ কার্যক্রমের মাধ্যমে সারা দেশ থেকে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হবে। নির্বাচিত প্রার্থীরা ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল হিসেবে মৌলিক প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর নিয়মিত দায়িত্বে যোগ দেবেন।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে, এবার জেলা ভিত্তিক শূন্য পদ পূরণ করা হবে। নির্দিষ্ট সংখ্যক পদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ না থাকলেও প্রতিটি জেলার জন্য মেধা ও বিদ্যমান কোটার ভিত্তিতে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে। জেলা অনুযায়ী পদের চূড়ান্ত তালিকা ও বিস্তারিত তথ্য বাংলাদেশ পুলিশের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
আবেদনকারীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ থাকতে হবে। বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখ অনুযায়ী ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ অন্যান্য বিশেষ কোটার ক্ষেত্রে সরকারের প্রচলিত নীতিমালা অনুসরণ করা হবে। প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক এবং অবিবাহিত হতে হবে।
শারীরিক যোগ্যতার ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সাধারণ ও অন্যান্য কোটায় ন্যূনতম উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি। মুক্তিযোদ্ধা ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী কোটার ক্ষেত্রে উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি গ্রহণযোগ্য। বুকের মাপ সাধারণ কোটায় স্বাভাবিক অবস্থায় ৩১ ইঞ্চি এবং সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩৩ ইঞ্চি হতে হবে। মুক্তিযোদ্ধা ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী কোটায় বুকের মাপ স্বাভাবিক ৩০ ইঞ্চি এবং সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩১ ইঞ্চি নির্ধারণ করা হয়েছে।
নারী প্রার্থীদের জন্য সাধারণ ও অন্যান্য কোটায় ন্যূনতম উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি নির্ধারণ করা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী কোটার ক্ষেত্রে উচ্চতা ৫ ফুট ২ ইঞ্চি হলেই আবেদন করা যাবে।
প্রার্থীদের স্থায়ী ঠিকানার জেলা অনুযায়ী নির্ধারিত তারিখে সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ লাইনস মাঠে শারীরিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। শারীরিক পরীক্ষা কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হবে এবং এতে দৌড়, উচ্চতা ও বুকের মাপ যাচাইসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য সক্ষমতা পরীক্ষা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের পরবর্তী ধাপে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে দেওয়া হবে।
শারীরিক পরীক্ষার সময়সূচি চারটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম গ্রুপের শারীরিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৫, ১৬ ও ১৭ এপ্রিল ২০২৬। এই গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত জেলা হলো মাদারীপুর, কিশোরগঞ্জ, রাঙামাটি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঝিনাইদহ, নড়াইল, সিরাজগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, সুনামগঞ্জ, জামালপুর, ফরিদপুর, টাঙ্গাইল, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও খুলনা। দ্বিতীয় গ্রুপের পরীক্ষা হবে ১৮, ১৯ ও ২০ এপ্রিল ২০২৬। এ তালিকায় রয়েছে সাতক্ষীরা, নওগাঁ, জয়পুরহাট, পঞ্চগড়, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা, ঢাকা, রাজবাড়ী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, চুয়াডাঙ্গা, বগুড়া, দিনাজপুর, সিলেট, ঝালকাঠি ও পটুয়াখালী।
তৃতীয় গ্রুপের শারীরিক পরীক্ষা নির্ধারণ করা হয়েছে ২১, ২২ ও ২৩ এপ্রিল ২০২৬। এই গ্রুপে রয়েছে নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, কক্সবাজার, মেহেরপুর, নাটোর, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, শেরপুর, ভোলা, বরগুনা, ময়মনসিংহ, গাজীপুর, শরীয়তপুর, মানিকগঞ্জ, গোপালগঞ্জ ও বান্দরবান।
চতুর্থ গ্রুপের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৪, ২৫ ও ২৬ এপ্রিল ২০২৬। এতে অন্তর্ভুক্ত জেলা হলো নোয়াখালী, বাগেরহাট, যশোর, রাজশাহী, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, মৌলভীবাজার, নরসিংদী, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, কুষ্টিয়া, মাগুরা, পাবনা, রংপুর, পিরোজপুর ও বরিশাল।
আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে। আবেদন শুরু হবে ৫ মার্চ ২০২৬ সকাল ১০টায় এবং শেষ হবে ৩১ মার্চ ২০২৬ বিকেল ৫টায়। প্রাথমিকভাবে অনলাইনে আবেদন করার সময় নির্ধারিত ফি প্রদান করতে হবে। শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর লিখিত পরীক্ষার জন্য টেলিটক প্রিপেইড সিমের মাধ্যমে ৫৬ টাকা জমা দিতে হবে।
পুলিশ কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন, তদবির বা অনৈতিক প্রভাব খাটানোর চেষ্টা প্রার্থীর অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে। যদি কোনো প্রার্থী জালিয়াতি, ভুয়া তথ্য প্রদান বা অন্য কোনো অসদুপায় অবলম্বন করেন, তবে নিয়োগের যেকোনো পর্যায়ে তার আবেদন বাতিল করা হবে এবং প্রয়োজন হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলকভাবে সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রার্থীদের সকল নির্দেশনা মনোযোগ দিয়ে পড়ার পর আবেদন করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত তারিখ ও সময়ের বাইরে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
আগ্রহী প্রার্থীদের নিজ নিজ জেলার সময়সূচি অনুসরণ করে শারীরিক পরীক্ষার দিন উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রবেশপত্র সঙ্গে রাখতে হবে। নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ না করলে পরবর্তী ধাপে অংশ নেওয়া যাবে না।
বাংলাদেশ পুলিশের এই নিয়োগ কার্যক্রমের মাধ্যমে সারা দেশ থেকে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হবে। নির্বাচিত প্রার্থীরা ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল হিসেবে মৌলিক প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর নিয়মিত দায়িত্বে যোগ দেবেন।
প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬:২০
...
